গাইবান্ধা সদর উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানের সড়কে ঈদের দিনে ঘুরতে বেড়িয়ে উঠতি বয়সের কিশোররা সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়ে বেপরোয়াভাবে চালনায় এসব দূর্ঘটনা ঘটছে। আর এই দূর্ঘটনার কবলে পড়ছে শিশু, বৃদ্ধ সহ বিভিন্ন বয়সী পথচারী ও মোটরসাইকেল চালকরা। এতে করে অভিভাবকসহ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।
রোববার (১০ জুলাই) সন্ধ্যা সাতটার দিকে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে গিয়ে দূর্ঘটনায় আহতদের চিত্র দেখা যায়। হাসপাতালের জরুরী বিভাগে চিৎকার আর চেচামেচীতে ভারী হয়ে উঠেছে বাতাস। বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর ফলে এসব দূর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সেলিম সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ঈদের দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত শতাধিক সড়ক দুর্ঘটনার রোগী এসেছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই কিশোর। কারো হাত ভেঙ্গেছে কারো পা ভেঙ্গেছে এবং গুরুত্বর আহতদের পাঠানো রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বর্তমানে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছি আমরা। শিশু, বৃদ্ধ, পথচারী কেউ বাদ যাচ্ছেনা এ দুর্ঘটনার হাত থেকে। উঠতি বয়সের যুবকদের হাতে মোটরসাইকেল এর মূল কারন বলে মনে করছেন এই চিকিৎসক।
এদিকে ঈদকে সামনে রেখে জেলা পুলিশের বেশ কয়েকটি ইউনিট মাঠে কাজ করার কথা থাকলেও জনবহুল এলাকাগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি তেমন একটা চোখে পড়েনি এবং বেপরোয়াভাবে মটর সাইকেল চালানোর সময়ে পুলিশের ভূমিকা চোখে পড়েনি। শুধু তাই নয়, মটর সাইকেল ছাড়াও অটোরিক্সাগুলোকেও বেপরোয়াভাবে শহরের গুরুত্বপূর্ন মোড়গুলোতে চলাচল করতে দেখা যায়।
এখনি এদের বিরুদ্ধে পুলিশ কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ঘটতে পারে মৃত্যু সহ বড় ধরনের দূর্ঘটনা। ফলে পরিবার হারাবে তার স্বজনকে।
তবে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশী টহল অব্যাহত রয়েছে।
সঞ্জয় সাহা, জাগো২৪.নেট 

















