গাইবান্ধার বিস্তৃর্ণ মাঠ জুড়ে নজর কাড়ছে নানা জাতের পেঁয়াজ ক্ষেত। গাঢ় সবুজের বিপ্লব পেঁয়াজের গাছগুলো। এ গাছের নিচেই লুকিয়ে রয়েছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন।
মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে পলাশবাড়ী উপজেলার মহদীপুর এলাকায় দেখা গেছে পেঁয়াজ ক্ষেতের সবুজের সমারোহ। যে দিকে চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ।
জানা যায়, কৃষিভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত গাইবান্ধা জেলা ।এ জেলাটিতে ধান-পাট, গম-ভুট্রার, সবজির পাশাপাশি চাষ করা হয় নানা জাতের মরিচ-পেয়াজ। এসব ফসল উৎপাদনের আয়ের উপর নির্ভশীল এখানকার কৃষকরা। তবে গত রবি মৌসুমের চেয়ে এ বছর বেশী ঝুঁকে পড়ছে পেঁয়াজ আবাদে। কারণ, চলতি বছরে বয়ে যাওয়া কয়েক দফা বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কৃষকরা। সেই সঙ্গে পেঁয়াজের দামও ছিল আকাশ চুম্বি। তাই বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ও ভালো দামের আশায় অন্যান্য রবিশস্যের পাশাপাশি চাষ করেছে নানা জাতের পেঁয়াজ।সম্প্রতি এ বীজ থেকে গজিয়ে উঠে সবুজ পাতার গাছ। আর এ গাছের নিচে বেড়ে উঠতে শুরু করছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। বর্তমানে আবহাওয়া অনুকুল থাকায় বাম্পার ফলনের সম্ভাবনায় কৃষকের চোখেমুখে দেখা দিয়েছে হাসির ঝিলিক। ইতোমধ্যে বেশ কিছু কৃষক আবাদের পেঁয়াজ তোলে তা হাট-বাজারে বিক্রিও শুরু করছে।
আদর্শ কৃষক আয়নাল উদ্দিন ব্যাপারী জাগো২৪.নেট-কে জানান, রবি মৌসুমে বিভিন্ন সবজির পাশাপাশি দেড় বিঘা উঁচু জমিতে চাষ করা হয়েছে পেঁয়াজ।সার-বীজ, সেচ ও অন্যান্য বাবদ বিঘাপ্রতি খরচ হবে প্রায় ১৫ হাজার টাকা।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী দেড় বিঘাতে প্রায় ৪০ হাজার টাকা লাভ থাকবে।
গাইবান্ধা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, চলতি রবি মৌসুমে ২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষামাত্রা নেয়া হয়। যা ইতোমধ্যে ১ হাজার ৫০০ হেক্টর অর্জিত হয়েছে। এটি লক্ষামাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, পেঁয়াজ চাষিদের লাভবান করতে প্রণোদনা দেয়াসহ মাঠপর্যায়ে সার্বিক পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
তোফায়েল হোসেন জাকির, জাগো২৪.নেট 



















