শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত জাহাঙ্গীরের দাফন

লালমনিরহাটে হরতালকে কেন্দ্র করে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত শ্রমিকলীগ নেতা জাহাঙ্গীরের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
সোমবার বিকাল ৩ ঘটিকায় তার গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের বেড়াপাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় তার জানাজার নামাজ। সেখানেই পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
তিনি ওই উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের বেড়াপাঙ্গা গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে। তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
মহেন্দ্রনগর বেড়াপাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসা মাঠে শ্রমিকলীগ নেতা জাহাঙ্গীরের জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তব্য দেন লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নজরুল হক পাটোয়ারী ভোলা। লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আশরাফ হোসেন বাদল, গোলাম মোস্তফা স্বপন, সাখাওয়াত হোসেন সুমন খান, লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন, গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আঃ রশিদ সরকার টোটন, হারাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক খন্দকার রানা, খুনিয়ার গার্লস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান বাদল, রাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন মোফা, লালমনিরহাট পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম তপন। এ সময় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ হাজার হাজার জনতা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দুপুর ১টায় শ্রমিকলীগ নেতা জাহাঙ্গীরের মরদেহ  রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে তার নিজ বাড়ীতে এসে পৌছালে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি তৈরি হয়।,নিহতের বাবা আজিজার রহমান বারবার মুর্ছা যাচ্ছিলো জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অ্যাডঃমতিয়ার রহমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ অ্যাড. সফুরা বেগম রুমী পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য যে, গতকাল রোববার জামাত বিএনপির হরতাল চলাকালে মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের নেতা কর্মী বৃন্দ শান্তি সমাবেশের প্রশ্তুতিকালে বিএনপির সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয় শ্রমিকলীগ নেতা জাহাঙ্গীর।এসময় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়,আহতদের রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাহাঙ্গীর মারা যায়।

তথ্য চাইতেই ক্ষিপ্ত সাদুল্লাপুরের এসিল্যান্ড, সাংবাদিকের বুম-ক্যামেরা ধাক্কিয়ে অফিস ত্যাগ

লালমনিরহাটে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত জাহাঙ্গীরের দাফন

প্রকাশের সময়: ০৭:৫০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩
লালমনিরহাটে হরতালকে কেন্দ্র করে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত শ্রমিকলীগ নেতা জাহাঙ্গীরের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
সোমবার বিকাল ৩ ঘটিকায় তার গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের বেড়াপাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় তার জানাজার নামাজ। সেখানেই পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
তিনি ওই উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের বেড়াপাঙ্গা গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে। তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
মহেন্দ্রনগর বেড়াপাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসা মাঠে শ্রমিকলীগ নেতা জাহাঙ্গীরের জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তব্য দেন লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নজরুল হক পাটোয়ারী ভোলা। লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আশরাফ হোসেন বাদল, গোলাম মোস্তফা স্বপন, সাখাওয়াত হোসেন সুমন খান, লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন, গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আঃ রশিদ সরকার টোটন, হারাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক খন্দকার রানা, খুনিয়ার গার্লস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান বাদল, রাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন মোফা, লালমনিরহাট পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম তপন। এ সময় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ হাজার হাজার জনতা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দুপুর ১টায় শ্রমিকলীগ নেতা জাহাঙ্গীরের মরদেহ  রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে তার নিজ বাড়ীতে এসে পৌছালে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি তৈরি হয়।,নিহতের বাবা আজিজার রহমান বারবার মুর্ছা যাচ্ছিলো জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অ্যাডঃমতিয়ার রহমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ অ্যাড. সফুরা বেগম রুমী পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য যে, গতকাল রোববার জামাত বিএনপির হরতাল চলাকালে মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের নেতা কর্মী বৃন্দ শান্তি সমাবেশের প্রশ্তুতিকালে বিএনপির সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয় শ্রমিকলীগ নেতা জাহাঙ্গীর।এসময় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়,আহতদের রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাহাঙ্গীর মারা যায়।