মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে পরকীয়ার টানে অনৈতিক কাজে হাতেনাতে ধরা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় পরকীয়ার টানে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হতেই হাতেনাতে ধরা খেয়েছেন নিরঞ্জন চন্দ্র (৪০) নামের অটোরিকশা চালকসহ এক গৃহবধূ।

এ ঘটনায় রোববার (২১ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী দেনদরবারের পর আটক নারী ও তার স্বামীর মধ্যে খোলা তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে অভিযুক্ত নারী পিপাসু নিরঞ্জন চন্দ্রের বিচার নিয়ে নানান জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের তরফবাজিত গ্রামের ধরনী চন্দ্রের ছেলে অটোরিকশা চালক একই ইউনিয়নের আরাজী জামালপুর গ্রামের মুসলিম পরিবারে এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়া করে আসছিলেন। ওই নারীর স্বামী জীবিকার তাগিতে বাড়িতে না থাকার সুবাদে নিরঞ্জন চন্দ্র প্রায়ই নারীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে নিরঞ্জন চন্দ্র ওই গৃহবধূর ঘরে গিয়ে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হন। এসময় স্থানীয়রা টের পেয়ে তাদের হাতেনাতে আটক করেন। তারপর দুজনের হাত রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। এমন খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ওই বেরসিকদের দেখতে শত শত নারী-পুরুষের ভির জমতে থাকে। এক পর্যায়ে ঘটনাটি চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুরের জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহিদ হাসান শুভ বলেন, আটককৃত ওই নারী-পুরুষের অনৈতিক ঘটনার ব্যাপারে স্থানীয়দের নিয়ে বসা হয়। সেখানে নারী ও তার স্বামীর মধ্যে খোলা তালাকের সিদ্ধান্ত হয়। আর অভিযুক্ত নিরঞ্জন চন্দ্রের অসামাজিক কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য তার কাছে অঙ্গিকারনামা নেওয়া হবে।

সাদুল্লাপুরে পরকীয়ার টানে অনৈতিক কাজে হাতেনাতে ধরা

প্রকাশের সময়: ০৭:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় পরকীয়ার টানে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হতেই হাতেনাতে ধরা খেয়েছেন নিরঞ্জন চন্দ্র (৪০) নামের অটোরিকশা চালকসহ এক গৃহবধূ।

এ ঘটনায় রোববার (২১ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী দেনদরবারের পর আটক নারী ও তার স্বামীর মধ্যে খোলা তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে অভিযুক্ত নারী পিপাসু নিরঞ্জন চন্দ্রের বিচার নিয়ে নানান জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের তরফবাজিত গ্রামের ধরনী চন্দ্রের ছেলে অটোরিকশা চালক একই ইউনিয়নের আরাজী জামালপুর গ্রামের মুসলিম পরিবারে এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়া করে আসছিলেন। ওই নারীর স্বামী জীবিকার তাগিতে বাড়িতে না থাকার সুবাদে নিরঞ্জন চন্দ্র প্রায়ই নারীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে নিরঞ্জন চন্দ্র ওই গৃহবধূর ঘরে গিয়ে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হন। এসময় স্থানীয়রা টের পেয়ে তাদের হাতেনাতে আটক করেন। তারপর দুজনের হাত রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। এমন খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ওই বেরসিকদের দেখতে শত শত নারী-পুরুষের ভির জমতে থাকে। এক পর্যায়ে ঘটনাটি চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুরের জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহিদ হাসান শুভ বলেন, আটককৃত ওই নারী-পুরুষের অনৈতিক ঘটনার ব্যাপারে স্থানীয়দের নিয়ে বসা হয়। সেখানে নারী ও তার স্বামীর মধ্যে খোলা তালাকের সিদ্ধান্ত হয়। আর অভিযুক্ত নিরঞ্জন চন্দ্রের অসামাজিক কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য তার কাছে অঙ্গিকারনামা নেওয়া হবে।