মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাড়ি বাড়ি সংগ্রহ করা গোশত বিক্রি

বাড়ি বাড়ি চেয়ে নেয়া কোরবানির মাংস বিক্রি হয়েছে দিনাজপুর শহরের রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে। এসব স্থানে মাংস বিক্রেতারা বেশির ভাগই ছিন্নমূল ও দরিদ্র মানুষ। এসব মাংসের ক্রেতারা যারা কোরবানি দিতে পারেননি তাদের সংখ্যাই বেশি। মাংস বিক্রেতাদের কথা-এত পাওয়া মাংস বিক্রি করে অন্য পন্য কিনতে হবে নিজেদের জন্য।

ঈদেরদিন বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এসব সংগৃহিত কোরবানির মাংস বিক্রি। দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন ও আশপাশের মোড়গুলোতে বিক্রির চিত্র দেখা যায়। এসব মাংস কেজিপ্রতি ৪০০-৫০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

জরিনা, ইয়াসিনসহ কয়েকজন জানায়, কোরবানির এক ভাগ গরিব ও আরেক ভাগ আত্মীয়-স্বজনের দেয়ার পর নিজের ভাগের অংশ যা থাকে, তা তার প্রয়োজনের তুলনায় কম। এজন্য তারাও এ মাংস কিনতে আসেন যাতে করে নিজেরাসহ বাড়িতে আসা আত্মীয়-স্বজনদের খাওয়ানো যায়। আবার কোরবানি দিতে না পেরে এখান থেকে মাংস কিনে নিয়ে গেছেন অনেকেই।

মাংস বিক্রেতারা আরও বলেন, বিভিন্ন বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা মাংস থেকে নিজের জন্য কিছু রেখে বাকিটা বিক্রি করেছি। এই মাংস বিক্রি করে চাল কিনবো। তেল আছে, মসলা আছে। এসবের জন্য বিক্রি করতে হয়েছে।

বাড়ি বাড়ি সংগ্রহ করা গোশত বিক্রি

প্রকাশের সময়: ০৯:১০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ জুলাই ২০২২

বাড়ি বাড়ি চেয়ে নেয়া কোরবানির মাংস বিক্রি হয়েছে দিনাজপুর শহরের রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে। এসব স্থানে মাংস বিক্রেতারা বেশির ভাগই ছিন্নমূল ও দরিদ্র মানুষ। এসব মাংসের ক্রেতারা যারা কোরবানি দিতে পারেননি তাদের সংখ্যাই বেশি। মাংস বিক্রেতাদের কথা-এত পাওয়া মাংস বিক্রি করে অন্য পন্য কিনতে হবে নিজেদের জন্য।

ঈদেরদিন বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এসব সংগৃহিত কোরবানির মাংস বিক্রি। দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন ও আশপাশের মোড়গুলোতে বিক্রির চিত্র দেখা যায়। এসব মাংস কেজিপ্রতি ৪০০-৫০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

জরিনা, ইয়াসিনসহ কয়েকজন জানায়, কোরবানির এক ভাগ গরিব ও আরেক ভাগ আত্মীয়-স্বজনের দেয়ার পর নিজের ভাগের অংশ যা থাকে, তা তার প্রয়োজনের তুলনায় কম। এজন্য তারাও এ মাংস কিনতে আসেন যাতে করে নিজেরাসহ বাড়িতে আসা আত্মীয়-স্বজনদের খাওয়ানো যায়। আবার কোরবানি দিতে না পেরে এখান থেকে মাংস কিনে নিয়ে গেছেন অনেকেই।

মাংস বিক্রেতারা আরও বলেন, বিভিন্ন বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা মাংস থেকে নিজের জন্য কিছু রেখে বাকিটা বিক্রি করেছি। এই মাংস বিক্রি করে চাল কিনবো। তেল আছে, মসলা আছে। এসবের জন্য বিক্রি করতে হয়েছে।