রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিলিতে দূর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মালাকাররা

দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী হিলিতে শারদীয় দূর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মালাকাররা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এটা একটি বড় ধর্মীয় উৎসব। উপজেলায় ২১ টি মন্ডপে পূজার প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। তবে জেলার ১৩ টি উপজেলায় এবার ১২৮৬ টি মন্ডপে ১১ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মাধ্য  দিয়ে শুরু হবে দূর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা।
হিলির ২১ টি পূজা মন্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব মন্দিরে প্রতিমাগুলোকে কাঁদা লাগানোর কাজ শেষ করেছে প্রতিমা তৈরির মালাকাররা। তাদের নিপুন হাতে আপন মনে তৈরি করেছে প্রতিটি প্রতিমা। দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে রংয়ের কাজ শুরু করবেন তারা। রং আর নানান পোশাকে সাজিয়ে, যেন প্রাণ ফিরে পাবে প্রতিমাগুলো। আবার মন্ডপে প্রতিমা বানানোর পাশাপাশি ডেকোরেটরেরর কাজ করছেন আলাদা শিল্পীরা। এক একজন প্রতিমা তৈরির কারিগররা কয়েকটি মন্দিরের কাজ হাতে নিয়েছে। গেলো বার করোনার কারণে প্রতিমা তৈরির অর্ডারও ছিলো কম। বর্তমান তাদের হাতে অনেক কাজ, তাই তাদের ব্যস্ততাও বেশি।
একজন কারিগর কনক চন্দ্র মহন্ত বলেন, গতবারের মতো এবার প্রতিমা তৈরির কোন বিধিনিষেধ নেই। আমরা মনের আনন্দে কাজ করে যাচ্ছ। এবার আমি ৭ টি মন্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ হাতে নিয়েছি। প্রতিটি মন্ডপে কাজের জন্য ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা নিচ্ছি। প্রতিটি মন্ডপে প্রায় কাঁদার কজা শেষ।
ডেকোরেটর  মিস্ত্রী প্রদীপ সুত্রধর বলেন, মালাকাররা প্রতিমার কাঁদা লাগানোর কাজ শেষ। আমরা ডেকোরেটরের কাজ শুরু করছি। এবার আমরা ৮টি মন্দিরে ডেকোরেটরের কাজ হাতে নিয়েছি।
হিলি পূজা উদযাপন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুপদ চন্দ্র রায় বলেন, হাকিমপুর উপজেলায় এবার ২১ টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন হতে যাচ্ছে। আনন্দ মুখর পরিবেশে আমরা পূজা উৎসব পালন করবো।
হাকিমপুর থানা অফিসার ইনচার্জ খায়রুল বাসার শামীম বলেন, উজেলার প্রতিটি পূজা মন্ডপে পুলিশ পোশাক এবং সাদা পোশাকে নজরদারি করছেন। প্রতিমা তৈরি থেকে পূজা উৎযাপনের শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত থাকবে। তবে যে সব মন্ডপ ঝুঁকিপূর্ণ সে সব মন্ডপে ৮ জন গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নুর-এ আলম বলেন, আগামী রবিবার উপজেলার সকল পূজা মন্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে আলোচনা করা হবে এবং সরকারি বরাদ্দ তাদের দেওয়া হবে।
এবিষয়ে হাকিমপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন উর রশিদ হারুন জাগো২৪.নেট-কে বলেন, সরকারের নির্দেশ মোতাবেক এবারও উপজেলার সকল পূজা মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।  সব ধর্মের লোকজন অংশগ্রহণ করে থাকে। কোন ভেদাভেদ নেই, উৎসব মুখর পরিবেশে উৎসবটি উৎযাপন হবে। নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
জনপ্রিয়

হিলিতে দূর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মালাকাররা

প্রকাশের সময়: ০৪:০৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১
দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী হিলিতে শারদীয় দূর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মালাকাররা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এটা একটি বড় ধর্মীয় উৎসব। উপজেলায় ২১ টি মন্ডপে পূজার প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। তবে জেলার ১৩ টি উপজেলায় এবার ১২৮৬ টি মন্ডপে ১১ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মাধ্য  দিয়ে শুরু হবে দূর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা।
হিলির ২১ টি পূজা মন্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব মন্দিরে প্রতিমাগুলোকে কাঁদা লাগানোর কাজ শেষ করেছে প্রতিমা তৈরির মালাকাররা। তাদের নিপুন হাতে আপন মনে তৈরি করেছে প্রতিটি প্রতিমা। দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে রংয়ের কাজ শুরু করবেন তারা। রং আর নানান পোশাকে সাজিয়ে, যেন প্রাণ ফিরে পাবে প্রতিমাগুলো। আবার মন্ডপে প্রতিমা বানানোর পাশাপাশি ডেকোরেটরেরর কাজ করছেন আলাদা শিল্পীরা। এক একজন প্রতিমা তৈরির কারিগররা কয়েকটি মন্দিরের কাজ হাতে নিয়েছে। গেলো বার করোনার কারণে প্রতিমা তৈরির অর্ডারও ছিলো কম। বর্তমান তাদের হাতে অনেক কাজ, তাই তাদের ব্যস্ততাও বেশি।
একজন কারিগর কনক চন্দ্র মহন্ত বলেন, গতবারের মতো এবার প্রতিমা তৈরির কোন বিধিনিষেধ নেই। আমরা মনের আনন্দে কাজ করে যাচ্ছ। এবার আমি ৭ টি মন্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ হাতে নিয়েছি। প্রতিটি মন্ডপে কাজের জন্য ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা নিচ্ছি। প্রতিটি মন্ডপে প্রায় কাঁদার কজা শেষ।
ডেকোরেটর  মিস্ত্রী প্রদীপ সুত্রধর বলেন, মালাকাররা প্রতিমার কাঁদা লাগানোর কাজ শেষ। আমরা ডেকোরেটরের কাজ শুরু করছি। এবার আমরা ৮টি মন্দিরে ডেকোরেটরের কাজ হাতে নিয়েছি।
হিলি পূজা উদযাপন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুপদ চন্দ্র রায় বলেন, হাকিমপুর উপজেলায় এবার ২১ টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন হতে যাচ্ছে। আনন্দ মুখর পরিবেশে আমরা পূজা উৎসব পালন করবো।
হাকিমপুর থানা অফিসার ইনচার্জ খায়রুল বাসার শামীম বলেন, উজেলার প্রতিটি পূজা মন্ডপে পুলিশ পোশাক এবং সাদা পোশাকে নজরদারি করছেন। প্রতিমা তৈরি থেকে পূজা উৎযাপনের শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত থাকবে। তবে যে সব মন্ডপ ঝুঁকিপূর্ণ সে সব মন্ডপে ৮ জন গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নুর-এ আলম বলেন, আগামী রবিবার উপজেলার সকল পূজা মন্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে আলোচনা করা হবে এবং সরকারি বরাদ্দ তাদের দেওয়া হবে।
এবিষয়ে হাকিমপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন উর রশিদ হারুন জাগো২৪.নেট-কে বলেন, সরকারের নির্দেশ মোতাবেক এবারও উপজেলার সকল পূজা মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।  সব ধর্মের লোকজন অংশগ্রহণ করে থাকে। কোন ভেদাভেদ নেই, উৎসব মুখর পরিবেশে উৎসবটি উৎযাপন হবে। নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।