বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামায় করলাক্ষেত থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

দিনাজপুরের খানসামা থানা পুলিশ করলাক্ষেত থেকে অলোকা রানী রায় (৪৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। শনিবার সকালে পুলিশ উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের পূর্ব হাসিমপুর গ্রামের খলিফাপাড়া এলাকা থেকে অলোকার মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। অলোকা উপজেলার ছাতিয়ানগড় গ্রামের প্রমথ বাবুপাড়ার অনিল চন্দ্র রায়ের স্ত্রী।

এলাকাবাসি ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে স্থানীয় লোকজন উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের পূর্ব হাসিমপুর গ্রামের খলিফাপাড়া এলাকায় একটি করলাক্ষেতে অলোকা রানী রায় নামে এক নারীর মরদেহ দেখতে পায় এবং থানা পুলিশে সংবাদ দেয়। থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত হলেই তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে এজাহার ও তদন্ত করে কারো সম্পৃক্তা পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

খানসামায় করলাক্ষেত থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ০৫:১৭:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২১

দিনাজপুরের খানসামা থানা পুলিশ করলাক্ষেত থেকে অলোকা রানী রায় (৪৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। শনিবার সকালে পুলিশ উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের পূর্ব হাসিমপুর গ্রামের খলিফাপাড়া এলাকা থেকে অলোকার মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। অলোকা উপজেলার ছাতিয়ানগড় গ্রামের প্রমথ বাবুপাড়ার অনিল চন্দ্র রায়ের স্ত্রী।

এলাকাবাসি ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে স্থানীয় লোকজন উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের পূর্ব হাসিমপুর গ্রামের খলিফাপাড়া এলাকায় একটি করলাক্ষেতে অলোকা রানী রায় নামে এক নারীর মরদেহ দেখতে পায় এবং থানা পুলিশে সংবাদ দেয়। থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত হলেই তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে এজাহার ও তদন্ত করে কারো সম্পৃক্তা পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।