রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে লোহার খনির সন্ধান লাভ

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে একটি নতুন লোহার খনি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ভূ-তাত্তি¡ক জরিপ অধিদফতর (জিএসবি) সম্ভাব্য খনির অবস্থান চিহ্নিত করেছে। উপজেলার পুনট্টি ইউনিয়নের কেশবপুর মৌজায় নতুন সম্ভাব্য খনির অবস্থান চিহ্নিত করেছে জিএসবি। কেবারউদ্দিন মোল্লার ২৪ শতাংশ জমিতে খনন কাজের সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। কেবারউদ্দিন মোল্লা জানান, তাঁকে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমের জমি চুকানী (চুক্তি) অনুযায়ী বাজার মূল্যে টাকা প্রদান করা হয়েছে। দফতরের অনুসন্ধানী দল এরই মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কূপ খননের কাজেও নেমেছে। প্রথম তিন মাস কূপ খনন করে খনিজ সম্পদের অনুসন্ধান কাজ চলবে। তারই শেষ মূর্হুতের প্রস্তুতি চলছে। নতুন খনিতে লোহার কাঁচামাল আকরের পুরুত্ব অনেক বেশি। তাই লোহার সঙ্গে তামাসহ অন্যান্য মূল্যবান সম্পদ পাওয়ার আশাও করছেন তারা। খনন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ নিয়ে আসা হচ্ছে কেশবপুরে। সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ ভূ-তাত্তি¡ক জরিপ অধিদফতর-জিএসবি‘র মহাপরিচালক ড. মো. শের আলী কূপ খনন কাজের উদ্বোধন করবেন। এর আগে তারা কিছুই বলতে চান না।

এ ব্যাপারে পুনট্টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. নুর-এ-কামাল জানান, বাংলাদেশ ভূ-তাত্তি¡ক জরিপ অধিদফতরের পরিচালক মো. আব্দুুল আজিজ পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত জেলা প্রশাসককে দেয়া একটি চিঠির অনুলিপি পেয়েছেন তিনি। চিঠিতে কেশবপুর এলাকায় জিডিএইচ-৭৬/২১ কূপ খনন কার্যক্রমে বহিরাঙ্গনে অবস্থানকালে কর্মকর্তাদের আনুষঙ্গিক সহায়তা, নিরাপত্তা, তথ্য ও উপাত্ত সরবরাহ, যাতায়াত, পথ প্রদর্শন প্রদানে সহযোগিতার অনুরোধ করা হয়েছে। এই চিঠি পুলিশ সুপার, চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও চিরিরবন্দর থানাকে দেয়া হয়েছে।

কূপ খনন কাজে দল প্রধান হিসাবে রয়েছেন উপ পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশলী) মো. মাসুদ রানা। তার সঙ্গে রয়েছেন উপ পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশলী) মো. নিহাজুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশলী) মো. নাজমুল হোসেন খান, সহকারী পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশলী) মঞ্জুর আহমেদ এলাহী ও সহকারী পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশলী) মো. রোকনুজ্জামান।

জনপ্রিয়

চিরিরবন্দরে লোহার খনির সন্ধান লাভ

প্রকাশের সময়: ০৭:০২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে একটি নতুন লোহার খনি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ভূ-তাত্তি¡ক জরিপ অধিদফতর (জিএসবি) সম্ভাব্য খনির অবস্থান চিহ্নিত করেছে। উপজেলার পুনট্টি ইউনিয়নের কেশবপুর মৌজায় নতুন সম্ভাব্য খনির অবস্থান চিহ্নিত করেছে জিএসবি। কেবারউদ্দিন মোল্লার ২৪ শতাংশ জমিতে খনন কাজের সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। কেবারউদ্দিন মোল্লা জানান, তাঁকে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমের জমি চুকানী (চুক্তি) অনুযায়ী বাজার মূল্যে টাকা প্রদান করা হয়েছে। দফতরের অনুসন্ধানী দল এরই মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কূপ খননের কাজেও নেমেছে। প্রথম তিন মাস কূপ খনন করে খনিজ সম্পদের অনুসন্ধান কাজ চলবে। তারই শেষ মূর্হুতের প্রস্তুতি চলছে। নতুন খনিতে লোহার কাঁচামাল আকরের পুরুত্ব অনেক বেশি। তাই লোহার সঙ্গে তামাসহ অন্যান্য মূল্যবান সম্পদ পাওয়ার আশাও করছেন তারা। খনন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ নিয়ে আসা হচ্ছে কেশবপুরে। সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ ভূ-তাত্তি¡ক জরিপ অধিদফতর-জিএসবি‘র মহাপরিচালক ড. মো. শের আলী কূপ খনন কাজের উদ্বোধন করবেন। এর আগে তারা কিছুই বলতে চান না।

এ ব্যাপারে পুনট্টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. নুর-এ-কামাল জানান, বাংলাদেশ ভূ-তাত্তি¡ক জরিপ অধিদফতরের পরিচালক মো. আব্দুুল আজিজ পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত জেলা প্রশাসককে দেয়া একটি চিঠির অনুলিপি পেয়েছেন তিনি। চিঠিতে কেশবপুর এলাকায় জিডিএইচ-৭৬/২১ কূপ খনন কার্যক্রমে বহিরাঙ্গনে অবস্থানকালে কর্মকর্তাদের আনুষঙ্গিক সহায়তা, নিরাপত্তা, তথ্য ও উপাত্ত সরবরাহ, যাতায়াত, পথ প্রদর্শন প্রদানে সহযোগিতার অনুরোধ করা হয়েছে। এই চিঠি পুলিশ সুপার, চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও চিরিরবন্দর থানাকে দেয়া হয়েছে।

কূপ খনন কাজে দল প্রধান হিসাবে রয়েছেন উপ পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশলী) মো. মাসুদ রানা। তার সঙ্গে রয়েছেন উপ পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশলী) মো. নিহাজুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশলী) মো. নাজমুল হোসেন খান, সহকারী পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশলী) মঞ্জুর আহমেদ এলাহী ও সহকারী পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশলী) মো. রোকনুজ্জামান।