তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মাসুদ মিয়া (৯)। শৈশবের দূরন্তপনায় বাড়ি থেকে বের হয় রাস্তায়। এরই মধ্যে পাচারকারী দলের এক সদস্য অভিনব কৌশলে শিশুর মুখে রুমাল দিয়ে অচেতন করে। এরপর ট্রেনযোগে বগুড়া পৌঁছিলে জ্ঞান ফিরে শিশুর। এরই মধ্যে পাচারকারীর হাত থেকে পালিয়ে আরেক ট্রেনে গাইবান্ধায় পৌছেঁ এই শিশু মাসুদ মিয়া।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) গাইবান্ধা রেলওয়ে স্টেশন থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এখানে এক সিকিউরিটির হেফাজতে থাকা মাসুদ মিয়াকে বাড়িতে নিয়ে আসে তার বাবা মজনু মিয়া, নানা মোহাম্মদ আলী ও জেলাল আকন্দ।
মাসুদ মিয়া সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের মধ্য দামোদরপুর গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে। সে একই উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের নানা মোহাম্মদ আলীর বাড়ি থেকে লেখাপাড়া করছে। স্থানীয় এনায়েতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে অধ্যায়নরত।
স্বজনরা জানায়, বুধবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরের দিকে মাসুদ মিয়া খেলাধুলা করার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর এনায়েতপুর বাজারের একটু অদুরে রাস্তার পাশে একাই খেলা করছিল। এরই মধ্যে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি সুযোগ বুঝে মাসুদ মিয়ার মুখে একটি রুমাল দিয়ে ঘ্রাণ দেয়। তাৎক্ষণিক সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় তাকে ট্রেনযোগে পাচার করে নিয়ে বগুড়া পৌঁছায়। এসময় মাসুদের জ্ঞান ফিরলে সে কৌশলে পালিয়ে আরেকটি ট্রেনে গাইবান্ধা স্টেশনে ফিরে আসে।
এ তথ্য নিশ্চিত করে মাসুদ মিয়ার নানা মোহাম্মদ আলী বলেন, বুধবার দুপুরের দিকে শিশুটি নিখোঁজ হলে মাইক প্রচার করা হয়। এরই একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে গাইবান্ধা রেলওয়ে স্টেশন থেকে মাসুদকে উদ্ধার করা হয়েছে। এটি একটি মানব পাচারীরকারী চক্র জানান মোহাম্মদ আলী।
তোফায়েল হোসেন জাকির 


















