মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নববধুর হত্যা না আত্মহত্যা

প্রেম করে বিয়ে করার মাত্র ৩ মাসেই ঝড়ে গেল আঁখি নামে নববধুর প্রাণ। নিহতের পরিবারের দাবী তাকে নির্যাতন করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে পাবনার সাঁথিয়া পৌরসভাধীন কালাইচাড়া গ্রামে। আঁখি ওই গ্রামের গোলাম মওলার ছেলে রতনের স্ত্রী। এ ঘটনার পর তেকে রতনের পরিবার পলাতক রয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ মাস আগে সাঁথিয়া পৌরসভার কালাইচারা গ্রামের গোলাম মওলার ছেলে রতন হোসেনের (২৫) সাথে একই পৌরসভার চোমরপুর গ্রামের বাবু শেখের মেয়ের আঁখি খাতুনের পিতামাতার অমতে পালিয়ে গিয়ে ঢাকাতে বিয়ে হয়। এক মাস আগে তারা ঢাকা থেকে বাড়ি এসেছে। বৃহস্পতিবার রাতে আঁখি নিজ শয়ন ঘরের আড়ার সাথে শাড়ি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে বলে জানায় রতনের পরিবার।

আঁখির বাবা বাবু জানান, রতনের বাড়ি থেকে আখির বিয়ের জন্য প্রস্তাবদেন। আমরা প্রস্তাব ফিরিয়ে দেই কারণ আমার মেয়ে গালস স্কুলের নাইন এ পড়ে। এরপর রতন আমার মেয়ের পিছে লাগে। কিছুদিনপর আমার মেয়েকে ভূলিয়ে ভালিয়ে ঢাকা নিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। রতন প্রায়ই আমার মেয়েকে শারিরীক ভাবে নির্যাতন করতো এবং যৌতুকের জন্য চাপদিত। বৃহস্পতিবার রাতে আখিকে মেরে গলায় শাড়ি পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

সাঁথিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপরে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে বলেন,ময়না তদন্ত রিপোর্ট পেলে জানা যাবে এটা হত্যা না আত্মহত্যা।

নববধুর হত্যা না আত্মহত্যা

প্রকাশের সময়: ০৬:৩০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ জুলাই ২০২২

প্রেম করে বিয়ে করার মাত্র ৩ মাসেই ঝড়ে গেল আঁখি নামে নববধুর প্রাণ। নিহতের পরিবারের দাবী তাকে নির্যাতন করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে পাবনার সাঁথিয়া পৌরসভাধীন কালাইচাড়া গ্রামে। আঁখি ওই গ্রামের গোলাম মওলার ছেলে রতনের স্ত্রী। এ ঘটনার পর তেকে রতনের পরিবার পলাতক রয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ মাস আগে সাঁথিয়া পৌরসভার কালাইচারা গ্রামের গোলাম মওলার ছেলে রতন হোসেনের (২৫) সাথে একই পৌরসভার চোমরপুর গ্রামের বাবু শেখের মেয়ের আঁখি খাতুনের পিতামাতার অমতে পালিয়ে গিয়ে ঢাকাতে বিয়ে হয়। এক মাস আগে তারা ঢাকা থেকে বাড়ি এসেছে। বৃহস্পতিবার রাতে আঁখি নিজ শয়ন ঘরের আড়ার সাথে শাড়ি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে বলে জানায় রতনের পরিবার।

আঁখির বাবা বাবু জানান, রতনের বাড়ি থেকে আখির বিয়ের জন্য প্রস্তাবদেন। আমরা প্রস্তাব ফিরিয়ে দেই কারণ আমার মেয়ে গালস স্কুলের নাইন এ পড়ে। এরপর রতন আমার মেয়ের পিছে লাগে। কিছুদিনপর আমার মেয়েকে ভূলিয়ে ভালিয়ে ঢাকা নিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। রতন প্রায়ই আমার মেয়েকে শারিরীক ভাবে নির্যাতন করতো এবং যৌতুকের জন্য চাপদিত। বৃহস্পতিবার রাতে আখিকে মেরে গলায় শাড়ি পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

সাঁথিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপরে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে বলেন,ময়না তদন্ত রিপোর্ট পেলে জানা যাবে এটা হত্যা না আত্মহত্যা।