সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাস্তায় দৃষ্টিনন্দন খেজুরগাছ

রংপুরের পীরগঞ্জের কাশিমপুর গ্রামের গাছপ্রেমি কিছু যুবক ও বয়োজষ্ঠ্যেদের উদ্যোগে রাস্তার দুধারে শোভাপাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন প্রায় ৫শত খেজুর গাছ। যা বর্তমানে কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে প্রকৃিতর মানচত্রি থেকে। গ্রামীন জনপদরে রাস্তাঘাটের অপরুপ শোভাবর্ধণ এ গাছটি শুধু শোভা বর্ধনে নয়, এটি শীতকালে গ্রামীন অর্থনীতিতে অর্থনৈতিক ভূকিকাসহ চাহিদা মেটায় অতুলনীয় স্বাদের রস এবং মূল্যবান খেজুর গুড়ের।

প্রকাশ, কয়কে বছর আগেই গ্রাম বাংলার মেঠো পথের দু ধারে অহরহ সারবিদ্ধ ভাবে শোভা পেত দৃষ্টিনন্দন এ গাছটি। বর্তমানে তা খুঁজে পাওয়া দায়, তবে কিছু এলাকায় গাছ প্রেমি মানুেষর উদ্যোগে দু-একটি এলাকায় নতুন করে শোভা পেতে দেখা যাচ্ছে এ গাছটিকে। খেজুর গাছ বাংলাদেশে সাধারনত দু-ধরনের দেখতে পাওয়া যায়-দেশী বা জংলী ও সৌদি খেজুর। দেশী বা জংলী এবং সৌদি খেজুর এ দু ধরনের খেজুর গাছেই রস ও সুস্বাদু ফলের জন্য বিখ্যাত। দেশী খেজুর বেশ দ্রুত বর্ধনশীল শাখাবিহীন এক কান্ড বিশিষ্ট গাছ। এটি নারিকেল, তাল, সুপারী গাছের ন্যায় জন্মে, গ্রীষ্মকালে এর ফল পাওয়া যায়। জন্ম ও উৎপত্তি বংলাদেশের সবে এলাকাতেই জন্মে দেশী বা জংলী খেজুর গাছ। বাংলাদেশের বিখ্যাত সুন্দর বনসহ উপকূলীয় অঞ্চল গুলোতে দেখা যায় এর বংশবিস্তার। প্রধানত প্রাকৃতিক ভাবেই এ দেশী খেজুরগাছ জন্মে থাকে, মূলত কাঠবিড়ালী ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখিরাই এর বিস্তারক।

বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে সৌদি খেজুরের চাষ হলেও দেশী বা জংলী খেজুরের বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়না। তবে বাংলাদেশের প্রকৃতি ও গ্রামীন অর্থনীতিতে প্রাচীনকাল থেকেই দেশী খেজুরের গাছ যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে আসছে। এ দেশের প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের গাছী সম্প্র্রায় অর্থাৎ (যারা খেজুর গাছ খেকে রস সংগ্রহ করে তাদেরকেই বলা হয় গাছী )। গাছিরা শীত মৌসুমে খেজুুরের রস সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। সেই সংগ্রহকৃত রস প্রতিদিন প্রত্যুষে ভোর বেলা খেকে সকাল ১০টার মধ্যে গ্রামে গ্রামে অথবা গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজার গুলোতে কলস বা হাড়ি ভরে ভাড়ে করে কেজী দরে বিক্রি করে থাকে, এ রস অত্যান্ত সুস্বাদু ও জনপ্রিয়। শীতের সকালে খেজুর রস পান না করলে অনেকের চলবেই না।

টাটকা রস বিক্রির পর অবিক্রিত রসদিয়ে গাছীরাই তৈরী করেন খেজুর গুড়। কিছু কিছু এলাকাতে এই গাছী সম্প্রদায়ের লোকজনই গ্রামাঞ্চলের রাস্তার দুপার্শ্বে সারিবদ্ধ ভাবে খেজুর গাছ লাগিয়ে থাকেন। পাশাপাশী কিছু গাছ প্রেমী মানুষও অনেক ক্ষেত্রে পতিত জমিসহ জমির আইলে এ গাছ লাগিয়ে থাকেন। খেজুর রসের গুড় দিয়ে এ দেশের বাঙ্গালীদের জন্য শত শত বছর ধরে বাহারী সুস্বাদু খাবারের ঐতিহ্য বহন করে আসছে। আখের গুড় ১শত ২০ থেকে ৫গ টকা কেজী বিক্রি হলেও খেজুর গুড় বিক্রি হয় ২শত ৫০ থেকে ৩শত টাকা। খেজুর গুড়দিয়ে বিভিন্ন নামীদামী মিস্টির দোকানে তৈরী করা হয়-উচ্চ মূল্যের রসগোল্লা, জিলাপি, সন্দেশ, খেজুর গুড়ছানা, খেজুর গুড়মিঠাই, পিঠা-পায়েস ইত্যাদি। শুধু কি তাই ? এ দেশে বসবাস রত বিভিন্ন উপজাতি সম্প্রদায় বা গোষ্টি খেজুরের রস দিয়ে তৈরি করে থাকেন-উচ্চ মূল্যের চোলাই মদসহ বিয়ার। খেজুর গাছ দিয়ে গ্রামাঞ্চলের মানুষ প্রাচীন কাল থেকে ঘরের বর্গা, ঘরের ছাদের বিছানিসহ ছোট খাল বা নালা পারাপারের জন্য মানুষ ও মালামাল বহনকারি ঠেলাগাড়ী পারাপারের জন্য খেজুর গাছের গুল ব্যবহার করা হত। বর্তমানে এ গাছের গুল অত্যান্ত মজবুত হওয়ায় টিনের ঘরের মুল্যবান রুয়া, বাতা হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।

এ গাছের গাছের কাঠের বৈশিষ্ট সহজে ঘুন পোকা আক্রমন করতে পারেনা। ইহাছাড়াও খেজুর গাছের পাতা দিয়ে গ্রামাঞ্চলে পাটি, মাদুর, ঝুড়ি, হাতব্যাগ, ফুলদানিসহ ইত্যাদি কারুপন্য তৈরি করা হয়। প্রাচীনকাল থেকে শহর থেকে শুরুকরে প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের রাস্তার দুধারে পুকুর পাড়ে, পতিত জমি, জমির আইলে, বাড়ীর উঠানসহ অহরহ শোভা পাইত এই প্রকৃতির শোভা বর্ধনকারি খেজুর গাছ। কিন্তু বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও রাস্তা ঘাটের উন্নয়নের যাতাকলে রাস্তা প্রসস্থ্য করন সহ ব্যাপক হারে বাসাবাড়ী নির্মানে জায়গার সংকুলানে এ সমস্ত গাছ কেটে ফেলতে হয়েছে। কিন্তু নতুন করে আর এ গাছ লগোনো হয়নি। পাশাপাশি ইট ভাটায় খড়ির চাহিদা মেটাতেও এর ব্যবহার ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দিন দিন বিলুপ্ত হতে বসেছে এ খেজুর গাছটি। পীরগঞ্জের মিঠিপুর ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামের গাছপ্রেমি বয়োজোষ্ট্যদেও উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে বলেন- দেশের জলবায়ুর কারনে বাংলাদেশের বিশেষ করে ফরিদপুর, নাটোর, রাজশাহী ও যশোর জেলায় তুলনামুলক ভাবে বেশী দেখা যায় এ গাছটিকে। বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি ভাবে উদ্যোগ নিয়ে দেশী খেজুর গাছ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অপরদিকে, দেশের সচেতন মহল ও পরিবেশ বাদিরা বিভিন্ন মতবাদে এ গাছটিকে সংরক্ষনে সরকারি ভাবে জোড়ালো পদক্ষেপ গ্রহণ করে শুধুমাত্র দেশের গ্রামীন রাস্তাগুলোর দুধারে শারিবদ্ধ ভাবে চারা রোপনের উদ্যোগ নিলে খেজুর গুড়ের দেশর চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও এ সুস্বাদু গুড় রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করেন।

রাস্তায় দৃষ্টিনন্দন খেজুরগাছ

প্রকাশের সময়: ০৬:২০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ ২০২২

রংপুরের পীরগঞ্জের কাশিমপুর গ্রামের গাছপ্রেমি কিছু যুবক ও বয়োজষ্ঠ্যেদের উদ্যোগে রাস্তার দুধারে শোভাপাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন প্রায় ৫শত খেজুর গাছ। যা বর্তমানে কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে প্রকৃিতর মানচত্রি থেকে। গ্রামীন জনপদরে রাস্তাঘাটের অপরুপ শোভাবর্ধণ এ গাছটি শুধু শোভা বর্ধনে নয়, এটি শীতকালে গ্রামীন অর্থনীতিতে অর্থনৈতিক ভূকিকাসহ চাহিদা মেটায় অতুলনীয় স্বাদের রস এবং মূল্যবান খেজুর গুড়ের।

প্রকাশ, কয়কে বছর আগেই গ্রাম বাংলার মেঠো পথের দু ধারে অহরহ সারবিদ্ধ ভাবে শোভা পেত দৃষ্টিনন্দন এ গাছটি। বর্তমানে তা খুঁজে পাওয়া দায়, তবে কিছু এলাকায় গাছ প্রেমি মানুেষর উদ্যোগে দু-একটি এলাকায় নতুন করে শোভা পেতে দেখা যাচ্ছে এ গাছটিকে। খেজুর গাছ বাংলাদেশে সাধারনত দু-ধরনের দেখতে পাওয়া যায়-দেশী বা জংলী ও সৌদি খেজুর। দেশী বা জংলী এবং সৌদি খেজুর এ দু ধরনের খেজুর গাছেই রস ও সুস্বাদু ফলের জন্য বিখ্যাত। দেশী খেজুর বেশ দ্রুত বর্ধনশীল শাখাবিহীন এক কান্ড বিশিষ্ট গাছ। এটি নারিকেল, তাল, সুপারী গাছের ন্যায় জন্মে, গ্রীষ্মকালে এর ফল পাওয়া যায়। জন্ম ও উৎপত্তি বংলাদেশের সবে এলাকাতেই জন্মে দেশী বা জংলী খেজুর গাছ। বাংলাদেশের বিখ্যাত সুন্দর বনসহ উপকূলীয় অঞ্চল গুলোতে দেখা যায় এর বংশবিস্তার। প্রধানত প্রাকৃতিক ভাবেই এ দেশী খেজুরগাছ জন্মে থাকে, মূলত কাঠবিড়ালী ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখিরাই এর বিস্তারক।

বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে সৌদি খেজুরের চাষ হলেও দেশী বা জংলী খেজুরের বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়না। তবে বাংলাদেশের প্রকৃতি ও গ্রামীন অর্থনীতিতে প্রাচীনকাল থেকেই দেশী খেজুরের গাছ যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে আসছে। এ দেশের প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের গাছী সম্প্র্রায় অর্থাৎ (যারা খেজুর গাছ খেকে রস সংগ্রহ করে তাদেরকেই বলা হয় গাছী )। গাছিরা শীত মৌসুমে খেজুুরের রস সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। সেই সংগ্রহকৃত রস প্রতিদিন প্রত্যুষে ভোর বেলা খেকে সকাল ১০টার মধ্যে গ্রামে গ্রামে অথবা গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজার গুলোতে কলস বা হাড়ি ভরে ভাড়ে করে কেজী দরে বিক্রি করে থাকে, এ রস অত্যান্ত সুস্বাদু ও জনপ্রিয়। শীতের সকালে খেজুর রস পান না করলে অনেকের চলবেই না।

টাটকা রস বিক্রির পর অবিক্রিত রসদিয়ে গাছীরাই তৈরী করেন খেজুর গুড়। কিছু কিছু এলাকাতে এই গাছী সম্প্রদায়ের লোকজনই গ্রামাঞ্চলের রাস্তার দুপার্শ্বে সারিবদ্ধ ভাবে খেজুর গাছ লাগিয়ে থাকেন। পাশাপাশী কিছু গাছ প্রেমী মানুষও অনেক ক্ষেত্রে পতিত জমিসহ জমির আইলে এ গাছ লাগিয়ে থাকেন। খেজুর রসের গুড় দিয়ে এ দেশের বাঙ্গালীদের জন্য শত শত বছর ধরে বাহারী সুস্বাদু খাবারের ঐতিহ্য বহন করে আসছে। আখের গুড় ১শত ২০ থেকে ৫গ টকা কেজী বিক্রি হলেও খেজুর গুড় বিক্রি হয় ২শত ৫০ থেকে ৩শত টাকা। খেজুর গুড়দিয়ে বিভিন্ন নামীদামী মিস্টির দোকানে তৈরী করা হয়-উচ্চ মূল্যের রসগোল্লা, জিলাপি, সন্দেশ, খেজুর গুড়ছানা, খেজুর গুড়মিঠাই, পিঠা-পায়েস ইত্যাদি। শুধু কি তাই ? এ দেশে বসবাস রত বিভিন্ন উপজাতি সম্প্রদায় বা গোষ্টি খেজুরের রস দিয়ে তৈরি করে থাকেন-উচ্চ মূল্যের চোলাই মদসহ বিয়ার। খেজুর গাছ দিয়ে গ্রামাঞ্চলের মানুষ প্রাচীন কাল থেকে ঘরের বর্গা, ঘরের ছাদের বিছানিসহ ছোট খাল বা নালা পারাপারের জন্য মানুষ ও মালামাল বহনকারি ঠেলাগাড়ী পারাপারের জন্য খেজুর গাছের গুল ব্যবহার করা হত। বর্তমানে এ গাছের গুল অত্যান্ত মজবুত হওয়ায় টিনের ঘরের মুল্যবান রুয়া, বাতা হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।

এ গাছের গাছের কাঠের বৈশিষ্ট সহজে ঘুন পোকা আক্রমন করতে পারেনা। ইহাছাড়াও খেজুর গাছের পাতা দিয়ে গ্রামাঞ্চলে পাটি, মাদুর, ঝুড়ি, হাতব্যাগ, ফুলদানিসহ ইত্যাদি কারুপন্য তৈরি করা হয়। প্রাচীনকাল থেকে শহর থেকে শুরুকরে প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের রাস্তার দুধারে পুকুর পাড়ে, পতিত জমি, জমির আইলে, বাড়ীর উঠানসহ অহরহ শোভা পাইত এই প্রকৃতির শোভা বর্ধনকারি খেজুর গাছ। কিন্তু বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও রাস্তা ঘাটের উন্নয়নের যাতাকলে রাস্তা প্রসস্থ্য করন সহ ব্যাপক হারে বাসাবাড়ী নির্মানে জায়গার সংকুলানে এ সমস্ত গাছ কেটে ফেলতে হয়েছে। কিন্তু নতুন করে আর এ গাছ লগোনো হয়নি। পাশাপাশি ইট ভাটায় খড়ির চাহিদা মেটাতেও এর ব্যবহার ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দিন দিন বিলুপ্ত হতে বসেছে এ খেজুর গাছটি। পীরগঞ্জের মিঠিপুর ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামের গাছপ্রেমি বয়োজোষ্ট্যদেও উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে বলেন- দেশের জলবায়ুর কারনে বাংলাদেশের বিশেষ করে ফরিদপুর, নাটোর, রাজশাহী ও যশোর জেলায় তুলনামুলক ভাবে বেশী দেখা যায় এ গাছটিকে। বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি ভাবে উদ্যোগ নিয়ে দেশী খেজুর গাছ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অপরদিকে, দেশের সচেতন মহল ও পরিবেশ বাদিরা বিভিন্ন মতবাদে এ গাছটিকে সংরক্ষনে সরকারি ভাবে জোড়ালো পদক্ষেপ গ্রহণ করে শুধুমাত্র দেশের গ্রামীন রাস্তাগুলোর দুধারে শারিবদ্ধ ভাবে চারা রোপনের উদ্যোগ নিলে খেজুর গুড়ের দেশর চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও এ সুস্বাদু গুড় রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করেন।