সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লাল-সবুজ রঙে সাজিয়েছে ‘পুষ্টি বাগান’

তোফায়েল হোসেন জাকির: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপনে সাড়া ফেলেছে কৃষকরা। পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পুরণের লক্ষ্যে বসতবাড়ির আঙ্গিনায় উৎপাদন করা হচ্ছে নানা জাতের শাক-সবজি। সম্প্রতি যেন লাল-সবুজ রঙে সাজিয়ে উঠেছে বাগানগুলো।

সরেজমিনে বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামের বসতবাড়ির আঙ্গিনায় দেখা যায় পারিবারিক পুষ্টি বাগানের সমাহার। এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রেজা-ই-মাহমুদসহ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছিলেন।

জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশানা, এক ইঞ্চি জমিও ফাঁকা রাখা যাবে না। এ নির্দেশনাকে সামনে রেখে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি বিভাগ কাজ করছে মাঠে। প্রতিটি চাষির বাড়িতে পরিকল্পিত শাক-সবজি বাগান তৈরি করে খাদ্য-পুষ্টি ও আয় বৃদ্ধিসহ জাতীয় উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন করে চলেছে। ইতিমধ্যে বসতবাড়ির পতিত উচু জায়গা নিবিড় শাক-সবজি উৎপাদন শুরু করছে কৃষক-গৃহস্থালিরা।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় পুষ্টি বাগান স্থাপন করে চলছেন তারা। অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান নামের প্রকল্প এটি বাস্তবায়ন করছে। পরিবারের সদস্যদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তিন মৌসুমে শাক-সবজি উৎপাদন করা হচ্ছে। এর মধ্যে খরিপ-১ ও ২ মৌসুমে চাষ করা হচ্ছে, লাল শাক, পুঁইশাক, বেগুন, ঢেঁড়স, মরিচ, বরবটি, করলা, গাঁজর, মিষ্টি কুমড়া পিঁয়াজ ও পেঁপেঁ। এছাড়াও রবি মৌসুমে ফুলকপি, লাউ, মূলা, কলমী শাক, ধনেয়া ও সীমসহ আরও বিভিন্ন ধরণের শাক-সবজি উৎপাদন করা হচ্ছে।

কৃষক নজরুল ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে বলেন, উপজেলা কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় বেড পদ্ধতিতে নানা ধরণের শাক-সবজি উৎপাদন করা হয়। এ থেকে পরিবারের চাহিদা মিটিয়েও হাট-বাজারে বিক্রি করে আয় বৃদ্ধি হচ্ছে। বিশেষ করে করোনা পরিস্থিতিতে পুষ্টি বাগানে শ্রম দিয়ে সময় কাটছে বলে জানান তিনি।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রেজা-ই-মাহমুদ জাগো২৪.নেট-কে জানান, পারিবারিক পুষ্টি বাগান মালিকদের প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনা দেয়াসহ তাদের অধিক ফসল ফলাতে সর্বাত্নক চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক বসতভিটায় এক টুকরা জায়গাকে পরিকল্পিত উপায়ে আবাদ করা হলে বছর জুড়ে শাক-সবজি উৎপাদন করা সম্ভব।

 

লাল-সবুজ রঙে সাজিয়েছে ‘পুষ্টি বাগান’

প্রকাশের সময়: ০৫:৩২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অগাস্ট ২০২১

তোফায়েল হোসেন জাকির: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপনে সাড়া ফেলেছে কৃষকরা। পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পুরণের লক্ষ্যে বসতবাড়ির আঙ্গিনায় উৎপাদন করা হচ্ছে নানা জাতের শাক-সবজি। সম্প্রতি যেন লাল-সবুজ রঙে সাজিয়ে উঠেছে বাগানগুলো।

সরেজমিনে বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামের বসতবাড়ির আঙ্গিনায় দেখা যায় পারিবারিক পুষ্টি বাগানের সমাহার। এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রেজা-ই-মাহমুদসহ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছিলেন।

জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশানা, এক ইঞ্চি জমিও ফাঁকা রাখা যাবে না। এ নির্দেশনাকে সামনে রেখে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি বিভাগ কাজ করছে মাঠে। প্রতিটি চাষির বাড়িতে পরিকল্পিত শাক-সবজি বাগান তৈরি করে খাদ্য-পুষ্টি ও আয় বৃদ্ধিসহ জাতীয় উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন করে চলেছে। ইতিমধ্যে বসতবাড়ির পতিত উচু জায়গা নিবিড় শাক-সবজি উৎপাদন শুরু করছে কৃষক-গৃহস্থালিরা।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় পুষ্টি বাগান স্থাপন করে চলছেন তারা। অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান নামের প্রকল্প এটি বাস্তবায়ন করছে। পরিবারের সদস্যদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তিন মৌসুমে শাক-সবজি উৎপাদন করা হচ্ছে। এর মধ্যে খরিপ-১ ও ২ মৌসুমে চাষ করা হচ্ছে, লাল শাক, পুঁইশাক, বেগুন, ঢেঁড়স, মরিচ, বরবটি, করলা, গাঁজর, মিষ্টি কুমড়া পিঁয়াজ ও পেঁপেঁ। এছাড়াও রবি মৌসুমে ফুলকপি, লাউ, মূলা, কলমী শাক, ধনেয়া ও সীমসহ আরও বিভিন্ন ধরণের শাক-সবজি উৎপাদন করা হচ্ছে।

কৃষক নজরুল ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে বলেন, উপজেলা কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় বেড পদ্ধতিতে নানা ধরণের শাক-সবজি উৎপাদন করা হয়। এ থেকে পরিবারের চাহিদা মিটিয়েও হাট-বাজারে বিক্রি করে আয় বৃদ্ধি হচ্ছে। বিশেষ করে করোনা পরিস্থিতিতে পুষ্টি বাগানে শ্রম দিয়ে সময় কাটছে বলে জানান তিনি।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রেজা-ই-মাহমুদ জাগো২৪.নেট-কে জানান, পারিবারিক পুষ্টি বাগান মালিকদের প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনা দেয়াসহ তাদের অধিক ফসল ফলাতে সর্বাত্নক চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক বসতভিটায় এক টুকরা জায়গাকে পরিকল্পিত উপায়ে আবাদ করা হলে বছর জুড়ে শাক-সবজি উৎপাদন করা সম্ভব।