গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় পৃথক দুইটি ঘটনায় নববধুসহ দুই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে রেশমা বেগম (১৯) ও শিমুলি বেগম (৪০) নামের দুই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামের মৃত জামাত আলীর মেয়ে রেশমা বেগমের ৫০ দিন আগে পার্শ্ববর্তী ইদিলপুর ইউনিয়নের চকনদী গ্রামের জয়নুল মিয়ার ছেলে ছাব্বির হোসেনের সঙ্গে প্রেমের সর্ম্পকের সূত্র ধরে বিয়ে হয়। এরই মধ্যে সোমবার বিকেলে পুলিশ রেশমার মরদেহ স্বামী ছাব্বিরের বাড়ির উঠান থেকে উদ্ধার করে। রেশমার পরিবারের দাবি তাকে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। তবে রেশমার স্বামীর পরিবারের দাবি সে বিষ পানে আত্মহত্যা করেছে।
পুলিশ জানায়, রেশমার পরিবারের পক্ষ থেকে মৌখিক অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার স্বামী ছাব্বিরসহ বাড়ির লোকজন পলাতক ছিল। তবে রেশমার মরদেহ বাড়ির উঠান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
অপর দিকে, ইদিলপুর ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্রামের শাহিন পাইকারের স্ত্রী শিমুলি বেগম (৪০) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পারিবারিক কলহের জেরে ৯ জানুয়ারি রাতে শিমুলি বিষপান করলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ জানুয়ারি সকালে তার মৃত্যু হয়। শিমুলি ধাপেরহাট বড় ছত্রগাছা গ্রামের জাইদুল মন্ডলের মেয়ে।
ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সিরাজুল হক পৃথক দুইটি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জাগো২৪.নেট-কে জানান, রেশমা বেগমের মৃত্যুর ঘটনায় মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে, লিখিত অভিযোগ পেলে আইগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর শিমুলি বেগমের মৃত্যুর ঘটনায় রংপুর সদর থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে।
আমিনুল ইসলাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 


















