মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাঁস ধরা খেলায় পুকুরপাড়ে জনস্রোত

আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হাঁস খেলা এখন বিলুপ্তির পথে। এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার এক পুকুরে অনুষ্ঠিত হয় হাঁস খেলা। এ খেলাটি উপভোগ করতে পুকুরপারে জনস্রোতে পরিণত হয়।

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) উপজেলার চন্ডিপুর এলাকায় হাঁস খেলাটি আয়োজন করে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রাশিদুল ইসলাম মুকুল মিয়া। এসময় দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসে উৎসুক মানুষ।

জানা যায়, একটি হাঁস পুকুরের পানিতে ছেড়ে দিয়ে ১৫-১৬ জন  খেলোয়াড় হাঁসটি ধরার প্রতিযোগিতা চলে। খেলোয়াররা সাঁতরিয়ে যে ধরতে পারবে হাঁসটি তার হয়ে যাবে। পরপর তিন দফায় এই প্রতিযোগিতা চলে। ছোট,মাঝারি এবং বড়দের মধ্যে এই খেলায় বড়দের দলে রাশিদুল ইসলাম মুকুল মিয়া নিজেই অংশগ্রহণ করায় উপস্থিত দর্শকবৃন্দের মধ্যে আনন্দের জোয়ার উদ্ভাসিত হয়। গ্রামাঞ্চলের জনপ্রিয় হাঁস খেলা দেখতে সকল বয়সের নারী-পুরুষের উপচেপড়া ভিড় জমে। দর্শকদের করতালি আর আনন্দ-উল্লাসে জমে ওঠে খেলাটি।

দর্শনার্থী আকলিমা খাতুন বলেন, হাঁস খেলা কখনও দেখিনি। আজ দেখে অনেকটাই ভালো লাগলো। এমন খেলা ধরে রাখা উচিৎ।

আয়োজক রাশিদুল ইসলাম মুকুল মিয়া বলেন, গ্রামীণ ঐতিহ্যকে ধরে রাখার চেষ্টামাত্র। ঈদে মানুষকে একটুখানি আনন্দ দিতে হাঁস খেলা আয়োজন করেছি। আগামীতে এটি অব্যাহত থাকবে।

হাঁস ধরা খেলায় পুকুরপাড়ে জনস্রোত

প্রকাশের সময়: ০৮:০০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২

আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হাঁস খেলা এখন বিলুপ্তির পথে। এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার এক পুকুরে অনুষ্ঠিত হয় হাঁস খেলা। এ খেলাটি উপভোগ করতে পুকুরপারে জনস্রোতে পরিণত হয়।

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) উপজেলার চন্ডিপুর এলাকায় হাঁস খেলাটি আয়োজন করে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রাশিদুল ইসলাম মুকুল মিয়া। এসময় দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসে উৎসুক মানুষ।

জানা যায়, একটি হাঁস পুকুরের পানিতে ছেড়ে দিয়ে ১৫-১৬ জন  খেলোয়াড় হাঁসটি ধরার প্রতিযোগিতা চলে। খেলোয়াররা সাঁতরিয়ে যে ধরতে পারবে হাঁসটি তার হয়ে যাবে। পরপর তিন দফায় এই প্রতিযোগিতা চলে। ছোট,মাঝারি এবং বড়দের মধ্যে এই খেলায় বড়দের দলে রাশিদুল ইসলাম মুকুল মিয়া নিজেই অংশগ্রহণ করায় উপস্থিত দর্শকবৃন্দের মধ্যে আনন্দের জোয়ার উদ্ভাসিত হয়। গ্রামাঞ্চলের জনপ্রিয় হাঁস খেলা দেখতে সকল বয়সের নারী-পুরুষের উপচেপড়া ভিড় জমে। দর্শকদের করতালি আর আনন্দ-উল্লাসে জমে ওঠে খেলাটি।

দর্শনার্থী আকলিমা খাতুন বলেন, হাঁস খেলা কখনও দেখিনি। আজ দেখে অনেকটাই ভালো লাগলো। এমন খেলা ধরে রাখা উচিৎ।

আয়োজক রাশিদুল ইসলাম মুকুল মিয়া বলেন, গ্রামীণ ঐতিহ্যকে ধরে রাখার চেষ্টামাত্র। ঈদে মানুষকে একটুখানি আনন্দ দিতে হাঁস খেলা আয়োজন করেছি। আগামীতে এটি অব্যাহত থাকবে।