ছিন্নমূল পরিবারের মেহেরুন বেগম (৫৫)। স্বামী জলিল মিয়া ফেরি করে কলা বিক্রি করেন। এই দম্পতির দুই ছেলে মেহের ও মেছের আলী থাকেন জেলার বাহিরে। আর মেহেরের দুই সন্তান রেখে গেছেন বাড়িতে। কিন্ত দীর্ঘদিনও খোঁজ রাখেন না এ সন্তানদের। এরই অভিমানে মেহেরুন বেগম গলা ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।
শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টার দিকে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালি ইউনিয়নের মাছেরভিটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনরা জানায়, মেহেরুন বেগমের ছেলে মেছের আলী ঢাকায় থাকেন। আর মেহের আলী তার স্ত্রী-সন্তান বাড়িতে ফেলে রেখে মুন্সিগঞ্জে থাকলেও কোন খোঁজ-খবর নেয় না। এ অবস্থায় দুর্বিষহ জীবন পার করছিলেন মেহেরুন। এরই অভিমানে শুক্রবার সকালের দিকে সবার অজান্তে ঘরের মধ্যে গলায় রশি পেচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেন এই মেহেরুন বেগম।
এ তথ্য নিশ্চিত করে উদাখালি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ৪নং ওয়ার্ড সদস্য আইয়ুব আলী বলেন, মেহেরুন বেগমের আতহত্যার ঘটনাটি খুবই দুঃজনক।
ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজীব বসুনিয়া বলেন, মাছেরভিটা গ্রামের মেহেরুন বেগম নামের এক নারী আত্নহত্যা করেছে। এ বিষয়ে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।
স্টাফ করেসপন্ডেন্টে, জাগো২৪.নেট 
















