মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৫ লাখ চেয়ে সাড়ে ৪ লাখে বিক্রি রাজুকে

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার জগরজার্নি গ্রামের খামার মালিক আনোয়ার হোসেন। কোরবানি ঈদে ২০ মণ ওজনের রাজু নামের একটি ষাঁড় ১৫ লাখ টাকায় বিক্রির প্রত্যাশা করছিলেন। অবশেষে সেই রাজুকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা বিক্রি করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খামার মালিক আনোয়ার হোসেন নিজেই। ঈদের আগের দিন তার বাড়ি থেকে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ওই ষাঁড়টি সাড়ে ৪ লাখ টাকায় কিনেছে।

আনোয়ার হোসেন আরও জানান, প্রজনন থেকে পেয়েছেন এঁড়ে বাছুর। নিজের সন্তানের মতো অতি আদর-যত্নে পালন করে বড় হয়েছে বাছুরটি। এর নাম রাখা হয় ‘রাজু’। এই রাজুর ওজন এখন ২০ মণ। বিশালাকৃতির এই গরুটি দেখার জন্য উৎসুক জনতা ভিড় জমিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে বেশ কিছু ব্যাপারী গরুটি ১২ লাখ টাকা দাম হাঁকাচ্ছিলেন। এটি মনে করে ১৫ লাখ টাকা বিক্রির টার্গেট নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে ১২ লাখ টাকা দামের বিষয়টি এক প্রকার দালালী বলে পরে জানতে পারেন। শেষমেশ সাড়ে ৪ লাখ টাকা বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ছোট থেকে স্বাস্থ্য সম্মত-দেশি খাবার যেমন খৈল, ভুষি  ও কাঁচা ঘাস খাইয়ে গরুটি বড় করা হয়। উচ্চতা ছয় ফিটের বেশী হয়েছিল।  ওজন প্রায় ২০ মণ। লালন-পালন করতে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা খরচ করা হয়েছে। গো-খাদ্যের দাম বেশী হওয়ায় খুব একটা লাভ করা সম্ভব হয়নি।

১৫ লাখ চেয়ে সাড়ে ৪ লাখে বিক্রি রাজুকে

প্রকাশের সময়: ০১:২৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার জগরজার্নি গ্রামের খামার মালিক আনোয়ার হোসেন। কোরবানি ঈদে ২০ মণ ওজনের রাজু নামের একটি ষাঁড় ১৫ লাখ টাকায় বিক্রির প্রত্যাশা করছিলেন। অবশেষে সেই রাজুকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা বিক্রি করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খামার মালিক আনোয়ার হোসেন নিজেই। ঈদের আগের দিন তার বাড়ি থেকে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ওই ষাঁড়টি সাড়ে ৪ লাখ টাকায় কিনেছে।

আনোয়ার হোসেন আরও জানান, প্রজনন থেকে পেয়েছেন এঁড়ে বাছুর। নিজের সন্তানের মতো অতি আদর-যত্নে পালন করে বড় হয়েছে বাছুরটি। এর নাম রাখা হয় ‘রাজু’। এই রাজুর ওজন এখন ২০ মণ। বিশালাকৃতির এই গরুটি দেখার জন্য উৎসুক জনতা ভিড় জমিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে বেশ কিছু ব্যাপারী গরুটি ১২ লাখ টাকা দাম হাঁকাচ্ছিলেন। এটি মনে করে ১৫ লাখ টাকা বিক্রির টার্গেট নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে ১২ লাখ টাকা দামের বিষয়টি এক প্রকার দালালী বলে পরে জানতে পারেন। শেষমেশ সাড়ে ৪ লাখ টাকা বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ছোট থেকে স্বাস্থ্য সম্মত-দেশি খাবার যেমন খৈল, ভুষি  ও কাঁচা ঘাস খাইয়ে গরুটি বড় করা হয়। উচ্চতা ছয় ফিটের বেশী হয়েছিল।  ওজন প্রায় ২০ মণ। লালন-পালন করতে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা খরচ করা হয়েছে। গো-খাদ্যের দাম বেশী হওয়ায় খুব একটা লাভ করা সম্ভব হয়নি।