বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানির নদী থেকে অবৈধভাবে বালু  উত্তোলন বানিজ্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও চাঁদাবাজি অভিযোগ এনে বালু ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বাদি হয়ে এই মামলা করেন। 

বুধবার (২৪ এপ্রিল) মামলাটি দায়ের বিষয়টি  থানা সুত্রে জানা গেছে। 

এতে আসামি করা হয়- আনন্দ টিভির গাইবান্ধা প্রতিনিধি মিলন খন্দকার, ডেইলি ট্রাইবুনালের জেলা প্রতিনিধি সুমন মিয়া ও নাগরিক ভাবনা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি রিয়ন ইসলাম রকিকে। 

জানা যায়, কামারজানির যমুনা নদী  থেকে একদল সঙ্ঘবদ্ধ বালু তুলে অবাধে বিক্রি করেন। এতে করে ওই এলাকার ফসলি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা হুমকির মুখে পড়ে। এরই মধ্যে এই বালু সংঘবদ্ধদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শিরোনামে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। 

এদিকে, এই বালু উত্তোলনে জড়িত চক্রটির বিরুদ্ধে কামারজানি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা খন্দকার আজিজুর রহমান বাদী হয়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এছাড়াও অবৈধভাবে বালু তোলার কারনে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অবৈধ বালু কারবারি জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে তিন সাংবাদিকের নামে মামলা দায়ের করেন।  

এসব তথ্য নিশ্চিত করে মামলার আসামি সুমন মিয়া বলেন,  পরিকল্পিতভাবে আমাদের তিনজনের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মামলার বাদি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমার কাছে চাঁদা দাবি করায়   ওই তিনজনের  বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি। 

গাইবান্ধা সদর থানার ওসি মাসুদ রানা বলেন, ছিনতাই-চাঁদাবাজির অভিযোগে ওই তিনজনকে আসামি করে জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তি একটি এজাহার দাখিল করেছে। 

গাইবান্ধায় ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশের সময়: ০১:১০:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানির নদী থেকে অবৈধভাবে বালু  উত্তোলন বানিজ্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও চাঁদাবাজি অভিযোগ এনে বালু ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বাদি হয়ে এই মামলা করেন। 

বুধবার (২৪ এপ্রিল) মামলাটি দায়ের বিষয়টি  থানা সুত্রে জানা গেছে। 

এতে আসামি করা হয়- আনন্দ টিভির গাইবান্ধা প্রতিনিধি মিলন খন্দকার, ডেইলি ট্রাইবুনালের জেলা প্রতিনিধি সুমন মিয়া ও নাগরিক ভাবনা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি রিয়ন ইসলাম রকিকে। 

জানা যায়, কামারজানির যমুনা নদী  থেকে একদল সঙ্ঘবদ্ধ বালু তুলে অবাধে বিক্রি করেন। এতে করে ওই এলাকার ফসলি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা হুমকির মুখে পড়ে। এরই মধ্যে এই বালু সংঘবদ্ধদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শিরোনামে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। 

এদিকে, এই বালু উত্তোলনে জড়িত চক্রটির বিরুদ্ধে কামারজানি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা খন্দকার আজিজুর রহমান বাদী হয়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এছাড়াও অবৈধভাবে বালু তোলার কারনে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অবৈধ বালু কারবারি জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে তিন সাংবাদিকের নামে মামলা দায়ের করেন।  

এসব তথ্য নিশ্চিত করে মামলার আসামি সুমন মিয়া বলেন,  পরিকল্পিতভাবে আমাদের তিনজনের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মামলার বাদি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমার কাছে চাঁদা দাবি করায়   ওই তিনজনের  বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি। 

গাইবান্ধা সদর থানার ওসি মাসুদ রানা বলেন, ছিনতাই-চাঁদাবাজির অভিযোগে ওই তিনজনকে আসামি করে জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তি একটি এজাহার দাখিল করেছে।