সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুর থেকে দেবর-ভাবী নিরুদ্দেশ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার লিখন বর্মন (২৫) নামের এক যুবক তার ভাবী মিতা রানী দাসকে পিতার বাসায় পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে বের হয়। এরপর পর থেকে তারা নিখোঁজ রয়েছে বলে স্বজনদের অভিযোগ।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ছান্দিপুর গ্রামে গিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের বেকাইটারী গ্রামের মনোরঞ্জন বর্মনের ছেলে মৃত উৎসব বর্মনের স্ত্রী মিতা রানী দাস (২২) তার পিতা অতিকান্ত দাসের বাসা ঢাকায় যাওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেন। এরপর উৎসব বর্মনের খালাতো ভাই ও ছান্দিয়াপুর গ্রামের লিখন বর্মন গত ১৬ ডিসেম্বর সকালের দিকে সাদুল্লাপুরের নলডাঙ্গা থেকে বাসে উঠে মিতা রানী দাসকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এরপর রাত ১১ টা পর্যন্ত তাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন মনোরঞ্জন বর্মন। তারপর থেকে লিখন ও মিতারানীর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তখন থেকে এ পর্যন্ত তারা নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে মিতা রানী দাসের শ্বশুর মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, আমার ছেলে উৎসব বর্মনের সঙ্গে মিতা রানীর বিয়ের প্রায় ১৩ মাস পর ছেলেটি মারা যায়। তখন থেকে মিতা রানী আমার বাড়িতে অবস্থান করতেন। এরই মধ্যে তার বাবার ঢাকার বাসায় যাওয়ার জন্য লিখন বর্মনের সঙ্গে রওনা দেয়। গত ১৬ ডিসেম্বর তারা দুজন বাসযোগে যাওয়ার পথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কথা হয়। হঠাৎ রাত ১১ পর থেকে লিখন ও মিতা রানীর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তাদের সম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও কোন সন্ধান মেলেনি। এ নিয়ে থানায় জিডি করার প্রস্তুতি নিয়েছি।

সাদুল্লাপুর থেকে দেবর-ভাবী নিরুদ্দেশ

প্রকাশের সময়: ০৮:১৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার লিখন বর্মন (২৫) নামের এক যুবক তার ভাবী মিতা রানী দাসকে পিতার বাসায় পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে বের হয়। এরপর পর থেকে তারা নিখোঁজ রয়েছে বলে স্বজনদের অভিযোগ।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ছান্দিপুর গ্রামে গিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের বেকাইটারী গ্রামের মনোরঞ্জন বর্মনের ছেলে মৃত উৎসব বর্মনের স্ত্রী মিতা রানী দাস (২২) তার পিতা অতিকান্ত দাসের বাসা ঢাকায় যাওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেন। এরপর উৎসব বর্মনের খালাতো ভাই ও ছান্দিয়াপুর গ্রামের লিখন বর্মন গত ১৬ ডিসেম্বর সকালের দিকে সাদুল্লাপুরের নলডাঙ্গা থেকে বাসে উঠে মিতা রানী দাসকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এরপর রাত ১১ টা পর্যন্ত তাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন মনোরঞ্জন বর্মন। তারপর থেকে লিখন ও মিতারানীর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তখন থেকে এ পর্যন্ত তারা নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে মিতা রানী দাসের শ্বশুর মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, আমার ছেলে উৎসব বর্মনের সঙ্গে মিতা রানীর বিয়ের প্রায় ১৩ মাস পর ছেলেটি মারা যায়। তখন থেকে মিতা রানী আমার বাড়িতে অবস্থান করতেন। এরই মধ্যে তার বাবার ঢাকার বাসায় যাওয়ার জন্য লিখন বর্মনের সঙ্গে রওনা দেয়। গত ১৬ ডিসেম্বর তারা দুজন বাসযোগে যাওয়ার পথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কথা হয়। হঠাৎ রাত ১১ পর থেকে লিখন ও মিতা রানীর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তাদের সম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও কোন সন্ধান মেলেনি। এ নিয়ে থানায় জিডি করার প্রস্তুতি নিয়েছি।