সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে গণপরিবহনের দখলে সড়ক, উপচে পড়া মানুষের ভির

সারাদেশের ন্যায় গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় চলমান রয়েছে লকডাউন। এ লকডাউনের ১২তম দিন পর্যন্ত কঠোরতা ছিল। কিন্ত আজ ১৩ তম দিনে দেখা গেছে ঢিলেঢালা অবস্থায়। সাদুল্লাপুর শহরসহ বিভিন্ন রুট দখলে ছিল গণপরিবহনের। হাট-বাজারগুলোতে লোকজনের উপচে পড়া ভির লক্ষণীয়।

সরেজিমনে (১৩ জুলাই) দেখা যায়, গাইবান্ধা-সাদুল্লাপুর-মাদারগঞ্জ সড়কসহ বিভিন্ন সড়কে মাক্রোবাস, সিএনজি, অটোবাইক ও ভ্যানরিকশার অবাধে চলাচলের দৃশ্য। হাট-বাজারগুলোতেই উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

জানা যায়, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বিধিনিষেধ জারি করা হয়। এর ফলে ১ জুলাই থেকে শুরু হয় ১৪ দিনের লকডাউন। শুরু থেকে ১২ তম দিন পর্যন্ত লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে ছিলেন প্রশাসন। বিভিন্ন স্থানে আইন শৃঙ্খলা বাহীনির চেকপোষ্ট বসানোসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রিটদের টহল ছিল অনাগত। কিন্ত লকডাউনের ১৩ তম দিনে পাল্টে গেছে এর চিত্র। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে মানুষেরা ঘরে বাহিরে ছুটছিলেন অবাধে। ফলে ছোটখাটো গণপরিবহন গুলো অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে দাপটে চলছিল সড়কে। এসব যাত্রী কিংবা শহর-হাট-বাজারে আসা মানুষগুলো তেমন মানছিলেন না স্বাস্থ্যবিধি। দূরত্ব বজায় না রেখে মাস্কহীন মুখে চলাফেরায় ব্যস্ত ছিলেন তারা। একই সঙ্গে পশুর হাটও চলছিল। এসময় প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর তেমন কোন তৎপড়তা দেখা যায় নি। তবে মাঝে মধ্যে সাদুল্লাপুর চৌমাথা মোড়ে পুলিশী টহল দেখা গেছে।

এদিকে, করোনা সংক্রমনে জেলার তৃতীয় স্থানে রয়েছে সাদুল্লাপুর উপজেলা। এখানে দিন দিনে বেড়েই চলছে সংক্রমণ রোগির সংখ্যা। এমন কি একই গ্রামে একাধিক পরিবার ও একই পরিবারে একাধিক ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে। এরই মধ্যে হঠাৎ করে মানুষেরা বিভিন্ন দিকে ছুটছে অবাধে। ঢিলেঢালা লকডাউনের চিত্র দেখে সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কা করছে সচেতন নাগরিকরা।

নামপ্রকাশ না করা শর্তে এক সিএনজি চালক জানান, টানা লকডাউনের কবলে স্থবির হয়েছে জীবনযাপন। আজ সকালে সড়কগুলোতে লোকজনের চলাচল দেখে গাড়ি নিয়ে বেড় হয়েছি। যাত্রী রয়েছে আশানারুপ।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নবীনেওয়াজ জাগো২৪.নেট-কে  বলেন, কোথাও পশুর হাট বসলে সেটির ব্যবস্থা নেয়া হবে। সেই সঙ্গে মানুষদের বিধিনিষেধ মানাতে প্রশাসনসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছেন।

সাদুল্লাপুরে গণপরিবহনের দখলে সড়ক, উপচে পড়া মানুষের ভির

প্রকাশের সময়: ০৮:২৩:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১

সারাদেশের ন্যায় গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় চলমান রয়েছে লকডাউন। এ লকডাউনের ১২তম দিন পর্যন্ত কঠোরতা ছিল। কিন্ত আজ ১৩ তম দিনে দেখা গেছে ঢিলেঢালা অবস্থায়। সাদুল্লাপুর শহরসহ বিভিন্ন রুট দখলে ছিল গণপরিবহনের। হাট-বাজারগুলোতে লোকজনের উপচে পড়া ভির লক্ষণীয়।

সরেজিমনে (১৩ জুলাই) দেখা যায়, গাইবান্ধা-সাদুল্লাপুর-মাদারগঞ্জ সড়কসহ বিভিন্ন সড়কে মাক্রোবাস, সিএনজি, অটোবাইক ও ভ্যানরিকশার অবাধে চলাচলের দৃশ্য। হাট-বাজারগুলোতেই উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

জানা যায়, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বিধিনিষেধ জারি করা হয়। এর ফলে ১ জুলাই থেকে শুরু হয় ১৪ দিনের লকডাউন। শুরু থেকে ১২ তম দিন পর্যন্ত লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে ছিলেন প্রশাসন। বিভিন্ন স্থানে আইন শৃঙ্খলা বাহীনির চেকপোষ্ট বসানোসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রিটদের টহল ছিল অনাগত। কিন্ত লকডাউনের ১৩ তম দিনে পাল্টে গেছে এর চিত্র। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে মানুষেরা ঘরে বাহিরে ছুটছিলেন অবাধে। ফলে ছোটখাটো গণপরিবহন গুলো অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে দাপটে চলছিল সড়কে। এসব যাত্রী কিংবা শহর-হাট-বাজারে আসা মানুষগুলো তেমন মানছিলেন না স্বাস্থ্যবিধি। দূরত্ব বজায় না রেখে মাস্কহীন মুখে চলাফেরায় ব্যস্ত ছিলেন তারা। একই সঙ্গে পশুর হাটও চলছিল। এসময় প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর তেমন কোন তৎপড়তা দেখা যায় নি। তবে মাঝে মধ্যে সাদুল্লাপুর চৌমাথা মোড়ে পুলিশী টহল দেখা গেছে।

এদিকে, করোনা সংক্রমনে জেলার তৃতীয় স্থানে রয়েছে সাদুল্লাপুর উপজেলা। এখানে দিন দিনে বেড়েই চলছে সংক্রমণ রোগির সংখ্যা। এমন কি একই গ্রামে একাধিক পরিবার ও একই পরিবারে একাধিক ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে। এরই মধ্যে হঠাৎ করে মানুষেরা বিভিন্ন দিকে ছুটছে অবাধে। ঢিলেঢালা লকডাউনের চিত্র দেখে সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কা করছে সচেতন নাগরিকরা।

নামপ্রকাশ না করা শর্তে এক সিএনজি চালক জানান, টানা লকডাউনের কবলে স্থবির হয়েছে জীবনযাপন। আজ সকালে সড়কগুলোতে লোকজনের চলাচল দেখে গাড়ি নিয়ে বেড় হয়েছি। যাত্রী রয়েছে আশানারুপ।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নবীনেওয়াজ জাগো২৪.নেট-কে  বলেন, কোথাও পশুর হাট বসলে সেটির ব্যবস্থা নেয়া হবে। সেই সঙ্গে মানুষদের বিধিনিষেধ মানাতে প্রশাসনসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছেন।