বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় দুইপক্ষের সংঘর্ষে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলা, বাড়িঘর লুটপাট এবং ভাংচুরের ঘটনার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। বুধবার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের ঘুগা গাড়ামারা গ্রামের নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী মো. আব্দুল মান্নান সরকার।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী হাফিজার রহমানের লোকজনের সাথে একই গ্রামের আইনুল ইসলাম ও তার পক্ষের লোকজনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুইপক্ষের তীব্র সংঘর্ষে হাফিজার রহমানসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। স্থানীয় লোকজন আহতদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাফিজার রহমানের মৃত্যু হয়। এঘটনায় হাফিজার রহমানের পক্ষের লোকজন গ্রামের বিভিন্ন বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। আমরা বাড়িতে না থাকলেও আমাদের সকলকে আসামী করে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এছাড়াও বাড়ির মহিলাদের উপর হামলা করে মারধর এবং লুটপাট চালায়। এ বিষয়ে থানায় লিখিত মামলা দিলেও পুলিশ আমাদের মামলা গ্রহণ করেনি।

সংবাদ সম্মেলনে এই ঘটনার অন্যতম ভুক্তভোগী নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য শাহজাহান আলীর মেয়ে কামরুন্নাহার সাথী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, পুলিশ পক্ষপাতমূলক ভাবে আমার নিরপরাধ মাকে ৪৮ ঘণ্টা থানায় আটকে রাখে, যা কোন আইনের মধ্যেই পড়ে না। আমরা এই ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত পুলিশ প্রশাসনের। নিরপরাধ লোকজনকে এই মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানেরও দাবী জানান তিনি।

মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের সময়: ১২:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় দুইপক্ষের সংঘর্ষে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলা, বাড়িঘর লুটপাট এবং ভাংচুরের ঘটনার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। বুধবার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের ঘুগা গাড়ামারা গ্রামের নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী মো. আব্দুল মান্নান সরকার।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী হাফিজার রহমানের লোকজনের সাথে একই গ্রামের আইনুল ইসলাম ও তার পক্ষের লোকজনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুইপক্ষের তীব্র সংঘর্ষে হাফিজার রহমানসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। স্থানীয় লোকজন আহতদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাফিজার রহমানের মৃত্যু হয়। এঘটনায় হাফিজার রহমানের পক্ষের লোকজন গ্রামের বিভিন্ন বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। আমরা বাড়িতে না থাকলেও আমাদের সকলকে আসামী করে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এছাড়াও বাড়ির মহিলাদের উপর হামলা করে মারধর এবং লুটপাট চালায়। এ বিষয়ে থানায় লিখিত মামলা দিলেও পুলিশ আমাদের মামলা গ্রহণ করেনি।

সংবাদ সম্মেলনে এই ঘটনার অন্যতম ভুক্তভোগী নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য শাহজাহান আলীর মেয়ে কামরুন্নাহার সাথী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, পুলিশ পক্ষপাতমূলক ভাবে আমার নিরপরাধ মাকে ৪৮ ঘণ্টা থানায় আটকে রাখে, যা কোন আইনের মধ্যেই পড়ে না। আমরা এই ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত পুলিশ প্রশাসনের। নিরপরাধ লোকজনকে এই মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানেরও দাবী জানান তিনি।