দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার রানীরবন্দরে দশমাইল-সৈয়দপুর মহাসড়কের সুইহারীবাজার বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা চার্জার রিকশাভ্যানকে বিআরটিসি বাস চাপা দেয়ার ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুইজন রিকশাভ্যান চালক ও দুইজন মধু ব্যবসায়ী নিহত ও কমপক্ষে ৮ জন আহত হন।
নিহতরা হলেন- খানসামা উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের গোয়ালডিহি গ্রামের প্ল্যানবাজারের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে চার্জার রিকশাভ্যানচালক নজরুল ইসলাম ওরফে নজু (৪৫), একই গ্রামের বটতলীবাজারের মৃত আজিমদ্দিনের ছেলে চার্জার রিকশাভ্যানচালক আব্দুল মজিদ (৪০) এবং মধু ব্যবসায়ী টেকনাফের হরিখোলা গ্রামের মৃত মংসু চাকমার ছেলে লতাইয়া চাকমা (৫২) ও একই এলাকার মৃত ইশা এসং চাকমার ছেলে মাইন্দো চাকমা (৪৫)। এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে রমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় বৃহস্পতিবার আনুমানিক দুপুর ১টায় শাহিন হোসেন (৪৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত শাহিন হোসেন চিরিরবন্দর উপজেলার আলোকডিহি ইউনিয়নের গছাহার গ্রামের শাহপাড়ার মৃত বাবরউদ্দিনের ছেলে। এ নিয়ে ওই সড়ক দূর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ জনে।
উল্লেখ্য গত ৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার আনুমানিক সকাল সাড়ে ৭টায় উপজেলার রানীরবন্দরে দশমাইল-সৈয়দপুর মহাসড়কের সুইহারীবাজার বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা চার্জার রিকশাভ্যানকে দিনাজপুর থেকে রংপুরগামী বিআরটিসি বাস চাপা দেয়ার ঘটনাটি ঘটেছে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) 
















