বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাতি দিয়ে চাঁদাবাজির দায়ে দুই যুবকের কারাদণ্ড

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় হাতি দিয়ে চাঁদাবাজির দায়ে দুই যুবককে ৬ মাসের করে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক। এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজ উদ্দিন।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন সড়কে ও স্থানে হাতিদের ব্যবহার করে পথচারীদের নিকট চাঁদা আদায় করছিলেন মাহুতরা। এতে সংক্ষুদ্ধ ছিলেন জনগণ। উপজেলার খানসামা ডিগ্রি কলেজের সামনে থেকে গত ১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হাতিসহ দুই মাহুতকে আটক করা হয়। এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে নাচোল উপজেলার কাজলা গ্রামের সাগর ইসলামের ছেলে আজিজুল হক (২১) ও শিবগঞ্জ উপজেলার হুদাবালা গ্রামের সুবহান আলীর ছেলে মো. ইয়াছিন ইসলাম (২০) কে আটক করা হয়। উপজেলা প্রশাসন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলাম, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা এবং বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক নুরুন নাহার, উপজেলা বন কর্মকর্তা মঞ্জুরুল কাদেরের উপস্থিতিতে দুই মাহুতকে সাজা প্রদান করা হয়। পরে হাতিটিকে অন্য এক মাহুতের জিম্মায় হস্তান্তর করে উপজেলা বন বিভাগ।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলাম বলেন, হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি করার অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত দুই যুবককে বুধবার সকালে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। যেকোনো অপরাধ প্রতিরোধে সকলের সচেতনতা প্রয়োজন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. তাজ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জাগো২৪.নেট-কে বলেন, জোরপূর্বক বন্যপ্রাণি ব্যবহার করে চাঁদাবাজি অমানবিক। এটি মেনে নেয়া যায় না। তাই জনগণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ অনুযায়ী তাঁদের শাস্তি প্রদান করা হয়।

 

হাতি দিয়ে চাঁদাবাজির দায়ে দুই যুবকের কারাদণ্ড

প্রকাশের সময়: ০৫:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় হাতি দিয়ে চাঁদাবাজির দায়ে দুই যুবককে ৬ মাসের করে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক। এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজ উদ্দিন।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন সড়কে ও স্থানে হাতিদের ব্যবহার করে পথচারীদের নিকট চাঁদা আদায় করছিলেন মাহুতরা। এতে সংক্ষুদ্ধ ছিলেন জনগণ। উপজেলার খানসামা ডিগ্রি কলেজের সামনে থেকে গত ১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হাতিসহ দুই মাহুতকে আটক করা হয়। এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে নাচোল উপজেলার কাজলা গ্রামের সাগর ইসলামের ছেলে আজিজুল হক (২১) ও শিবগঞ্জ উপজেলার হুদাবালা গ্রামের সুবহান আলীর ছেলে মো. ইয়াছিন ইসলাম (২০) কে আটক করা হয়। উপজেলা প্রশাসন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলাম, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা এবং বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক নুরুন নাহার, উপজেলা বন কর্মকর্তা মঞ্জুরুল কাদেরের উপস্থিতিতে দুই মাহুতকে সাজা প্রদান করা হয়। পরে হাতিটিকে অন্য এক মাহুতের জিম্মায় হস্তান্তর করে উপজেলা বন বিভাগ।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলাম বলেন, হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি করার অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত দুই যুবককে বুধবার সকালে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। যেকোনো অপরাধ প্রতিরোধে সকলের সচেতনতা প্রয়োজন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. তাজ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জাগো২৪.নেট-কে বলেন, জোরপূর্বক বন্যপ্রাণি ব্যবহার করে চাঁদাবাজি অমানবিক। এটি মেনে নেয়া যায় না। তাই জনগণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ অনুযায়ী তাঁদের শাস্তি প্রদান করা হয়।