রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে স্বামী-স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে জেরে মাজেদ মিয়া (৪০) ও তার স্ত্রী হেলেনা বেগম (৩৫) কে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে প্রতিপক্ষ ইউনুস আলীগংরা। এ ঘটনায় সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এই মামলার এজাহারে বাদি উল্লেখ করে যে, উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দ রসুলপুর গ্রামের মৃত কিনা মামুদের ছেলে ইউনুস আলী ও মৃত এছাহাক আলীর ছেলে আব্দুর রশিদ মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের মৃত মততাজ আলীর ছেলে মাজেদ মিয়ার জমিজমা বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

এরই জেরে গত ২১ মার্চ সকালে মাজেদ মিয়া হেঁটে ইউনুস আলীর বাড়ির সামন দিয়ে মাঠে যাচ্ছিলেন। এসময় পুর্বপরিকল্পিতভাবে ইউনুস আলী ও তার ছেলে শাহীন এবং রশিদ মিয়াসহ আরও অনেকে লাঠি-রড নিয়ে তাকে পথরোধ করে গলাটিপে হত্যার চেষ্টা করে। এরপর মাজেদকে টেনে-হেঁচরে তাদের বাড়ির ভেতর নিয়ে বেধরক মারপিট করতে থাকে। এসময় তার আত্নচিৎকারে স্ত্রী হেলেনা বেগম ও তার বাবা আবু বক্কর উদ্ধারের চেষ্টা করলেও তাদেরকেও লাঠি-রড দিয়ে পিটিয়ে যখম করে। এতে হেলেনা বেগমের মাথা ফেটে চৌচির হয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আতœচিৎকার শুনে ঘটনা স্থলে ছুটে এসে আহত মাজেদ, হেলেনা ও আবু বক্করকে উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে মাজেদ ও হেলেনাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে কর্তব্যরত চিকিৎসক। এ ঘনায় মাজেদ মিয়ার বড় ভাই বাদি হয়ে সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

এ বিষয়ে বাদি মোসলেম উদ্দিন বলেন, আমরা মামলা করার পর আমাদের মিথ্যাভাবে ফাঁসানোর জন্য প্রতিপক্ষরাও পাল্টা মামলা করেছে। সেই সঙ্গে আমাদের মামলা তুলে নেয়র জন্য নানাভাবে হুমিক দিচ্ছে ইউনুস আলী ও আব্দুর রশিদ মিয়া। তাদের অব্যাহত হুমকিতে ঘরছাড়া হয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হচ্ছে।

সাদুল্লাপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) ও এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসএম রেজাউর রহমান জানান, বিষয়টি নিয়ে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং মামলাটি তদান্তাধীন রয়েছে।

সাদুল্লাপুরে স্বামী-স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

প্রকাশের সময়: ০৩:৪৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ মার্চ ২০২২

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে জেরে মাজেদ মিয়া (৪০) ও তার স্ত্রী হেলেনা বেগম (৩৫) কে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে প্রতিপক্ষ ইউনুস আলীগংরা। এ ঘটনায় সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এই মামলার এজাহারে বাদি উল্লেখ করে যে, উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দ রসুলপুর গ্রামের মৃত কিনা মামুদের ছেলে ইউনুস আলী ও মৃত এছাহাক আলীর ছেলে আব্দুর রশিদ মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের মৃত মততাজ আলীর ছেলে মাজেদ মিয়ার জমিজমা বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

এরই জেরে গত ২১ মার্চ সকালে মাজেদ মিয়া হেঁটে ইউনুস আলীর বাড়ির সামন দিয়ে মাঠে যাচ্ছিলেন। এসময় পুর্বপরিকল্পিতভাবে ইউনুস আলী ও তার ছেলে শাহীন এবং রশিদ মিয়াসহ আরও অনেকে লাঠি-রড নিয়ে তাকে পথরোধ করে গলাটিপে হত্যার চেষ্টা করে। এরপর মাজেদকে টেনে-হেঁচরে তাদের বাড়ির ভেতর নিয়ে বেধরক মারপিট করতে থাকে। এসময় তার আত্নচিৎকারে স্ত্রী হেলেনা বেগম ও তার বাবা আবু বক্কর উদ্ধারের চেষ্টা করলেও তাদেরকেও লাঠি-রড দিয়ে পিটিয়ে যখম করে। এতে হেলেনা বেগমের মাথা ফেটে চৌচির হয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আতœচিৎকার শুনে ঘটনা স্থলে ছুটে এসে আহত মাজেদ, হেলেনা ও আবু বক্করকে উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে মাজেদ ও হেলেনাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে কর্তব্যরত চিকিৎসক। এ ঘনায় মাজেদ মিয়ার বড় ভাই বাদি হয়ে সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

এ বিষয়ে বাদি মোসলেম উদ্দিন বলেন, আমরা মামলা করার পর আমাদের মিথ্যাভাবে ফাঁসানোর জন্য প্রতিপক্ষরাও পাল্টা মামলা করেছে। সেই সঙ্গে আমাদের মামলা তুলে নেয়র জন্য নানাভাবে হুমিক দিচ্ছে ইউনুস আলী ও আব্দুর রশিদ মিয়া। তাদের অব্যাহত হুমকিতে ঘরছাড়া হয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হচ্ছে।

সাদুল্লাপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) ও এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসএম রেজাউর রহমান জানান, বিষয়টি নিয়ে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং মামলাটি তদান্তাধীন রয়েছে।