গাইবান্ধা জেলা আওয়ামীলীগের উপদপ্তর সম্পাদক মাসুদ রানার বাসা থেকে হাসান আলী (৪৫) নামের এক জুতা ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
রোববার (১১ এপ্রিল) গাইবান্ধা জেলা শহরের ডিবি রোডে আসাদুজ্জামান মার্কেটের সামনে গাইবান্ধাবাসির ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে নিহত হাসান আলীর স্ত্রী বিথি বেগম, ছোট ছেলে হেদায়েতুল ইসলাম শাফিনসহ জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য আমিনুল ইসলাম গোলাপ, পরিবেশ আন্দোলন জেলা সভাপতি ওয়াজিউর রহমান রাফেল, দোকান মালিক সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকছুদার রহমান শাহান, জেলা জাসদ সভাপতি গোলাম মারফ মনা, জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাবু, সিপিবি জেলা সভাপতি মিহির ঘোষ,বাসদ মার্কসবাদী নেতা কাজী আবু রাহেন শফিউল্ল্যাহ, উদীচী জেলা সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল গণি রিজন প্রমুখ।
বক্তরা এই হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, দাদন ব্যবসায়ী ও আওয়ামীলীগ নেতা মাসুদ রানার শাস্তির দাবি জানান। সেই সঙ্গে পুলিশের দায়িত্বহীনতার কারণে সদর থানার ওসি মাহফুজুর রহমানের অপসারনের দাবি জানানো হয়।
প্রসঙ্গত: প্রসঙ্গত, গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের উপদফতর সম্পাদক মাসুদ রানা একজন দাদন ব্যবসায়ী। গাইবান্ধা শহরের থানাপাড়ার বাসিন্দা ও জুতা ব্যবসায়ী হাসান আলীর কাছে সুদের টাকা পাওনা ছিল তার। এই টাকার জন্য হাসান আলীকে বাসায় জিম্মি করে রাখছিলেন। সেখানে টাকা পরিশোধের ব্যর্থ হওয়ায় মাসুদের বাসায় আত্নহত্যা করে হাসান আলী। শনিবার এ ঘটনায় পুলিশ তার লাশ উদ্ধারসহ আওয়ামীলীগ নেতা মাসুদ রানাকে আটক করে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 















