বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ইফতার ও মিলন মেলা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জাতীয় শ্রেষ্ঠ পুরুস্কার প্রাপ্ত জহুরুলহাট হাজী এলাহী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীদের আয়োজনে মিলন মেলা ও সম্মিলিত ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বিদ্যালয় চত্ত্বরে ইফতার মাহফিলের পূর্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাজী জহুরুল ইসলাম বাদশা’র সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার সহ কর্মরত শিক্ষকবৃন্দ সহ প্রায় ৩শ শিক্ষার্থী।

১৯৯৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীদের এক মিলন মেলায় পরিণত হয়েছিল। সচরাচর একসাথে কখনো এভাবে দেখা হয়নি তাদের। সবার সাথে দেখা হয়ে পুরনো স্মৃতি মনে করছেন তারা। পুরনো বন্ধুকে কাছে পেয়ে অনেকে করছেন জোড়াজুড়ি কোলাকুলি আবার কেউ তুলছেন ছবি। কয়েকজন প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায় তাদের অনুভূতির কথা।

২০১৫ সালের প্রাক্তন শিক্ষার্থী রাজু মিয়া বলেন, এই আয়োজনটি অত্যন্ত সুন্দর। আমি এখানে এসে শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষকদের দেখতে পাচ্ছি। পাশাপাশি সহপাঠিদের সাথে কুশল বিনিময় করছি।

২০১৪ সালের প্রাক্তন শিক্ষার্থী রিফাত ইসলাম জানান, তিনি এখানে এসে সবাইকে পেয়ে অনেক খুশি। প্রতিবছর এমন একটি দিন আসুক তিনি কামনা করেন। পরে সবার মঙ্গল কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন উক্ত বিদ্যালয়ের সহকারী মৌলভী শিক্ষক আবুল হাশেম মিয়া।

সুন্দরগঞ্জে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ইফতার ও মিলন মেলা

প্রকাশের সময়: ১২:৩৬:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ এপ্রিল ২০২৪

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জাতীয় শ্রেষ্ঠ পুরুস্কার প্রাপ্ত জহুরুলহাট হাজী এলাহী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীদের আয়োজনে মিলন মেলা ও সম্মিলিত ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বিদ্যালয় চত্ত্বরে ইফতার মাহফিলের পূর্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাজী জহুরুল ইসলাম বাদশা’র সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার সহ কর্মরত শিক্ষকবৃন্দ সহ প্রায় ৩শ শিক্ষার্থী।

১৯৯৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীদের এক মিলন মেলায় পরিণত হয়েছিল। সচরাচর একসাথে কখনো এভাবে দেখা হয়নি তাদের। সবার সাথে দেখা হয়ে পুরনো স্মৃতি মনে করছেন তারা। পুরনো বন্ধুকে কাছে পেয়ে অনেকে করছেন জোড়াজুড়ি কোলাকুলি আবার কেউ তুলছেন ছবি। কয়েকজন প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায় তাদের অনুভূতির কথা।

২০১৫ সালের প্রাক্তন শিক্ষার্থী রাজু মিয়া বলেন, এই আয়োজনটি অত্যন্ত সুন্দর। আমি এখানে এসে শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষকদের দেখতে পাচ্ছি। পাশাপাশি সহপাঠিদের সাথে কুশল বিনিময় করছি।

২০১৪ সালের প্রাক্তন শিক্ষার্থী রিফাত ইসলাম জানান, তিনি এখানে এসে সবাইকে পেয়ে অনেক খুশি। প্রতিবছর এমন একটি দিন আসুক তিনি কামনা করেন। পরে সবার মঙ্গল কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন উক্ত বিদ্যালয়ের সহকারী মৌলভী শিক্ষক আবুল হাশেম মিয়া।