মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৪

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার একটি পুকুর থেকে ফজলুল হক (৫০) নামের এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জনকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) উপজেলার ছাপরহাটি ইউনিয়ানের খানপাড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে ফজলুল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।  একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জনকে থানা আনা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, ফজলুল হকের ছেলে ও পরিবারে সকল সদস্যারা প্রায় টাকার জন্য তাকে মারপিট করে আসছিলেন। তাকে খেতে না দেওয়াসহ নানা রকম নির্যাতন করতো। তার পরিবারের সদস্যারাই তাকে মেরে ফেলছে বলে ধারণা তাদের।

এলাকাবাসী আরও জানায়, সোমবার (১১ জুলাই) রাতে ফজলুল হকের ছেলে আরিফ মিয়া, পুত্রবধূ নিলুফা বেগম ও স্ত্রী আমেনা বেগম নিহতের কাছে টাকা চায়। এই টাকা দিতে অস্বীকার করলে রাতেই তাকে মারধর করে মেরে ফেলে তারপর তার মরদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে আজ মঙ্গলবার সকালে ছোট ছেলে তার বাবা ফজলুল হকের মরদেহ পুকুরে দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে গ্রামবাসী ছুটে আসে।

ছাপরহাটি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান কনক কুমার মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি করছি।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার ইফতেখার মোকাদ্দেম জানান, খবর পেয়ে ফজুলুল হকের মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য  নিহতের পরিবারের ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

 

 

সুন্দরগঞ্জে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৪

প্রকাশের সময়: ০২:৫৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার একটি পুকুর থেকে ফজলুল হক (৫০) নামের এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জনকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) উপজেলার ছাপরহাটি ইউনিয়ানের খানপাড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে ফজলুল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।  একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জনকে থানা আনা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, ফজলুল হকের ছেলে ও পরিবারে সকল সদস্যারা প্রায় টাকার জন্য তাকে মারপিট করে আসছিলেন। তাকে খেতে না দেওয়াসহ নানা রকম নির্যাতন করতো। তার পরিবারের সদস্যারাই তাকে মেরে ফেলছে বলে ধারণা তাদের।

এলাকাবাসী আরও জানায়, সোমবার (১১ জুলাই) রাতে ফজলুল হকের ছেলে আরিফ মিয়া, পুত্রবধূ নিলুফা বেগম ও স্ত্রী আমেনা বেগম নিহতের কাছে টাকা চায়। এই টাকা দিতে অস্বীকার করলে রাতেই তাকে মারধর করে মেরে ফেলে তারপর তার মরদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে আজ মঙ্গলবার সকালে ছোট ছেলে তার বাবা ফজলুল হকের মরদেহ পুকুরে দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে গ্রামবাসী ছুটে আসে।

ছাপরহাটি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান কনক কুমার মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি করছি।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার ইফতেখার মোকাদ্দেম জানান, খবর পেয়ে ফজুলুল হকের মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য  নিহতের পরিবারের ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।