বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিশু ধর্ষণ মামলার আসামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে আলোচিত ৫ বছরের শিশু পুজা ধর্ষণ মামলার আসামী সাইফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত। দিনাজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক শরিফ উদ্দিন আহমেদ আজ সোমবার দুপুরে এই রায় প্রদান করেন।

রায়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ডাদেশ প্রদান করা কনে।

মামলার বিবরনীতে উল্লেখ করা হয়- পার্বতীপুর উপজেলার জমিরহাট গ্রামে ৫ বছরের শিশু পুজাকে একই গ্রামের মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম ২০১৬ সালের ১৮ অক্টোবর পৈশাচিকভাবে পাশবিক নির্যাতন করে। বেøড দিয়ে তার যৌনাঙ্গ বেøট দিয়ে চিরে দেয়। একপর্যায়ে মৃত ভেবে বাড়ির পাশে হলুদের ক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যায়।

পরদিন ১৯ অক্টোবর ভোরে সেখান থেকে পূজাকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঢামেক হাসপাতালে নেয়া হয়।

এই ঘটনায় পুজার বাবা সুবল চন্দ্র রায় বাদি হয়ে সাইফুল ইসলাম ও একই এলাকার আফজাল কবিরাজকে আসামী করে ২০ অক্টোবর পার্বতীপুর মডেল থানায় মামলা করেন। পুলিশ ২০১৭ সালের ফেব্রæয়ারীতে আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করে।

আদালত ২৩ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে আফজালকে খালাস দিয়ে সাইফুলের বিরুদ্ধে সাজার প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ঘটনার পর পূজা দীর্ঘ সময় ঠাকায় চিকিৎসার পর সুস্থ্য হলেও এখনোতাকে পুরোপুরি সুস্থ করা সম্ভব হয়নি। মুত্র ধরে রাখতে না পারায় এখনো স্কুলেও যেতে পারেনা পুজা

শিশু ধর্ষণ মামলার আসামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশের সময়: ১১:১৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জানুয়ারী ২০২২

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে আলোচিত ৫ বছরের শিশু পুজা ধর্ষণ মামলার আসামী সাইফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত। দিনাজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক শরিফ উদ্দিন আহমেদ আজ সোমবার দুপুরে এই রায় প্রদান করেন।

রায়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ডাদেশ প্রদান করা কনে।

মামলার বিবরনীতে উল্লেখ করা হয়- পার্বতীপুর উপজেলার জমিরহাট গ্রামে ৫ বছরের শিশু পুজাকে একই গ্রামের মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম ২০১৬ সালের ১৮ অক্টোবর পৈশাচিকভাবে পাশবিক নির্যাতন করে। বেøড দিয়ে তার যৌনাঙ্গ বেøট দিয়ে চিরে দেয়। একপর্যায়ে মৃত ভেবে বাড়ির পাশে হলুদের ক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যায়।

পরদিন ১৯ অক্টোবর ভোরে সেখান থেকে পূজাকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঢামেক হাসপাতালে নেয়া হয়।

এই ঘটনায় পুজার বাবা সুবল চন্দ্র রায় বাদি হয়ে সাইফুল ইসলাম ও একই এলাকার আফজাল কবিরাজকে আসামী করে ২০ অক্টোবর পার্বতীপুর মডেল থানায় মামলা করেন। পুলিশ ২০১৭ সালের ফেব্রæয়ারীতে আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করে।

আদালত ২৩ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে আফজালকে খালাস দিয়ে সাইফুলের বিরুদ্ধে সাজার প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ঘটনার পর পূজা দীর্ঘ সময় ঠাকায় চিকিৎসার পর সুস্থ্য হলেও এখনোতাকে পুরোপুরি সুস্থ করা সম্ভব হয়নি। মুত্র ধরে রাখতে না পারায় এখনো স্কুলেও যেতে পারেনা পুজা