শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যেমন চলছে গাইবান্ধার লকডাউন

তোফায়েল হোসেন জাকির : করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশের ন্যায় বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬ টা থেকে গাইবান্ধা জেলায় এক সপ্তাহের লকডাউন শুরু হয়েছে। এ লকাডাউনের প্রথম দিনে মানুষদের সরকারি বিধি-নিষেধ মানাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার সকালে দেখা গেছে, গাইবান্ধার শহরসহ প্রত্যেক উপজেলার শহর ও মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের চেকপোষ্ট বসানো হয়েছে। পণ্য বাহী ট্রাক ছাড়া তারা কোন যানবাহন চলাচল করতে দিচ্ছে না। প্রতিটি ভ্যান-রিকশা এবং পথচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় ও স্বাস্থ্য সেবা ছাড়া কাউকে চলাফেরা করতে দিচ্ছে না তারা। একই সঙ্গে মানুষদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করাসহ আরোপিত বিধি-নিষেধ ভঙ্গকারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের টহল অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে হালকা যানবাহনগুলোতে গাদাগাদিভাবে যাত্রী চলাচল করছিল।কাঁচাবাজারে উপচে পড়া ভির। শপিংমল, মার্কেটসহ অন্যান্য দোকানপাট কৌশলে খোলা রাখছিলেন ব্যবসায়ীরা। এমন কি  পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত লরি-কাভার্ড ভ্যান ও কার্গো গুলোতে অভিনব কৌশলে যাত্রীরা ছুটছিলেন গন্তব্যস্থলে। কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করার নিয়ম থাকলেও সেটি মানেনি অনেকে।

সাদুল্লাপুরে টহলরত পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাফিজুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, সরকার ঘোষিত ৭ দিনের লকডাউনের আজ প্রথম দিন। সকাল থেকেই আমরা এখানে অবস্থান নিয়েছি। প্রতিটি যানবাহন চেক করছি। বিশেষ করে মাস্ক পরিধান অবশ্যই করতে হবে, বিনা প্রয়োজনে কেউ যেন বাড়ির বাহিরে না যেতে পারে সেদিকে লক্ষ করছি।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম মেহেদী হাসান জানান, এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনে আমরা সকাল থেকেই সরকারের বিভিন্ন বিধিনিষেধ অনুযায়ী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পুলিশি চেকপোস্ট বসিয়েছি। পণ্য বাহী ট্রাক ছাড়া কোন যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না এবং মাস্ক ব্যবহার করতে বাধ্য করা হচ্ছে।

সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নবীনেওয়াজ জাগো২৪.নেট-কে  বলেন, কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। যাতে করে কোন মানুষজন বিধি-নিষেধ ভঙ্গ না করতে পারে সে বিষয়ে সর্বাত্নকভাবে মোকাবিলা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন জাগো২৪.নেট-কে জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এক সপ্তাহের লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠপ্রশাসন সহ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরা কঠোর ভূমিকায় রয়েছে।

যেমন চলছে গাইবান্ধার লকডাউন

প্রকাশের সময়: ০৭:২০:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই ২০২১

তোফায়েল হোসেন জাকির : করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশের ন্যায় বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬ টা থেকে গাইবান্ধা জেলায় এক সপ্তাহের লকডাউন শুরু হয়েছে। এ লকাডাউনের প্রথম দিনে মানুষদের সরকারি বিধি-নিষেধ মানাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার সকালে দেখা গেছে, গাইবান্ধার শহরসহ প্রত্যেক উপজেলার শহর ও মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের চেকপোষ্ট বসানো হয়েছে। পণ্য বাহী ট্রাক ছাড়া তারা কোন যানবাহন চলাচল করতে দিচ্ছে না। প্রতিটি ভ্যান-রিকশা এবং পথচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় ও স্বাস্থ্য সেবা ছাড়া কাউকে চলাফেরা করতে দিচ্ছে না তারা। একই সঙ্গে মানুষদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করাসহ আরোপিত বিধি-নিষেধ ভঙ্গকারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের টহল অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে হালকা যানবাহনগুলোতে গাদাগাদিভাবে যাত্রী চলাচল করছিল।কাঁচাবাজারে উপচে পড়া ভির। শপিংমল, মার্কেটসহ অন্যান্য দোকানপাট কৌশলে খোলা রাখছিলেন ব্যবসায়ীরা। এমন কি  পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত লরি-কাভার্ড ভ্যান ও কার্গো গুলোতে অভিনব কৌশলে যাত্রীরা ছুটছিলেন গন্তব্যস্থলে। কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করার নিয়ম থাকলেও সেটি মানেনি অনেকে।

সাদুল্লাপুরে টহলরত পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাফিজুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, সরকার ঘোষিত ৭ দিনের লকডাউনের আজ প্রথম দিন। সকাল থেকেই আমরা এখানে অবস্থান নিয়েছি। প্রতিটি যানবাহন চেক করছি। বিশেষ করে মাস্ক পরিধান অবশ্যই করতে হবে, বিনা প্রয়োজনে কেউ যেন বাড়ির বাহিরে না যেতে পারে সেদিকে লক্ষ করছি।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম মেহেদী হাসান জানান, এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনে আমরা সকাল থেকেই সরকারের বিভিন্ন বিধিনিষেধ অনুযায়ী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পুলিশি চেকপোস্ট বসিয়েছি। পণ্য বাহী ট্রাক ছাড়া কোন যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না এবং মাস্ক ব্যবহার করতে বাধ্য করা হচ্ছে।

সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নবীনেওয়াজ জাগো২৪.নেট-কে  বলেন, কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। যাতে করে কোন মানুষজন বিধি-নিষেধ ভঙ্গ না করতে পারে সে বিষয়ে সর্বাত্নকভাবে মোকাবিলা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন জাগো২৪.নেট-কে জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এক সপ্তাহের লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠপ্রশাসন সহ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরা কঠোর ভূমিকায় রয়েছে।