শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোপা আমন খেতে বালাই দমন পরামর্শে কৃষি কর্মকর্তারা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় প্রায় ১৬ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ হয়েছে। আগাম প্রস্তুতি হিসেবে এসব খেতে কারেন্ট পোকাসহ বিভিন্ন বালাই দমনের জন্য মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন কৃষি কর্মকর্তারা। কৃষকদের ভালো ফলন পেতে ছুটির দিনেও বসে নেই তারা।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) উপজেলার রসুলপুর, জামালপুর, ফরিদপুরসহ সবগুলো ইউনিয়নে কৃষকদের নিয়ে খণ্ড-খণ্ডভাবে ক্যাম্পেইন করা হয়। এসময় রোপা আমন খেতের আগাম রোগ ও পোকা দমনে পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্রাচার্য্যর নির্দেশে বালাই দমন পরামর্শে মাঠে রয়েছেন- কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এনামুল কবির তুহিন, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রব সরকার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান, রুহুল আমিন, শেখ সাদিসহ অনেকে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার অধিকাংশ মানুষ ধান ফসলের ওপর নির্ভশীল। এ থেকে পরিবারের চাহিদা পূরণের চেষ্টা করেন তারা। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি রোপা আমন মৌসুমে অধিক পরিমাণ জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। এসব খেতে পরিচর্যা ও সার প্রয়োগ করা হয়েছে।   ইতোমধ্যে দেখা দিয়েছে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা। শেষ পর্যন্ত ভালো ফলন ঘরে তোলার প্রত্যয়ে নিরলসভাবে মাঠে কাজ করছেন কৃষি বিভাগের কর্মকতারা।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল করিম মণ্ডল বলেন, এ মৌসুমে এক একর জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছি। খেতে যেন রোগ-বালাই কিংবা পোকামাকড় আক্রমণ করতে না পারে সেব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তাগণ পরামর্শ দিচ্ছেন। এতে করে ভালো ফলন পাওয়ার আশা করছি।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রব সরকার বলেন, রোপা আমন খেতে কারেন্ট পোকা দমনসহ বিভিন্ন বালাই দমনে আমরা মাঠে গিয়ে কৃষকদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করছি। একইসঙ্গে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে তাদের সার্বিক পরার্মশ প্রদান করা হচ্ছে।

 

রোপা আমন খেতে বালাই দমন পরামর্শে কৃষি কর্মকর্তারা

প্রকাশের সময়: ০৩:১০:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় প্রায় ১৬ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ হয়েছে। আগাম প্রস্তুতি হিসেবে এসব খেতে কারেন্ট পোকাসহ বিভিন্ন বালাই দমনের জন্য মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন কৃষি কর্মকর্তারা। কৃষকদের ভালো ফলন পেতে ছুটির দিনেও বসে নেই তারা।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) উপজেলার রসুলপুর, জামালপুর, ফরিদপুরসহ সবগুলো ইউনিয়নে কৃষকদের নিয়ে খণ্ড-খণ্ডভাবে ক্যাম্পেইন করা হয়। এসময় রোপা আমন খেতের আগাম রোগ ও পোকা দমনে পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্রাচার্য্যর নির্দেশে বালাই দমন পরামর্শে মাঠে রয়েছেন- কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এনামুল কবির তুহিন, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রব সরকার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান, রুহুল আমিন, শেখ সাদিসহ অনেকে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার অধিকাংশ মানুষ ধান ফসলের ওপর নির্ভশীল। এ থেকে পরিবারের চাহিদা পূরণের চেষ্টা করেন তারা। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি রোপা আমন মৌসুমে অধিক পরিমাণ জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। এসব খেতে পরিচর্যা ও সার প্রয়োগ করা হয়েছে।   ইতোমধ্যে দেখা দিয়েছে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা। শেষ পর্যন্ত ভালো ফলন ঘরে তোলার প্রত্যয়ে নিরলসভাবে মাঠে কাজ করছেন কৃষি বিভাগের কর্মকতারা।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল করিম মণ্ডল বলেন, এ মৌসুমে এক একর জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছি। খেতে যেন রোগ-বালাই কিংবা পোকামাকড় আক্রমণ করতে না পারে সেব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তাগণ পরামর্শ দিচ্ছেন। এতে করে ভালো ফলন পাওয়ার আশা করছি।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রব সরকার বলেন, রোপা আমন খেতে কারেন্ট পোকা দমনসহ বিভিন্ন বালাই দমনে আমরা মাঠে গিয়ে কৃষকদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করছি। একইসঙ্গে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে তাদের সার্বিক পরার্মশ প্রদান করা হচ্ছে।