সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে স্থানীয় স্টেক হোল্ডার সহ বিভিন্ন গ্রুপের সাথে গাইবান্ধায় বাল্যবিবাহ ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা এবং শিশু বিবাহ বন্ধে সামাজিক আচরণ পরিবর্তনের যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সামাজিক ও আচরণ পরিবর্তনকে শক্তিশালীকরণ প্রকল্প ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধার আয়োজনে শনিবার সকালে সদর উপজেলার খোলাহাটি কুমারপাড়া “একতা ট্রেনিং সেন্টারে” বাল্যবিবাহ ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা বন্ধ বিষয়ক সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন- গাইবান্ধা সিভিল সার্জন অফিসের স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মো: আমিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন-গর্ভবতী মহিলাদের ভারি কাজ করা যাবেনা। বিশ্রাম নিতে হবে। কাপড় গোছানো সহ হালকা কাজ করতে হবে। গর্ভবতী মহিলার রক্তের গ্রুপ জানতে হবে। পুষ্টি স্বাস্থ্যের গঠন ভাল রাখে। পুষ্টির দিকে নজর দিতে হবে। সু স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে। যৌতুক ও কারনে,নির্যাতনের কারনে বাল্য বিয়ে হয়। ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে বাচ্চা নেয়ার উপযুক্ত বয়স। শিশুরা নির্যাতিত হয় শারীরিকভাবে, মানসিকভাবে।
বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন- গাইবান্ধা এন,এইচ মর্ডান উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও পুরোহিত গোপাল চন্দ্র চক্রবর্তী,পুরোহিত শৈলেন চক্রবর্তী, পুরোহিত ও আবির চক্রবর্তী ডন, এনজিও কর্মী প্রমোদ চন্দ্র সরকার, সহ অভিভাবক, শিক্ষক,স্বাস্থ্য কর্মী অনেকে। এতে পিতামাতা, শিক্ষক, সম্প্রদায়ের নেতা, স্বাস্থ্য ও সমাজকর্মী, শিশু ফোরামের সদস্য এবং যুব ফোরামের সদস্যরা অংশ নেয়। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে – পুরোহিত আবির চক্রবর্তী ডন – সকল মন্দির কমিটির সদস্য বা পুরোহিতদের বাল্য বিবাহ কুফল নিয়ে মাসে একবার করে আলোচনা করার এবং ১০৯৮ নম্বর ব্যবহার করতে বলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন- ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধার এসবিসি প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার রেখা খাতুন।
অন্যান্য বক্তারা বলেন-১৮ বছরের কম বয়সী মেয়ে ও ২১ বছরের কম বয়সী কোন ছেলে যদি বিয়ে করে বা তাদের বিয়ে দেয়া হয় তখন এটা বাল্যবিবাহ। আমরা যদি সুন্দরভাবে প্রটেক্ট করতে পারি তাহলে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা সম্ভব। বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিভাবকে সচেতন হতে হবে। অভিভাবক সচেতন না হলে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা সম্ভব না এবং কাজীরও কিছু করা সম্ভব না। পরিবারের প্রত্যেক ব্যক্তি ও শিশুদের বিশেষ বৈষিষ্ট্যগুলি বের করা। শিশুদের দোষ আরোপ না করা। প্রশংসা করা। দুর্বল দিকগুলি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করা।
সঞ্জয় সাহা, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 
















