মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে কৃষককে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ২

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একাব্বর আলী নামের এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনার মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

সোমবার (৯ মার্চ) র‌্যাব-১৩ ক্যাম্পের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অধিনায়কের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিকে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন- সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মধ্য বেলকা ঝাঁকুয়াপাড়া গ্রামের মৃত আজি জুয়াড়ুর ছেলে নুরু মিয়া (৩৮) ও একই গ্রামের আব্দুর রহিম হাজীর ছেলে মোজাম্মেল হক (৪৮)।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- ওই আসামিদের সঙ্গে একাব্বর আলীর জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে গ্রেফতারকৃত আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে একাব্বর আলীর জমিতে অনধিকারভাবে প্রবেশ করে জোরপূর্বক পানি নিয়ে হালচাষ করতে থাকে। এসময় বাধা দিতে গেলে একাব্বর আলীর বাড়িতে গিয়ে আসামিরা লাঠি দিয়ে কুপিয়ে তাকের রক্তাক্ত যখম করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে রাত সোয়া ৯ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একাব্বর আলী মারা যায়। এ ঘটনার পরদিন নিহতের ছেলে নুর আলম মিয়া বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তখন থেকে আসামিরা আত্নগোপনে চলে যান।

এদিকে আসামিদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রাখার একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১৩, রংপুর ও র‌্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জের সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। এরই মধ্যে রোববার (৮ মার্চ) বিকেলের দিকে নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন চানমারি নতুন রাস্তা এলাকা থেকে পলাতক আসামি নুরু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ঢাকার কদমতলী থানাধীন তুষারধারা সাদ্দাম মার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পলাতক আসামি মোজাম্মেল হককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য গ্রেফতার আসামিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও এই ধরণের প্রতিটি হত্যা, ধর্ষণসহ সকল অপরাধ প্রতিরোধে র‌্যাবের প্রতিটি সদস্য দৃঢ়প্রত্যয়ের সাথে কাজ করছে এবং চলমান এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সুন্দরগঞ্জে কৃষককে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ২

প্রকাশের সময়: ০৪:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একাব্বর আলী নামের এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনার মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

সোমবার (৯ মার্চ) র‌্যাব-১৩ ক্যাম্পের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অধিনায়কের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিকে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন- সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মধ্য বেলকা ঝাঁকুয়াপাড়া গ্রামের মৃত আজি জুয়াড়ুর ছেলে নুরু মিয়া (৩৮) ও একই গ্রামের আব্দুর রহিম হাজীর ছেলে মোজাম্মেল হক (৪৮)।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- ওই আসামিদের সঙ্গে একাব্বর আলীর জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে গ্রেফতারকৃত আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে একাব্বর আলীর জমিতে অনধিকারভাবে প্রবেশ করে জোরপূর্বক পানি নিয়ে হালচাষ করতে থাকে। এসময় বাধা দিতে গেলে একাব্বর আলীর বাড়িতে গিয়ে আসামিরা লাঠি দিয়ে কুপিয়ে তাকের রক্তাক্ত যখম করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে রাত সোয়া ৯ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একাব্বর আলী মারা যায়। এ ঘটনার পরদিন নিহতের ছেলে নুর আলম মিয়া বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তখন থেকে আসামিরা আত্নগোপনে চলে যান।

এদিকে আসামিদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রাখার একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১৩, রংপুর ও র‌্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জের সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। এরই মধ্যে রোববার (৮ মার্চ) বিকেলের দিকে নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন চানমারি নতুন রাস্তা এলাকা থেকে পলাতক আসামি নুরু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ঢাকার কদমতলী থানাধীন তুষারধারা সাদ্দাম মার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পলাতক আসামি মোজাম্মেল হককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য গ্রেফতার আসামিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও এই ধরণের প্রতিটি হত্যা, ধর্ষণসহ সকল অপরাধ প্রতিরোধে র‌্যাবের প্রতিটি সদস্য দৃঢ়প্রত্যয়ের সাথে কাজ করছে এবং চলমান এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।