বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে অপহণেরর ৬ মাস পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেফতার

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জাহানারা আক্তার জিনিয়া (১৪) নামের স্কুলছাত্রী অপহরণের ৬ মাস পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে অপহরণকারী সাবু মিয়া (২৫) কে গ্রেফতার করা হয়।

শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ ও ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সেরাজুল হক।

পুলিশ জানান, গত বছরের ১২ আগস্ট সন্ধায় সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের চকনদী গ্রামের জবেনুল মিয়ার মেয়ে ও  তিলকপাড়া তফেজান নেছা দাখিল মাদরাসার অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রী জাহানারা আক্তার জিনিয়াকে একই গ্রামের আনছার আলীর ছেলে সাবু মিয়া বাড়ির পাশের রাস্তা থেকে জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে জিনিয়ার পিতা জবেদুল মিয়া সাবুর পিতা মাতাসহ ৩ জনকে আসামি করে সাদুল্লাপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে।

এর পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সেরাজুল হক তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অপহরণকারীকে খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা গাজীপুর এলাকার মেট্রোগাছা থানাধীন কুনিয়া এলাকার একটি বেতের কারখানা থেকে আসামি সাবু মিয়াকে গ্রেফতার করে এবং তার দেয়া তথ্যমতে পাশের একটি বাসা থেকে অপহৃতা স্কুলছাত্রী জিনিয়াকে উদ্ধার করেন।

জিনিয়ার অবিভাবক জানান, বখাটে সাবু জিনিয়া মাদরাসায় যাতাযাতের পথে প্রায়ই তাকে রাস্তায় উত্যক্ত করে প্রেম প্রস্তাব দিত। জিনিয়া বিষয়টি তার অভিভাবকদের জানালে সাবু বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং এরই জের ধরে জিনিয়াকে জোরপূর্বক অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে যান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইনচার্জ সেরাজুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জাগো২৪.নেট-কে  জানান, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অপহরণের মুলহোতা সাবুকে গ্রেফতার পূর্বক ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং আসামীকে গাইবান্ধা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

 

সাদুল্লাপুরে অপহণেরর ৬ মাস পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেফতার

প্রকাশের সময়: ১২:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জাহানারা আক্তার জিনিয়া (১৪) নামের স্কুলছাত্রী অপহরণের ৬ মাস পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে অপহরণকারী সাবু মিয়া (২৫) কে গ্রেফতার করা হয়।

শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ ও ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সেরাজুল হক।

পুলিশ জানান, গত বছরের ১২ আগস্ট সন্ধায় সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের চকনদী গ্রামের জবেনুল মিয়ার মেয়ে ও  তিলকপাড়া তফেজান নেছা দাখিল মাদরাসার অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রী জাহানারা আক্তার জিনিয়াকে একই গ্রামের আনছার আলীর ছেলে সাবু মিয়া বাড়ির পাশের রাস্তা থেকে জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে জিনিয়ার পিতা জবেদুল মিয়া সাবুর পিতা মাতাসহ ৩ জনকে আসামি করে সাদুল্লাপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে।

এর পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সেরাজুল হক তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অপহরণকারীকে খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা গাজীপুর এলাকার মেট্রোগাছা থানাধীন কুনিয়া এলাকার একটি বেতের কারখানা থেকে আসামি সাবু মিয়াকে গ্রেফতার করে এবং তার দেয়া তথ্যমতে পাশের একটি বাসা থেকে অপহৃতা স্কুলছাত্রী জিনিয়াকে উদ্ধার করেন।

জিনিয়ার অবিভাবক জানান, বখাটে সাবু জিনিয়া মাদরাসায় যাতাযাতের পথে প্রায়ই তাকে রাস্তায় উত্যক্ত করে প্রেম প্রস্তাব দিত। জিনিয়া বিষয়টি তার অভিভাবকদের জানালে সাবু বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং এরই জের ধরে জিনিয়াকে জোরপূর্বক অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে যান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইনচার্জ সেরাজুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জাগো২৪.নেট-কে  জানান, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অপহরণের মুলহোতা সাবুকে গ্রেফতার পূর্বক ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং আসামীকে গাইবান্ধা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।