শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি

রাস্তায় ঘুরছে বিশালদেহী একটি হাতি। শিশুরা এই কনকনে শীতে সেই বিশালদেহী হাতিকে দেখতে ছুঁটছে পিছনে পিছনে। হাতিটির পিঠে বসা মাহুত। মাহুতের নিদের্শেই এক দোকান থেকে আরেক দোকানে যাচ্ছে হাতিটি। এরপর হাতিটি তার শুঁড় সোজা এগিয়ে দিচ্ছে দোকানির নিকট। শুঁড়ের মাথায় টাকা গুঁজে না দেয়া পর্যন্ত শুঁড় সরাচ্ছে না হাতিটি। এভাবেই অভিনব পন্থায় হাতি দিয়ে চলছে চাঁদাবাজি। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৯ জানুয়ারি সোমবার রাত ৮টায় দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার গ্রামীণ শহর রানীরবন্দরে এ দৃশ্য দেখা যায়।
সরজমিনে দেখা গেছে, হাতি দিয়ে টাকা তুলছেন মাহুত। সর্বনিম্ন ১০ টাকা থেকে শুরু করে দোকানের ধরন অনুযায়ী টাকা নেয়া হচ্ছে। শুধু দোকানেই নয়-হাতিটি সৈয়দপুর-দশমাইল মহাসড়কে চলাচলরত বিভিন্ন যানবাহনকে পথরোধ করেও টাকা আদায় করছে। কয়েকজন দোকানদার জানান, দোকানে হঠাৎ একটি হাতি এসে শুঁড় এগিয়ে দিল। সাথে সাথে হাতির শুঁড়ে টাকা গুঁজে দিতে হচ্ছে। টাকা না দিলে যাবে না। এ জন্য ঝামেলা হওয়ার আগেই টাকা দিয়ে দিতে হচ্ছে।  হাতির পিঠে বসে থাকা মাহুত বলেন, হাতির ভরণপোষণের জন্য সবাই খুশি হয়ে কিছু টাকা দেন।

চিরিরবন্দরে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি

প্রকাশের সময়: ০৭:০৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৪
রাস্তায় ঘুরছে বিশালদেহী একটি হাতি। শিশুরা এই কনকনে শীতে সেই বিশালদেহী হাতিকে দেখতে ছুঁটছে পিছনে পিছনে। হাতিটির পিঠে বসা মাহুত। মাহুতের নিদের্শেই এক দোকান থেকে আরেক দোকানে যাচ্ছে হাতিটি। এরপর হাতিটি তার শুঁড় সোজা এগিয়ে দিচ্ছে দোকানির নিকট। শুঁড়ের মাথায় টাকা গুঁজে না দেয়া পর্যন্ত শুঁড় সরাচ্ছে না হাতিটি। এভাবেই অভিনব পন্থায় হাতি দিয়ে চলছে চাঁদাবাজি। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৯ জানুয়ারি সোমবার রাত ৮টায় দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার গ্রামীণ শহর রানীরবন্দরে এ দৃশ্য দেখা যায়।
সরজমিনে দেখা গেছে, হাতি দিয়ে টাকা তুলছেন মাহুত। সর্বনিম্ন ১০ টাকা থেকে শুরু করে দোকানের ধরন অনুযায়ী টাকা নেয়া হচ্ছে। শুধু দোকানেই নয়-হাতিটি সৈয়দপুর-দশমাইল মহাসড়কে চলাচলরত বিভিন্ন যানবাহনকে পথরোধ করেও টাকা আদায় করছে। কয়েকজন দোকানদার জানান, দোকানে হঠাৎ একটি হাতি এসে শুঁড় এগিয়ে দিল। সাথে সাথে হাতির শুঁড়ে টাকা গুঁজে দিতে হচ্ছে। টাকা না দিলে যাবে না। এ জন্য ঝামেলা হওয়ার আগেই টাকা দিয়ে দিতে হচ্ছে।  হাতির পিঠে বসে থাকা মাহুত বলেন, হাতির ভরণপোষণের জন্য সবাই খুশি হয়ে কিছু টাকা দেন।