চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের নৌকা প্রতীক প্রার্থী আনিছুর রহমান বিজয়ী হন। এ ঘোষণার পর প্রতিপক্ষের অর্ধশত লোক হামলা চালিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ২ জনকে আটক করেছে র্যাব।
মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে র্যাব-১৩, সিপিসি-৩ (গাইবান্ধা) ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট (মিডিয়া) মাহমুদ বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- শালমারা গ্রামের ছাদেক আলীর ছেলে হারুন মিয়া (৩৫) ও সায়েদুজ্জামানের ছেলে শাহ আলম (৫০)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার (২৬ ডিসেম্বর) উপজেলার শালমারা ইউপি নির্বাচনে নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আনিছুর রহমান বিজয়ী ঘোষনার পর রাত সাড়ে ৭ টার দিকে আনিছুর রহমান উপজেলা নির্বাচন অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এসময় শাখাহাতি বালুয়া বাজারে রিকসা-ভ্যান ষ্ট্যান্ডে পাঁকা রাস্তার দক্ষিণ পাশে পৌঁছামাত্র আইয়ুব আলীর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ৪০-৫০ জন অবৈধ জনতা দলবদ্ধ হয়ে ধারালো অস্ত্র ও লোহার রড হাতে নিয়ে বিজয়ী চেয়ারম্যান আনিছুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যে চারপাশ দিয়ে ঘেরাও করে। এরপর এলোপাথারীভাবে মারপিট করে গুরুতর আহত করে।
এমতাবস্থায় আনিছুরের আত্ন চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এমতাবস্থায় আহত আনিছুর রহমানকে উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে এবং পরে শারিরিক অবস্থা অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এ ঘটনায় আনিছুর রহমানের স্ত্রী কাকুলী বেগম বাদী হয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে।
এই মামলার আসামিদের গ্রেফতার করতে মঙ্গলবার র্যাব-১৩, সিপিসি-৩ (গাইবান্ধা) ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শালমারা গ্রাম থেকে ওই দুইজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, গ্রেফতারকৃতরা হামলার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তাদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 


















