শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধার ৫টি আসনে নারীসহ ৪০ প্রার্থী কে কি প্রতীক পেলেন

তোফায়েল হোসেন জাকির: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি আসন থেকে ৪০ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি-জামায়াতসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ৩২ জন ও দুই নারীসহ স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ৮ জন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

আসন ভিত্তিক প্রার্থী ও প্রতীক:

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসন থেকে ৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক প্রার্থী খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মাজেদুর রহমান, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কবাদী) কাঁচি প্রতীকে পরমানন্দ দাস, আমজনতার দলের প্রজাপতি প্রতীকে কাওছর আজম হান্নু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে রমজান আলী, ঢেঁকি প্রতীকে স্বতন্ত্র মোস্তাফা মহসিন ও কলস প্রতীকে ছালমা আক্তার।

গাইবান্ধা-২ (সদর) আসন থেকে লড়ছেন ৭ প্রার্থী। তারা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক প্রার্থী আনিসুজ্জামান খান বাবু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আব্দুল করিম, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে আব্দুর রশিদ সরকার, জনতার দলের কলম প্রতীকে শাহেদুর জাহান, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাম্তে প্রতীকে মিহির কুমার ঘোষ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কবাদী) কাঁচি প্রতীকে আহসানুল হাবীব সাঈদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ।

গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসন থেকে ১০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে মইনুর রাব্বী চৌধুরী, জনতার দলের  কলম প্রতীকে মনজুরুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে এটি এম আওলাদ হোসাইন, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) ট্রাক প্রতীকে সুরুজ মিয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের আপেল প্রতীকে মোছাদ্দিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকে আব্দুল্লাহ আদিল, স্বতন্ত্র ঘোড়া প্রতীকে এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি ও ঢেঁকি প্রতীকে আজিজার রহমান।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসন থেকে লড়ছেন ৬ প্রার্থী। তারা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ শামীম কায়সার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আব্দুর রহিম সরকার, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে কাজী মো. মশিউর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টির কোদাল প্রতীকে আতোয়ারুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র মোটরসাইকেল প্রতীকে আব্দুর রউফ আকন্দ।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসন থেকে ৯ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে ফারুক আলম সরকার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আব্দুল ওয়ারেছ, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে শামীম হায়দার পাটোয়ারী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে আজিজুল ইসলাম, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কবাদী) কাঁচি প্রতীকে রাহেলা খাতুন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকে শ্রী নিরমল, স্বতন্ত্র হাঁস প্রতীকে নাহিদুজ্জামান নিশাদ, মোটরসাইকেল প্রতীকে এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু ও ঘোড়া প্রতীকে মেহেদী হাসান বিদ্যুৎ।

জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ভোটকেন্দ্র, ভোটকক্ষ ও ভোটার সংখ্যার প্রস্তুত করা হয়েছে।  এ জেলার পাঁচটি আসনে মোট পুরুষ ভোটার ১০ লাখ ৮২ হাজার ৪১৬, নারী ১১ লাখ ৭ হাজার ৯৪৮ ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ৩৬ জন।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং অফিসার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান, তফসিল অনুযায়ী- নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

 

 

জনপ্রিয়

গাইবান্ধার ৫টি আসনে নারীসহ ৪০ প্রার্থী কে কি প্রতীক পেলেন

প্রকাশের সময়: ০৫:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

তোফায়েল হোসেন জাকির: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি আসন থেকে ৪০ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি-জামায়াতসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ৩২ জন ও দুই নারীসহ স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ৮ জন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

আসন ভিত্তিক প্রার্থী ও প্রতীক:

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসন থেকে ৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক প্রার্থী খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মাজেদুর রহমান, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কবাদী) কাঁচি প্রতীকে পরমানন্দ দাস, আমজনতার দলের প্রজাপতি প্রতীকে কাওছর আজম হান্নু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে রমজান আলী, ঢেঁকি প্রতীকে স্বতন্ত্র মোস্তাফা মহসিন ও কলস প্রতীকে ছালমা আক্তার।

গাইবান্ধা-২ (সদর) আসন থেকে লড়ছেন ৭ প্রার্থী। তারা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক প্রার্থী আনিসুজ্জামান খান বাবু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আব্দুল করিম, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে আব্দুর রশিদ সরকার, জনতার দলের কলম প্রতীকে শাহেদুর জাহান, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাম্তে প্রতীকে মিহির কুমার ঘোষ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কবাদী) কাঁচি প্রতীকে আহসানুল হাবীব সাঈদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ।

গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসন থেকে ১০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে মইনুর রাব্বী চৌধুরী, জনতার দলের  কলম প্রতীকে মনজুরুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে এটি এম আওলাদ হোসাইন, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) ট্রাক প্রতীকে সুরুজ মিয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের আপেল প্রতীকে মোছাদ্দিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকে আব্দুল্লাহ আদিল, স্বতন্ত্র ঘোড়া প্রতীকে এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি ও ঢেঁকি প্রতীকে আজিজার রহমান।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসন থেকে লড়ছেন ৬ প্রার্থী। তারা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ শামীম কায়সার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আব্দুর রহিম সরকার, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে কাজী মো. মশিউর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টির কোদাল প্রতীকে আতোয়ারুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র মোটরসাইকেল প্রতীকে আব্দুর রউফ আকন্দ।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসন থেকে ৯ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে ফারুক আলম সরকার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আব্দুল ওয়ারেছ, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে শামীম হায়দার পাটোয়ারী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে আজিজুল ইসলাম, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কবাদী) কাঁচি প্রতীকে রাহেলা খাতুন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকে শ্রী নিরমল, স্বতন্ত্র হাঁস প্রতীকে নাহিদুজ্জামান নিশাদ, মোটরসাইকেল প্রতীকে এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু ও ঘোড়া প্রতীকে মেহেদী হাসান বিদ্যুৎ।

জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ভোটকেন্দ্র, ভোটকক্ষ ও ভোটার সংখ্যার প্রস্তুত করা হয়েছে।  এ জেলার পাঁচটি আসনে মোট পুরুষ ভোটার ১০ লাখ ৮২ হাজার ৪১৬, নারী ১১ লাখ ৭ হাজার ৯৪৮ ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ৩৬ জন।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং অফিসার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান, তফসিল অনুযায়ী- নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।