শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জিয়ার দেওয়া হুইলচেয়ারে মনির এখন ঘুরছেন স্বাচ্ছন্দ্যে

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা আর যেন কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায় না — এমনই এক অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে উঠেছে প্রতিবন্ধী শিশু মো. মনিরুজ্জামান মনির। জন্ম থেকে দু’পায়ের সমস্যা নিয়ে বেড়ে ওঠা মনির এখন হুইলচেয়ারের সাহায্যে নিজের মতো করে চলাফেরা করছেন।

এই বদলে যাওয়ার পেছনে রয়েছে একজন হৃদয়বান মানুষের অবদান। তিনি হলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া।

তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯ গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়ন প্রত্যাশী।

অধ্যাপক ডাঃ খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া মনিরের কষ্টের কথা গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দেখে নিজ উদ্যোগে একটি হুইলচেয়ার উপহার দেন প্রতিবন্ধী শিশুটিকে।

ডাঃ জিয়া বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সাহেবের নির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় আমি এই সহযোগিতা করেছি। সমাজের প্রতিটি সক্ষম মানুষ যদি একেকজন প্রতিবন্ধী শিশুর পাশে দাঁড়ায়, তাহলে তারা আর পিছিয়ে থাকবে না।”

ডা. জিয়া আরও বলেন, “মনিরের চোখে যে স্বপ্ন, তা বাস্তবায়নের পথে আমি সামান্য সহযোগিতা করতে পেরেছি। এজন্য আমি ভীষণ আনন্দিত। সমাজের সবারই উচিত এমন শিশুদের পাশে দাঁড়ানো।

প্রতিবন্ধী শিশু মনিরের মা মোছাঃ মল্লিকা বেগম কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আগে মনির ঘরেই বন্দি ছিল, এখন সে সবজায়গায় চলাফেরা করতে পারছে। এটা আমাদের জীবনের বড় আশীর্বাদ।

এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক নেতাদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রমাণ দেয় — এমনটাই মনে করছেন এলাকাবাসী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জন্মগতভাবে শিশু মো. মনিরুজ্জামান মনির প্রতিবন্ধী। ৩০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে রিকশা চালন শিশুটির বাবা মো. আলতাব হোসেন। বসতবাড়ির ৪ শতাংশ জমি ছাড়া আর কোনো জমি নেই তার। জন্মে পর থেকে অনেক ডাক্তারকেই দেখিয়েছিলেন। কেউ শিশুটিকে ভালো করতে পারেনি। সবাই বলেছেন ওর নাকি পুষ্টির অভাব ছিলো। এখনো ওকে প্রত্যেকদিন ঔষধ খাওয়াতে হয়। দুধ এবং ঔষধ মিলে প্রত্যেক মাসে ৩ হাজার টাকা লাগে ওর পিছনে। ঔষধ বন্ধ করলেই ঝাঁকুনি ও কান্না শুরু হয় এবং হাত-পা শিক লাগি আসে। আরও ২ বছরের একটা ছেলে সন্তান আছে তার পরিবারে। আর্থিক সংকট থাকায় ১টি হুইল চেয়ার কেনার সামর্থ্য ছিলো না। সে কারণে একটি হুইল চেয়ার পাওয়ার আকুতি জানিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান ও সমাজের বিত্তবানদের নিকট আবেদন করেছিলেন তিনি। কিন্তু কেউ সাড়া দেয়নি তার আবেদনে। পরে শিশু মনির গণমাধ্যম কর্মীদের নজরে আসে ও এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।

জিয়ার দেওয়া হুইলচেয়ারে মনির এখন ঘুরছেন স্বাচ্ছন্দ্যে

প্রকাশের সময়: ০৬:০৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা আর যেন কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায় না — এমনই এক অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে উঠেছে প্রতিবন্ধী শিশু মো. মনিরুজ্জামান মনির। জন্ম থেকে দু’পায়ের সমস্যা নিয়ে বেড়ে ওঠা মনির এখন হুইলচেয়ারের সাহায্যে নিজের মতো করে চলাফেরা করছেন।

এই বদলে যাওয়ার পেছনে রয়েছে একজন হৃদয়বান মানুষের অবদান। তিনি হলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া।

তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯ গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়ন প্রত্যাশী।

অধ্যাপক ডাঃ খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া মনিরের কষ্টের কথা গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দেখে নিজ উদ্যোগে একটি হুইলচেয়ার উপহার দেন প্রতিবন্ধী শিশুটিকে।

ডাঃ জিয়া বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সাহেবের নির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় আমি এই সহযোগিতা করেছি। সমাজের প্রতিটি সক্ষম মানুষ যদি একেকজন প্রতিবন্ধী শিশুর পাশে দাঁড়ায়, তাহলে তারা আর পিছিয়ে থাকবে না।”

ডা. জিয়া আরও বলেন, “মনিরের চোখে যে স্বপ্ন, তা বাস্তবায়নের পথে আমি সামান্য সহযোগিতা করতে পেরেছি। এজন্য আমি ভীষণ আনন্দিত। সমাজের সবারই উচিত এমন শিশুদের পাশে দাঁড়ানো।

প্রতিবন্ধী শিশু মনিরের মা মোছাঃ মল্লিকা বেগম কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আগে মনির ঘরেই বন্দি ছিল, এখন সে সবজায়গায় চলাফেরা করতে পারছে। এটা আমাদের জীবনের বড় আশীর্বাদ।

এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক নেতাদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রমাণ দেয় — এমনটাই মনে করছেন এলাকাবাসী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জন্মগতভাবে শিশু মো. মনিরুজ্জামান মনির প্রতিবন্ধী। ৩০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে রিকশা চালন শিশুটির বাবা মো. আলতাব হোসেন। বসতবাড়ির ৪ শতাংশ জমি ছাড়া আর কোনো জমি নেই তার। জন্মে পর থেকে অনেক ডাক্তারকেই দেখিয়েছিলেন। কেউ শিশুটিকে ভালো করতে পারেনি। সবাই বলেছেন ওর নাকি পুষ্টির অভাব ছিলো। এখনো ওকে প্রত্যেকদিন ঔষধ খাওয়াতে হয়। দুধ এবং ঔষধ মিলে প্রত্যেক মাসে ৩ হাজার টাকা লাগে ওর পিছনে। ঔষধ বন্ধ করলেই ঝাঁকুনি ও কান্না শুরু হয় এবং হাত-পা শিক লাগি আসে। আরও ২ বছরের একটা ছেলে সন্তান আছে তার পরিবারে। আর্থিক সংকট থাকায় ১টি হুইল চেয়ার কেনার সামর্থ্য ছিলো না। সে কারণে একটি হুইল চেয়ার পাওয়ার আকুতি জানিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান ও সমাজের বিত্তবানদের নিকট আবেদন করেছিলেন তিনি। কিন্তু কেউ সাড়া দেয়নি তার আবেদনে। পরে শিশু মনির গণমাধ্যম কর্মীদের নজরে আসে ও এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।