বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধা নারী শিশু কল্যাণ সংস্থার ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

ঈদ উপহার পেয়ে খুশী গাইবান্ধার গরীব, অসহায় ও দুস্থ মানুষরা। পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে দুই শতাধিক গরিব, অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ( সেমাই, চিনি, দুধ, আটা, মুড়ি) সহ বিভিন্ন ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে গাইবান্ধা নারী শিশু কল্যাণ সংস্থা। মঙ্গলবার সকালে শহরের আসাদুজ্জামান স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন – আসাদুজ্জামান স্কুল এন্ড কলেজ অধ্যক্ষ মনিরুল হক, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদ রানা, নারী ও শিশু কল্যাণ সংস্থা সভাপতি সালাউদ্দিন কাশেম, ডা: রশিদুল হাসান বকুল, গাইবান্ধা প্রেসক্লাব সভাপতি শামীম আল সাম্য, সহ সভাপতি ফয়সাল রহমান জনি, সাধারণ সম্পাদক কায়সার প্লাবন, দপ্তর সম্পাদক সঞ্জয় সাহা, কোষাধ্যক্ষ মশিউর রহমান মিঠু, সদস্য কাবির হোসেন, আব্দুল মান্নাফ, শাকির হায়দার পিয়াস, পাভেল আহমেদ জনি সহ সংস্থার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সোহাগ নামে এক সুবিধাভোগী বলেন- আমি একজন কৃষক। চাষাবাদ করি। নারী ও শিশু কল্যান সংস্থার ঈদ উপহার পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। খুব ভাল লাগছে। পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারব। এই উপহার না পেলে কিনতে খুব কষ্ট হতো। আমি নারী ও শিশু কল্যান সংস্থার সাফল্য ও মঙ্গল কামনা করছি।

নারী ও শিশু কল্যান সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কায়সার প্লাবন বলেন-আমাদের সংগঠন প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমরা সমাজে অবহেলিত ও নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের আইনি সহায়তা দিয়ে আসছি। সে সাথে রাস্তায় পড়ে থাকা বেওয়ারিশ লাশদের দাফন করে থাকি। ঈদে গরীব, অসহায় ও দুস্থ মানুষরা টাকার অভাবে ঈদের সকালের খাবার কিনতে পারেনা। তাদের বিষয়টি মাথায় রেখে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে আজকের এই ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ।

গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদ রানা বলেন- রাস্তায় অনেক বেওয়ারিশ লাশ পড়ে থাকে, ডেট বডি পরে থাকে অথচ তা দাফন বা সৎকার করার মতো কেউ থাকেনা। নারী ও শিশু কল্যান সংস্থা তা করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ। এটা একটা পরিবারের জন্য তেমন কিছু না। তাদের পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এই আয়োজন। এই মানুষিকতা যেন সমাজের প্রতিটি মানুষের মনে জব করে। তাদের সুখে আমরা যেন সব সময় এগিয়ে আসতে পাতি৷ নারী ও শিশু কল্যান সংস্থা যে উদ্দেশ্যে বা লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠা করেন না কেন তা বাস্তবে যেন রুপ নেয়। আমি আপনাদের সংগঠন পাশে আছি এবং সব সময় পাশে থাকব।

গাইবান্ধা নারী শিশু কল্যাণ সংস্থার ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

প্রকাশের সময়: ০২:২২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪

ঈদ উপহার পেয়ে খুশী গাইবান্ধার গরীব, অসহায় ও দুস্থ মানুষরা। পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে দুই শতাধিক গরিব, অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ( সেমাই, চিনি, দুধ, আটা, মুড়ি) সহ বিভিন্ন ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে গাইবান্ধা নারী শিশু কল্যাণ সংস্থা। মঙ্গলবার সকালে শহরের আসাদুজ্জামান স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন – আসাদুজ্জামান স্কুল এন্ড কলেজ অধ্যক্ষ মনিরুল হক, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদ রানা, নারী ও শিশু কল্যাণ সংস্থা সভাপতি সালাউদ্দিন কাশেম, ডা: রশিদুল হাসান বকুল, গাইবান্ধা প্রেসক্লাব সভাপতি শামীম আল সাম্য, সহ সভাপতি ফয়সাল রহমান জনি, সাধারণ সম্পাদক কায়সার প্লাবন, দপ্তর সম্পাদক সঞ্জয় সাহা, কোষাধ্যক্ষ মশিউর রহমান মিঠু, সদস্য কাবির হোসেন, আব্দুল মান্নাফ, শাকির হায়দার পিয়াস, পাভেল আহমেদ জনি সহ সংস্থার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সোহাগ নামে এক সুবিধাভোগী বলেন- আমি একজন কৃষক। চাষাবাদ করি। নারী ও শিশু কল্যান সংস্থার ঈদ উপহার পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। খুব ভাল লাগছে। পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারব। এই উপহার না পেলে কিনতে খুব কষ্ট হতো। আমি নারী ও শিশু কল্যান সংস্থার সাফল্য ও মঙ্গল কামনা করছি।

নারী ও শিশু কল্যান সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কায়সার প্লাবন বলেন-আমাদের সংগঠন প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমরা সমাজে অবহেলিত ও নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের আইনি সহায়তা দিয়ে আসছি। সে সাথে রাস্তায় পড়ে থাকা বেওয়ারিশ লাশদের দাফন করে থাকি। ঈদে গরীব, অসহায় ও দুস্থ মানুষরা টাকার অভাবে ঈদের সকালের খাবার কিনতে পারেনা। তাদের বিষয়টি মাথায় রেখে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে আজকের এই ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ।

গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদ রানা বলেন- রাস্তায় অনেক বেওয়ারিশ লাশ পড়ে থাকে, ডেট বডি পরে থাকে অথচ তা দাফন বা সৎকার করার মতো কেউ থাকেনা। নারী ও শিশু কল্যান সংস্থা তা করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ। এটা একটা পরিবারের জন্য তেমন কিছু না। তাদের পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এই আয়োজন। এই মানুষিকতা যেন সমাজের প্রতিটি মানুষের মনে জব করে। তাদের সুখে আমরা যেন সব সময় এগিয়ে আসতে পাতি৷ নারী ও শিশু কল্যান সংস্থা যে উদ্দেশ্যে বা লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠা করেন না কেন তা বাস্তবে যেন রুপ নেয়। আমি আপনাদের সংগঠন পাশে আছি এবং সব সময় পাশে থাকব।