দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় বিনামূল্যে নলক‚প পেয়েছে ৯৮টি দরিদ্র পরিবার। এতে করে সুপেয় পানি পাওয়া নিয়ে এতদিন ধরে চলা ভোগান্তি লাঘব হওয়ায় পরিবারগুলো খুশি। সোশ্যাল এজেন্সি ফর ওয়েলফেয়ার অ্যাডভান্সমেন্ট অব বাংলাদেশ (ছওয়াব)’র অর্থায়নে নির্মিত নলকূপগুলো বসানো হয়েছে।
এসব দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা অর্থাভাবে সংসার পরিচালনা করতে গিয়ে হিমশিম খেত। অনেকেই তাদের বাড়িতে স্থাপন করতে পারেনি নলকূপ। তাদের অধিকাংশ সময়ই পোহাতে হতো ভোগান্তি। সেই ভোগান্তি লাঘবে এগিয়ে আসে সোশ্যাল এজেন্সি ফর ওয়েলফেয়ার অ্যাডভান্সমেন্ট অব বাংলাদেশ (ছওয়াব)। এসব দরিদ্র পরিবারগুলো সুপেয় পানির ব্যবস্থার জন্য নলকূপ বসিয়ে দেয়।
ছওয়াব সূত্রে জানা গেছে, পুরোদেশে তাঁরা গরিব ও অসহায় পরিবার ও ছিন্নমূল মানুষের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে। তারই ধারাবাহিকতায় সংস্থাটি খানসামা উপজেলায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সাথে সমন্বয় করে নিরাপদ পানির চাহিদা পূরণে তারা কাজ করছে। এ সংক্রান্ত প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় ৯৮টি পরিবার প্রথম পর্যায়ে প্লাটফর্মসহ উন্নত মানের নলকূপ পায়। ছওয়াবের হেড প্রোগ্রামার লোকমান হোসেন মোল্লা, সিনিয়ার প্রোগ্রাম অফিসার আবু সাঈদ মোল্লা ও প্রোগ্রাম অফিসার মনিরুজ্জামান এসব কাজ নিয়মিত তদারকি করছেন।
স্বেচ্ছাসেবক লাবু ইসলাম বলেন, ছওয়াব’র মাধ্যমে নিজ এলাকার মানুষের উপকারে কাজ করতে পেরে আমি গর্বিত। এজন্য এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আশা করি আগামীতেও ছওয়াব’র মাধ্যমে অসহায়দের মুখে হাসি ফুটবে।
ছওয়াব’র সিনিয়ার প্রোগ্রাম অফিসার আবু সাঈদ মোল্লা জানান, সরেজমিনে দেখে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় সঠিক ব্যক্তি, পরিবার ও স্থান নির্বাচন করে উপকারভোগীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। পরে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নলকূপ ও এর প্লাটফর্ম তৈরী করা দেয়া হয়।
ছওয়াব’র হেড প্রোগ্রামার লোকমান হোসাইন তালুকদার বলেন, ‘আমাদের মূল উদ্দেশ্য হল দরিদ্র ও অসহায় পরিবার, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও রাস্তার পাশে পথচারীদের জন্য নলকূপ স্থাপন করা। যাতে তৃণমূল পর্যায়ের এসব সাধারণ মানুষ বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারেন।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য রশিদুল ইসলাম শাহ বলেন, এত টাকা ব্যয়ে নলকূপ বসানো অনেক পরিবারের জন্য কষ্টসাধ্য। বিনামূল্যে নলকূপ পেয়ে এসব পরিবার খুশি। এজন্য ছওয়াবকে ধন্যবাদ।
মো. রফিকুল ইসলাম, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) 



















