বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে ভাবিকে পিটিয়ে যখম করলেন দেবর

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় নাদিরা আকতার বানু (৪৪) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে যখম ও শ্লিলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ তার দেবর হেলাজুর খন্দকারের (৩৮) বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এ ঘটনায় সাদুল্লাপুর থানায় অভিযোগ দাখিল করেছে ওই নারী।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে হেলাজুর খন্দাকারের সঙ্গে তার ভাই আবু জাফরের স্ত্রী নাদিরা আকতার বানুর পারিবারিক বিষয়ে মনোমানিল্য চলে আসছিল। এরই একপর্যায়ে গত ৫ এপ্রিল বিকেলের দিকে নাদিরা আকতার তার ছেলেকে নিয়ে ভ্যানযোগে গাইবান্ধার উদ্দেশ্য বাড়ি থেকে বের হন। এরপর রসুলপুর ফকিরপাড়ার এছার আলীর বাড়ির সংলগ্ন স্থানে পৌঁছালে হেলাজুর খন্দকার মোটরসাইকেল নিয়ে তাকে পথরোধ করেন। তখন নাদিরাকে ভ্যান থেকে নেমে নিয়ে বেধরক মারপিটসহ শ্লিলতাহানী ঘটনায়। এসময় নাদিরা গুরুতর আহত হয়। এ সুযোগে তার গলায় থাকা দেড়ভরি ওজনের স্বর্ণের হার ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন হেলাজুর খন্দকার। এ অবস্থায় আহত নাদিরাকে উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায় স্বজনরা।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগি নাদিরা আকতার বানু বলেন, হেলাজুর খন্দকার দীর্ঘদিন ধরে আমার পরিবারে ক্ষতির চেষ্টা করে আসছিলেন। ঘটনার দিন হেলাজুর সন্ত্রাসী কায়দায় আমাকে পথরোধ করে খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করেছে। একই সঙ্গে মারপিট ও শ্লিলতাহানী করাসহ আমার গলার র্স্বণের হার ছিনিয়ে নিয়েছে। এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হেলাজুর খন্দকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

সাদুল্লাপুরে ভাবিকে পিটিয়ে যখম করলেন দেবর

প্রকাশের সময়: ০৩:০২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ এপ্রিল ২০২৪

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় নাদিরা আকতার বানু (৪৪) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে যখম ও শ্লিলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ তার দেবর হেলাজুর খন্দকারের (৩৮) বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এ ঘটনায় সাদুল্লাপুর থানায় অভিযোগ দাখিল করেছে ওই নারী।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে হেলাজুর খন্দাকারের সঙ্গে তার ভাই আবু জাফরের স্ত্রী নাদিরা আকতার বানুর পারিবারিক বিষয়ে মনোমানিল্য চলে আসছিল। এরই একপর্যায়ে গত ৫ এপ্রিল বিকেলের দিকে নাদিরা আকতার তার ছেলেকে নিয়ে ভ্যানযোগে গাইবান্ধার উদ্দেশ্য বাড়ি থেকে বের হন। এরপর রসুলপুর ফকিরপাড়ার এছার আলীর বাড়ির সংলগ্ন স্থানে পৌঁছালে হেলাজুর খন্দকার মোটরসাইকেল নিয়ে তাকে পথরোধ করেন। তখন নাদিরাকে ভ্যান থেকে নেমে নিয়ে বেধরক মারপিটসহ শ্লিলতাহানী ঘটনায়। এসময় নাদিরা গুরুতর আহত হয়। এ সুযোগে তার গলায় থাকা দেড়ভরি ওজনের স্বর্ণের হার ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন হেলাজুর খন্দকার। এ অবস্থায় আহত নাদিরাকে উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায় স্বজনরা।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগি নাদিরা আকতার বানু বলেন, হেলাজুর খন্দকার দীর্ঘদিন ধরে আমার পরিবারে ক্ষতির চেষ্টা করে আসছিলেন। ঘটনার দিন হেলাজুর সন্ত্রাসী কায়দায় আমাকে পথরোধ করে খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করেছে। একই সঙ্গে মারপিট ও শ্লিলতাহানী করাসহ আমার গলার র্স্বণের হার ছিনিয়ে নিয়েছে। এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হেলাজুর খন্দকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।