রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফাঁসির দড়ি বানায় যেই কল, হেইডা অইলো পাটকল

https://youtu.be/HoiJMdDh-OE
ঢাকাঃ আব্বায় তহন নামাজে দাঁড়ানো, তাকবির দিছে মাত্র।
পুলিশ আইসা কয়, জলিল কই? কই আছে শুয়ারের বাচ্চা?
আমার হাতে এক মুঠ কাঁচের গুলি, হাতে গুলেন্টি থাকলে মাইরা দিতাম।
তা’গো হাতে বন্দুক।
তকবির শ্যাষ কইরা, নিয়ত বাধছে আব্বায়।
নাওয়াইতুয়ান উছাল্লিয়া-লিল্লাহি তালা ছালাছা রাকাতাই সালাতিল মাগরিব ফারজুল্লাহি তালা মুতাজ্জিহান-ইলাজ্জিহাতিল কা-বাতিশ শরিফাতি আল্লাহু আকবার।
পিছন থেইক্যা খপ কইরা ধরলো দুইজন পুলিশ। আর দুইজন বন্দুক উচায়া কয়, শুয়োরের বাচ্চা, নেতাগিরি মারাও! একজন লাত্তি দিলো মাজায়। আব্বা রুকুর মতো কইরা অর্ধেক ভাইঙ্গা পরলো, আমি তাকায়া দেখলাম। আন্ধারে আব্বায় যেন, খোদার জমের সাথে খিচ দিয়া উঠলো, ছাড়েন, নামাজটা পরতে দেন।
নামাজ তোর পুটকি দিয়া দিমু, থানায় চল আগে। হিচকা টাকে কুরবানির খাসির কইলজ্যার মতো টান দিয়া বাইর কইরা নিয়া গেলো আব্বারে। আমি যেন টের পাইলাম না কিছু, যখন টের পাইলাম তখন আমার হাত থেইক্যা কাঁচের গুলি পইড়া ছরায়া গেছে… সন্ধ্যার আন্ধারে খুইজা পাইলাম না একটাও।
মায়, চিৎকার দিয়া পইরা আছে বারান্দায়। পাশের বাড়ির মতবর আইলো খানিক পর, আগেই কইছিলাম জইল্লা’রে, পাটকল গেলে তোর কি? কামলা আছিলি, পাটকল গেলে আমার ইটভাটা তো আছিলো! কি বড় নেতা আমার! কথা কানে গেলো না, এহন পইচা মর গা জেলে!
পাটকল, পাটকল, পাটকল, আমি কি আর এতো বুঝি! মারে জিগাইলাম, মা পাটকল কি?
মায় কয়, আমাগো ক্ষ্যাতের পাট দিয়া আমাগো জইন্য ফাঁসির দড়ি বানায় যেই কল, হেইডা অইলো পাটকল।
আগামীনিউজ/এমকে

ফাঁসির দড়ি বানায় যেই কল, হেইডা অইলো পাটকল

প্রকাশের সময়: ০৫:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০

https://youtu.be/HoiJMdDh-OE
ঢাকাঃ আব্বায় তহন নামাজে দাঁড়ানো, তাকবির দিছে মাত্র।
পুলিশ আইসা কয়, জলিল কই? কই আছে শুয়ারের বাচ্চা?
আমার হাতে এক মুঠ কাঁচের গুলি, হাতে গুলেন্টি থাকলে মাইরা দিতাম।
তা’গো হাতে বন্দুক।
তকবির শ্যাষ কইরা, নিয়ত বাধছে আব্বায়।
নাওয়াইতুয়ান উছাল্লিয়া-লিল্লাহি তালা ছালাছা রাকাতাই সালাতিল মাগরিব ফারজুল্লাহি তালা মুতাজ্জিহান-ইলাজ্জিহাতিল কা-বাতিশ শরিফাতি আল্লাহু আকবার।
পিছন থেইক্যা খপ কইরা ধরলো দুইজন পুলিশ। আর দুইজন বন্দুক উচায়া কয়, শুয়োরের বাচ্চা, নেতাগিরি মারাও! একজন লাত্তি দিলো মাজায়। আব্বা রুকুর মতো কইরা অর্ধেক ভাইঙ্গা পরলো, আমি তাকায়া দেখলাম। আন্ধারে আব্বায় যেন, খোদার জমের সাথে খিচ দিয়া উঠলো, ছাড়েন, নামাজটা পরতে দেন।
নামাজ তোর পুটকি দিয়া দিমু, থানায় চল আগে। হিচকা টাকে কুরবানির খাসির কইলজ্যার মতো টান দিয়া বাইর কইরা নিয়া গেলো আব্বারে। আমি যেন টের পাইলাম না কিছু, যখন টের পাইলাম তখন আমার হাত থেইক্যা কাঁচের গুলি পইড়া ছরায়া গেছে… সন্ধ্যার আন্ধারে খুইজা পাইলাম না একটাও।
মায়, চিৎকার দিয়া পইরা আছে বারান্দায়। পাশের বাড়ির মতবর আইলো খানিক পর, আগেই কইছিলাম জইল্লা’রে, পাটকল গেলে তোর কি? কামলা আছিলি, পাটকল গেলে আমার ইটভাটা তো আছিলো! কি বড় নেতা আমার! কথা কানে গেলো না, এহন পইচা মর গা জেলে!
পাটকল, পাটকল, পাটকল, আমি কি আর এতো বুঝি! মারে জিগাইলাম, মা পাটকল কি?
মায় কয়, আমাগো ক্ষ্যাতের পাট দিয়া আমাগো জইন্য ফাঁসির দড়ি বানায় যেই কল, হেইডা অইলো পাটকল।
আগামীনিউজ/এমকে