গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম কোরআনের দুই শতাধিক এতিম শিশু শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে ইফতার করেছেন।
শনিবার সন্ধার দিকে উপজেলার মীরগঞ্জ বাজারস্থ খন্দকার আবদুর রাজ্জাক দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসায় তিনি নিজেই উপস্থিত হয়ে এ ইফতার করেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল, মাদ্রসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি খন্দকার আবদুর রাজ্জাক রাজু ও কমিটির অন্যান্য সদস্যসহ শিক্ষকগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
দোয়া ও ইফতার শেষে ওই মাদ্রাসার মসজিদে মাগরিবের নামাজ আদায় করেন ইউএনও মো. তরিকুল ইসলাম।
পরে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কক্ষ, রাতে শোয়ার জায়গা, বিছানাপত্র, শিক্ষকদের থাকার জায়গা ও ওয়াশরুমসহ মাদ্রাসাটির সবকিছু পরিদর্শন করেন। শেষে মতবিনিময় করেন কমিটির সদস্য, শিক্ষক মন্ডলি ও শিক্ষার্থীদের সাথে।
এদিকে ইউএনও’র আগমন এবং এতিম বাচ্চাদের সাথে ইফতার করার বিষয়টি ভূয়সী প্রশংসা করে কমিটির সভাপতি খন্দকার আবদুর রাজ্জাক রাজু বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের সর্ববড় কর্মকর্তা হচ্ছেন ইউএনও স্যার। তিনি এখানে এসেছেন এবং আমাদের সঙ্গে নিয়ে ইফতার ও দোয়া করেছেন। এটি আমার এবং আমার প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্ববৃহৎ প্রাপ্তি। আমরা ধন্য। এ কাজে আগ্রহ আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিলো তাঁর এ আগমন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, একদিকে পবিত্র রমজান মাস, অন্যদিকে তাঁরা এতিম শিশু এবং চর্চা করছেন পবিত্র আল কোরআন। কাজেই এদের সঙ্গে ইফতার করতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। বিশেষ করে, সমাজে অনেক শিশু আছে যারা সুবিধা বঞ্চিত। মূলত তাঁরাই এরকম এতিমখানায় থেকে লেখা পড়া করেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের শিশুদের পাশে থাকার আকাঙ্ক্ষার কথাও জানান তিনি।
ইউএনও আরও বলেন, এরা অনেক দূর এগিয়ে যাবে, আমরা যদি সামর্থ্য অনুযায়ী সবাই এদের পাশে দাঁড়াই। আজ রাতে তারাবির নামাজ শেষে প্রায় ৬৫০ জন রোজাদারের জন্য উন্নতমানের খাবার ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলেও জানান ইউএনও মো. তরিকুল ইসলাম।
জাহিদ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 


















