বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে রাত পোহালেই ভোটের লড়াই, কেন্দ্রে যাচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জম

রাত পোহালেই দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনের ভোটের লড়াই শুরু হবে। নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীদের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনার পাশাপাশি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে আশাবাদী প্রার্থীরা। প্রতিনিধি নির্বাচনের অপেক্ষায় উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৮ শত ৯২ জন ( পুরুষ-১ লাখ ১৯ হাজার ১৫৯ জন ও মহিলা-১ লাখ ১৭ হাজার ৭৩২ জন) ভোটার। প্রস্তুত নির্বাচন কমিশনও। ইতিমধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থীরাও তাদের আনুষ্ঠানিক প্রচারণার ইতি টেনেছেন। এখন শুধু জনরায়ের অপেক্ষা। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টহল শুরু করেছে। এছাড়াও বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও মাঠে রয়েছেন। নির্বাচনী এলাকায় সবধরণের যান চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে এলাকায় সবধরণের প্রচার-প্রচারণা।

উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটার সরঞ্জাম পাঠানো শুরু করা হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে । উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে জানা গেছে, ১০৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৮০৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং ও ১হাজার ৬০৮ জন পোলিং অফিসার এ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত (নারী) ও সাধারণ সদস্য পদে ৫৭৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলহাজ্ব মো. আব্দুল মালেক জানান, আমরা ইতিমধ্যে ভোগ্রহণ সংক্রান্ত সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। প্রিজাইডিং অফিসারদের নিকট স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যালট পেপার, অমোচনীয় কালী, স্যানিটাইজারসহ ও বিভিন্ন মালামাল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসাররা মালামাল নিয়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে অবস্থান করবেন। এছাড়াও নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে।

থানার অফিসার ইনচার্জ সুব্রত কুমার সরকার জানান, উপজেলার ৫৮টি কেন্দ্র অতীব ঝুঁকিপুর্ণ ও ৫১টি কেন্দ্রকে সাধারণভাবে নেয়া হয়েছে। ঝুঁকিপুর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত ফোর্স দেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আয়েশা সিদ্দীকা জাগো২৪.নেট-কে বলেন, উপজেলার ১২টি ইউপিতে নির্বাচন শতভাগ নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে ৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৭২৯ জন পুলিশ ও ১ হাজার ৮৫৩ জন আনসার নিয়োজিত থাকবে।

এদিকে প্রার্থী এবং সচেতনমহল দাবি করেন, প্রশাসন ও প্রার্থীদের যৌথ প্রয়াসে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এ লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

চিরিরবন্দরে রাত পোহালেই ভোটের লড়াই, কেন্দ্রে যাচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জম

প্রকাশের সময়: ০৬:৩৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী ২০২২

রাত পোহালেই দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনের ভোটের লড়াই শুরু হবে। নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীদের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনার পাশাপাশি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে আশাবাদী প্রার্থীরা। প্রতিনিধি নির্বাচনের অপেক্ষায় উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৮ শত ৯২ জন ( পুরুষ-১ লাখ ১৯ হাজার ১৫৯ জন ও মহিলা-১ লাখ ১৭ হাজার ৭৩২ জন) ভোটার। প্রস্তুত নির্বাচন কমিশনও। ইতিমধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থীরাও তাদের আনুষ্ঠানিক প্রচারণার ইতি টেনেছেন। এখন শুধু জনরায়ের অপেক্ষা। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টহল শুরু করেছে। এছাড়াও বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও মাঠে রয়েছেন। নির্বাচনী এলাকায় সবধরণের যান চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে এলাকায় সবধরণের প্রচার-প্রচারণা।

উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটার সরঞ্জাম পাঠানো শুরু করা হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে । উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে জানা গেছে, ১০৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৮০৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং ও ১হাজার ৬০৮ জন পোলিং অফিসার এ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত (নারী) ও সাধারণ সদস্য পদে ৫৭৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলহাজ্ব মো. আব্দুল মালেক জানান, আমরা ইতিমধ্যে ভোগ্রহণ সংক্রান্ত সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। প্রিজাইডিং অফিসারদের নিকট স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যালট পেপার, অমোচনীয় কালী, স্যানিটাইজারসহ ও বিভিন্ন মালামাল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসাররা মালামাল নিয়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে অবস্থান করবেন। এছাড়াও নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে।

থানার অফিসার ইনচার্জ সুব্রত কুমার সরকার জানান, উপজেলার ৫৮টি কেন্দ্র অতীব ঝুঁকিপুর্ণ ও ৫১টি কেন্দ্রকে সাধারণভাবে নেয়া হয়েছে। ঝুঁকিপুর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত ফোর্স দেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আয়েশা সিদ্দীকা জাগো২৪.নেট-কে বলেন, উপজেলার ১২টি ইউপিতে নির্বাচন শতভাগ নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে ৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৭২৯ জন পুলিশ ও ১ হাজার ৮৫৩ জন আনসার নিয়োজিত থাকবে।

এদিকে প্রার্থী এবং সচেতনমহল দাবি করেন, প্রশাসন ও প্রার্থীদের যৌথ প্রয়াসে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এ লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।