রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের সিরিজ জয়

ডানেডিনের পর ক্রাইস্টচার্চেও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে হারল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৫ উইকেটের জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

টস হেরে ব্যাট করে ২৭১ রানের লড়াকু পুজিই পায় বাংলাদেশ। জবাবে হ্যাগলি ওভালে রেকর্ড রান তাড়া করে জয়ের নতুন রেকর্ড গড়ে কিউইরা।

এ ম্যাচেও টস ভাগ্যে বাংলাদেশের হার। শুরুতেই খোয়া যায় লিটন দাসের উইকেট। ৮১ রানের জুটিতে সেই ধাক্কা সামলে নেন তামিম-সৌম্য। ৩২ করে ফেরেন সৌম্য। প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে ফিফটির ফিফটি পুরো করেছেন ড্যাশিং ওপেনার তামিম। কাটা পড়েছেন ৭৮ রানে। ৩৪ রান করে ফেরেন মুশফিক। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। এরপর লড়াই করেছেন মিঠুন একাই। মূলত রানের গতি বাড়ান তিনিই। বাকিরা ধীর গতির হলেও মিঠুনের ব্যাট চলছে দ্রুত। ছক্কা মেরে স্পর্শ করেন হাফসেঞ্চুরি। মিঠুনের হাফসেঞ্চুরিতে আড়াইশো পার করে বাংলাদেশ। ক্যারিয়ারের সেরা ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন মিঠুন।

লড়াকু পুজি নিয়েও বাজে ফিল্ডিংয়ের খেসারত দিয়েছে বাংলাদেশ। শুরুতে স্বাগতিকদের চেপে ধরে টাইগার বোলাররা। মুস্তাফিজ আর মাহেদী হাসানের তোপে ৫৩ রানে হারায় তিন উইকেট। এরপর বারবার সুযোগ মিস করায় খেলায় আর ফিরে আসতে পারেনি টাইগাররা। নকশায় বদল এনেছেন কনওয়ে ও টম ল্যাথাম। ক্ল্যাসিক ক্রিকেটে দুজনের ১০৭ রানের পার্টনারশিপ। ৭২ রানে কর্নওয়ে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরলে টম ল্যাথামের অপরাজিত ১১০ ভর করে পাঁচ উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে নেয় কিউইরা।

জনপ্রিয়

বাংলাদেশের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের সিরিজ জয়

প্রকাশের সময়: ০৬:০২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১
ডানেডিনের পর ক্রাইস্টচার্চেও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে হারল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৫ উইকেটের জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

টস হেরে ব্যাট করে ২৭১ রানের লড়াকু পুজিই পায় বাংলাদেশ। জবাবে হ্যাগলি ওভালে রেকর্ড রান তাড়া করে জয়ের নতুন রেকর্ড গড়ে কিউইরা।

এ ম্যাচেও টস ভাগ্যে বাংলাদেশের হার। শুরুতেই খোয়া যায় লিটন দাসের উইকেট। ৮১ রানের জুটিতে সেই ধাক্কা সামলে নেন তামিম-সৌম্য। ৩২ করে ফেরেন সৌম্য। প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে ফিফটির ফিফটি পুরো করেছেন ড্যাশিং ওপেনার তামিম। কাটা পড়েছেন ৭৮ রানে। ৩৪ রান করে ফেরেন মুশফিক। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। এরপর লড়াই করেছেন মিঠুন একাই। মূলত রানের গতি বাড়ান তিনিই। বাকিরা ধীর গতির হলেও মিঠুনের ব্যাট চলছে দ্রুত। ছক্কা মেরে স্পর্শ করেন হাফসেঞ্চুরি। মিঠুনের হাফসেঞ্চুরিতে আড়াইশো পার করে বাংলাদেশ। ক্যারিয়ারের সেরা ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন মিঠুন।

লড়াকু পুজি নিয়েও বাজে ফিল্ডিংয়ের খেসারত দিয়েছে বাংলাদেশ। শুরুতে স্বাগতিকদের চেপে ধরে টাইগার বোলাররা। মুস্তাফিজ আর মাহেদী হাসানের তোপে ৫৩ রানে হারায় তিন উইকেট। এরপর বারবার সুযোগ মিস করায় খেলায় আর ফিরে আসতে পারেনি টাইগাররা। নকশায় বদল এনেছেন কনওয়ে ও টম ল্যাথাম। ক্ল্যাসিক ক্রিকেটে দুজনের ১০৭ রানের পার্টনারশিপ। ৭২ রানে কর্নওয়ে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরলে টম ল্যাথামের অপরাজিত ১১০ ভর করে পাঁচ উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে নেয় কিউইরা।