বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আলুর ক্ষেতের সঙ্গে শত্রুতা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কৃষক মমতাজ আলীর ক্ষেতের আলু গাছ রাতের আধারে উপড়ে ফেলে শত্রুতা পোষণ করা হয়েছে। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে তার।

সরেজমিনে রোববার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বোয়ালীদহ গ্রামস্থ মাঠে দেখা যায় আলুর গাছ উপড়ে ফেলানোর চিত্র।

জানা যায়, বোয়ালিদহ গ্রামের মৃত মাছিম উদ্দিনের ছেলে মমতাজ আলী তার ২০ শতক জমিতে গোল আলু রোপন করে। ইতোমেধ্য এ ক্ষেতে ফলনও আসতে শুরু করছিল। এরই মধ্যে শনিবার রাতে ওই ক্ষেতের আলুর গাছগুলো উপড়ে ফেলেছে কে, বা কারা। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ফসল ক্ষতি হয়েছে মমতাজ আলীর।

ক্ষতিগ্রস্ত মমতাজ আলী বলেন, আমার ছেলে মোকছেদুল ইসলামের সঙ্গে পাশ্ববর্তী ফরিদপুর ইউনিয়নের সাবেক জামালপুর গ্রামের আব্দুল বাছেদ খন্দকারের মেয়ে নিপা খন্দকারের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর মোকছেদুলের বিরুদ্দে মিথ্যা মামলা দায়ের করে নিপা খন্দকার। এরই জেরে নিপা খন্দকার ও তার লোকজন শত্রুতা করে আলুর গাছগুলো উপড়ে ফেলতে পারে তারা।

তিনি আরও বলেন, শুধু আলুর ক্ষেতই নষ্ট করা নয়। এর আগে আমার বাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ লুটপাট করে নিয়ে গেছে নিপার লোকজন।

এ ঘটনায় সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদ রানা  জগো২৪.নেট-কে বলেন, এ বিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ করেনি।

আলুর ক্ষেতের সঙ্গে শত্রুতা

প্রকাশের সময়: ১১:৩৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ জানুয়ারী ২০২১

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কৃষক মমতাজ আলীর ক্ষেতের আলু গাছ রাতের আধারে উপড়ে ফেলে শত্রুতা পোষণ করা হয়েছে। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে তার।

সরেজমিনে রোববার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বোয়ালীদহ গ্রামস্থ মাঠে দেখা যায় আলুর গাছ উপড়ে ফেলানোর চিত্র।

জানা যায়, বোয়ালিদহ গ্রামের মৃত মাছিম উদ্দিনের ছেলে মমতাজ আলী তার ২০ শতক জমিতে গোল আলু রোপন করে। ইতোমেধ্য এ ক্ষেতে ফলনও আসতে শুরু করছিল। এরই মধ্যে শনিবার রাতে ওই ক্ষেতের আলুর গাছগুলো উপড়ে ফেলেছে কে, বা কারা। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ফসল ক্ষতি হয়েছে মমতাজ আলীর।

ক্ষতিগ্রস্ত মমতাজ আলী বলেন, আমার ছেলে মোকছেদুল ইসলামের সঙ্গে পাশ্ববর্তী ফরিদপুর ইউনিয়নের সাবেক জামালপুর গ্রামের আব্দুল বাছেদ খন্দকারের মেয়ে নিপা খন্দকারের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর মোকছেদুলের বিরুদ্দে মিথ্যা মামলা দায়ের করে নিপা খন্দকার। এরই জেরে নিপা খন্দকার ও তার লোকজন শত্রুতা করে আলুর গাছগুলো উপড়ে ফেলতে পারে তারা।

তিনি আরও বলেন, শুধু আলুর ক্ষেতই নষ্ট করা নয়। এর আগে আমার বাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ লুটপাট করে নিয়ে গেছে নিপার লোকজন।

এ ঘটনায় সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদ রানা  জগো২৪.নেট-কে বলেন, এ বিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ করেনি।