বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নবাবগন্জে জাল দলিল তৈরির অপরাধে দুই ইউপি চেয়ারম্যান জেলহাজতে

দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জে জাল দলিল তৈরি করে জমি দখলের অভিযোগে ভাদুরিয়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান বাবুল আহসান কবীর ওরফে শামীম ও তার বাবা সাবেক চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানকে (৬৬) জেলে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

সোমবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গিয়াসউদ্দিন এ আদেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী এমদাদুল হকের বাবা মৃত আব্দুল লতিফ মিয়া ও চাচা আব্দুর রহমান ১৯৬৫ সালে তাদের মায়ের মৃত্যুর পর সম্পত্তি সমূহ নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয়। ১৯৯৭ সালের ২৬ নভেম্বর সেরাজ উদ্দিন ৫৬ শতাংশ তার স্ত্রী ও ৮১ শতাংশ বদিউজ্জামান ও মনিরুজ্জামানের নিকট বিক্রি করেন।

সেই সূত্রে আব্দুর রহমান তাদের সঙ্গে একত্রে মাছ চাষ করে আসছিলেন। দুই বছর আগে সাবেক চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান ও তার ছেলে ওই সম্পত্তি নিজেদের দাবি করে মাছ চাষে বাঁধা প্রদান করেন।

গত ৬ জানুয়ারি ২০২৩ সালে নবাবগঞ্জ  থানায় একটি সালিশ বৈঠক হয়। সালিশে ১৯৬৪ সালে জমি ক্রয় করেছেন বলে আসামিরা একটি দলিলের ফটোকপি দেখিয়ে পুকুরের রহমানের অংশও নিজেদের দাবি করেন। যা সম্পূর্ণ জাল দলিল বলে প্রমাণিত হয়। এ ঘটনায় বাদী হয়ে মামলা করেন এমদাদুল হক। দীর্ঘ বিচার কাজ শেষে আদালত গত সোমবার(২২শে এপ্রিল) এ রায় দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের পুলিশ পরিদর্শক একেএম লিয়াকত আলী জাগো২৪.নেট-কে জানান, জমিজমা (সিআর) মামলায় আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করতে এলে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। এ ঘটনায় বিকেলে বাবা ও ছেলেকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

নবাবগন্জে জাল দলিল তৈরির অপরাধে দুই ইউপি চেয়ারম্যান জেলহাজতে

প্রকাশের সময়: ০৫:৫৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪

দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জে জাল দলিল তৈরি করে জমি দখলের অভিযোগে ভাদুরিয়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান বাবুল আহসান কবীর ওরফে শামীম ও তার বাবা সাবেক চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানকে (৬৬) জেলে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

সোমবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গিয়াসউদ্দিন এ আদেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী এমদাদুল হকের বাবা মৃত আব্দুল লতিফ মিয়া ও চাচা আব্দুর রহমান ১৯৬৫ সালে তাদের মায়ের মৃত্যুর পর সম্পত্তি সমূহ নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয়। ১৯৯৭ সালের ২৬ নভেম্বর সেরাজ উদ্দিন ৫৬ শতাংশ তার স্ত্রী ও ৮১ শতাংশ বদিউজ্জামান ও মনিরুজ্জামানের নিকট বিক্রি করেন।

সেই সূত্রে আব্দুর রহমান তাদের সঙ্গে একত্রে মাছ চাষ করে আসছিলেন। দুই বছর আগে সাবেক চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান ও তার ছেলে ওই সম্পত্তি নিজেদের দাবি করে মাছ চাষে বাঁধা প্রদান করেন।

গত ৬ জানুয়ারি ২০২৩ সালে নবাবগঞ্জ  থানায় একটি সালিশ বৈঠক হয়। সালিশে ১৯৬৪ সালে জমি ক্রয় করেছেন বলে আসামিরা একটি দলিলের ফটোকপি দেখিয়ে পুকুরের রহমানের অংশও নিজেদের দাবি করেন। যা সম্পূর্ণ জাল দলিল বলে প্রমাণিত হয়। এ ঘটনায় বাদী হয়ে মামলা করেন এমদাদুল হক। দীর্ঘ বিচার কাজ শেষে আদালত গত সোমবার(২২শে এপ্রিল) এ রায় দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের পুলিশ পরিদর্শক একেএম লিয়াকত আলী জাগো২৪.নেট-কে জানান, জমিজমা (সিআর) মামলায় আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করতে এলে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। এ ঘটনায় বিকেলে বাবা ও ছেলেকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।