বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামায় ৬ ইউপির ৫টি-তে নৌকার ভরাডুবি

চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় নৌকার ভরাডুবি হয়েছে। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে একটিতে নৌকা, ৪টিতে বিএনপি সমর্থক স্বতন্ত্র এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। উপজেলায় ২টি ইউনিয়নে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছেন প্রার্থীরা।

এছাড়াও বেশি ভোটের ব্যবধানে বিএনপির সমর্থক স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে বিজয়ীরা হলেন-১নং আলোকঝাড়ি ইউনিয়নে মো. খলিলুর রহমান (আনারস) ৬ হাজার ৫০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মো. মোকছেদুল গণি শাহ্ (নৌকা) পান ৫ হাজার ৩৯৮ ভোট। ২নং ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নে মো. রিয়াজুল ইসলাম (টেলিফোন) ৩ হাজার ৬৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিপ্লব কুমার সিংহ রায় (আনারস) পান ৩ হাজার ৪৩৬ ভোট। ৩নং আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নে মো. গোলাম মোস্তফা আহমেদ শাহ্ (নৌকা) ৫ হাজার ৪৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মো. আবুল কালাম আজাদ (ঘোড়া) পান ৫ হাজার ২০৯ ভোট। ৪নং খামারপাড়া ইউনিয়নে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক চৌধুরী (মটর সাইকেল) ৬ হাজার ৬৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোহাম্মদ আলী সরকার (অটোরিকশা) পান ৩ হাজার ৬৬৪ ভোট। ৫নং ভাবকী ইউনিয়নে মো. রবিউল আলম তুহিন (আনারস) ৯ হাজার ৩১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মো. সফিকুল ইসলাম শাহ্ (নৌকা) পান ৭ হাজার ৬১৬ ভোট। ৬নং গোয়ালডিহি ইউনিয়নে মো. সাখাওয়াত হোসেন লিটন (চশমা) ৭ হাজার ৩৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মো. আইনুল হক শাহ্ (নৌকা) পান ৫ হাজার ৫৫৮ ভোট পান।

তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জানান, উপজেলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে গ্রুপিং ও সমন্বয়ের অভাবের কারণে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল এমন বিরুপ হয়েছে।

খানসামায় ৬ ইউপির ৫টি-তে নৌকার ভরাডুবি

প্রকাশের সময়: ০৫:০৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২১

চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় নৌকার ভরাডুবি হয়েছে। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে একটিতে নৌকা, ৪টিতে বিএনপি সমর্থক স্বতন্ত্র এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। উপজেলায় ২টি ইউনিয়নে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছেন প্রার্থীরা।

এছাড়াও বেশি ভোটের ব্যবধানে বিএনপির সমর্থক স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে বিজয়ীরা হলেন-১নং আলোকঝাড়ি ইউনিয়নে মো. খলিলুর রহমান (আনারস) ৬ হাজার ৫০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মো. মোকছেদুল গণি শাহ্ (নৌকা) পান ৫ হাজার ৩৯৮ ভোট। ২নং ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নে মো. রিয়াজুল ইসলাম (টেলিফোন) ৩ হাজার ৬৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিপ্লব কুমার সিংহ রায় (আনারস) পান ৩ হাজার ৪৩৬ ভোট। ৩নং আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নে মো. গোলাম মোস্তফা আহমেদ শাহ্ (নৌকা) ৫ হাজার ৪৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মো. আবুল কালাম আজাদ (ঘোড়া) পান ৫ হাজার ২০৯ ভোট। ৪নং খামারপাড়া ইউনিয়নে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক চৌধুরী (মটর সাইকেল) ৬ হাজার ৬৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোহাম্মদ আলী সরকার (অটোরিকশা) পান ৩ হাজার ৬৬৪ ভোট। ৫নং ভাবকী ইউনিয়নে মো. রবিউল আলম তুহিন (আনারস) ৯ হাজার ৩১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মো. সফিকুল ইসলাম শাহ্ (নৌকা) পান ৭ হাজার ৬১৬ ভোট। ৬নং গোয়ালডিহি ইউনিয়নে মো. সাখাওয়াত হোসেন লিটন (চশমা) ৭ হাজার ৩৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মো. আইনুল হক শাহ্ (নৌকা) পান ৫ হাজার ৫৫৮ ভোট পান।

তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জানান, উপজেলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে গ্রুপিং ও সমন্বয়ের অভাবের কারণে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল এমন বিরুপ হয়েছে।