বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আরেফিন সরদারের দেওয়া ঘর পেয়ে খুশি মোছলেমা

স্বামী নাই। ম্যালাদিন হয় মারা গেইছে। ছেলে নাই। মেয়ে আছে মোর তিনটা। তারও একটা পুতিবন্দি। বাড়ি ভিটার অল্পে একনা জমি আছে। আর কিছু নাই। সারাদিন কাম-কাজ করি বাড়িত আসি যে শান্তি করি একনা নিন পারিম সেকনাও আছিল নে। আজ থাকি মোর সেই কষ্ট ঘুচিল।

নতুন পাকা ঘর পেয়ে কথাগুলো বলছিলেন বিধবা মোছলেমা (৫৫)। গতকাল শনিবার বিকেলে তাঁর বাড়িতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

মোছলেমা বেওয়া আরও বলেন, বাপ, স্বামী কেউ যে শান্তি দিতে পায়নি সেই শান্তি দিছে মোক সদদার বাবা। ঘর কোনাত মুই এখন থাকি শান্তিতে ঘুম পাইরবার পাইম। আল্লাহ বাবাকেও শান্তি দেউক।

মোছলেমা বেওয়া উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামের মৃত কায়ছার আলীর স্ত্রী।

তাঁর মেয়েরা বলেন, সারাদিন অনেক কষ্ট করে খাবার যোগার করি। আইতোত বাড়ি আসি যখন শোতার ঘর থাকে না তখন আরও বেশি কষ্ট নাগে। অনেক দিনের সেই কষ্ট দুর হইলো। যাই এ ঘর করি দিছে আল্লাহ তাঁর ভালো করুক।

এ বিষয়ে সমাজ সেবক আরেফিন আজিজ সরদার সিন্টু বলেন, ‘ভালো লাগা থেকে এ ধরনের কাজগুলো করে থাকি। গরীব, অসহায় এবং দুস্থদের জন্য কিছু করতে পারলে খুব আনন্দ পাই। বিধবা ওই নারী তিন মেয়েসহ খুব কষ্টে বসবাস করছিলেন। থাকার ভালো কোনো ঘরও ছিলো না। বিষয়টি জানার পরে তাঁদের জন্য পাকা ঘরের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। নতুন ঘর নির্মাণ শেষে গত শুক্রবার তাঁদের এ ঘরে উঠে দিয়েছি।’

আরেফিন সরদারের দেওয়া ঘর পেয়ে খুশি মোছলেমা

প্রকাশের সময়: ০৭:০৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৪

স্বামী নাই। ম্যালাদিন হয় মারা গেইছে। ছেলে নাই। মেয়ে আছে মোর তিনটা। তারও একটা পুতিবন্দি। বাড়ি ভিটার অল্পে একনা জমি আছে। আর কিছু নাই। সারাদিন কাম-কাজ করি বাড়িত আসি যে শান্তি করি একনা নিন পারিম সেকনাও আছিল নে। আজ থাকি মোর সেই কষ্ট ঘুচিল।

নতুন পাকা ঘর পেয়ে কথাগুলো বলছিলেন বিধবা মোছলেমা (৫৫)। গতকাল শনিবার বিকেলে তাঁর বাড়িতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

মোছলেমা বেওয়া আরও বলেন, বাপ, স্বামী কেউ যে শান্তি দিতে পায়নি সেই শান্তি দিছে মোক সদদার বাবা। ঘর কোনাত মুই এখন থাকি শান্তিতে ঘুম পাইরবার পাইম। আল্লাহ বাবাকেও শান্তি দেউক।

মোছলেমা বেওয়া উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামের মৃত কায়ছার আলীর স্ত্রী।

তাঁর মেয়েরা বলেন, সারাদিন অনেক কষ্ট করে খাবার যোগার করি। আইতোত বাড়ি আসি যখন শোতার ঘর থাকে না তখন আরও বেশি কষ্ট নাগে। অনেক দিনের সেই কষ্ট দুর হইলো। যাই এ ঘর করি দিছে আল্লাহ তাঁর ভালো করুক।

এ বিষয়ে সমাজ সেবক আরেফিন আজিজ সরদার সিন্টু বলেন, ‘ভালো লাগা থেকে এ ধরনের কাজগুলো করে থাকি। গরীব, অসহায় এবং দুস্থদের জন্য কিছু করতে পারলে খুব আনন্দ পাই। বিধবা ওই নারী তিন মেয়েসহ খুব কষ্টে বসবাস করছিলেন। থাকার ভালো কোনো ঘরও ছিলো না। বিষয়টি জানার পরে তাঁদের জন্য পাকা ঘরের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। নতুন ঘর নির্মাণ শেষে গত শুক্রবার তাঁদের এ ঘরে উঠে দিয়েছি।’