বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজীবপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন 

বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা এবং বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে রাজীবপুরে উপজেলায় ৫২তম মহান স্বাধীনতা দিবস এবং জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের শুরুতে শনিবার সকালে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা অমিত চক্রবর্ত্তী,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো, আ’লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই সরকার, সাধারণ সম্পাদক সফিউল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ডেপুটি কমান্ডার বোলাল হোসেন সরকার, অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোজাহারুল ইসলাম,রাজীবপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সহিজল ইসলাম ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারী কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন প্রমুখ।
পরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।কুচকাওয়াজ ও শিশু কিশোরদের শরীর চর্চা প্রদর্শন করা হয়। এছাড়াও দিনব্যাপী আয়োজন করা হয় বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক এবং ক্রীড়া প্রতিযোগীতার অনুষ্ঠান।
কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই সরকার, আব্দস সবুর ফারুকী ও বেলাল সরকার তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি তুলে ধরে আবেগময় বক্তব্য রাখেন।পরে উপজেলার সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে উপহার বিতরণ করা হয় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে।

রাজীবপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন 

প্রকাশের সময়: ০৪:৪৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ মার্চ ২০২২
বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা এবং বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে রাজীবপুরে উপজেলায় ৫২তম মহান স্বাধীনতা দিবস এবং জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের শুরুতে শনিবার সকালে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা অমিত চক্রবর্ত্তী,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো, আ’লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই সরকার, সাধারণ সম্পাদক সফিউল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ডেপুটি কমান্ডার বোলাল হোসেন সরকার, অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোজাহারুল ইসলাম,রাজীবপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সহিজল ইসলাম ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারী কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন প্রমুখ।
পরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।কুচকাওয়াজ ও শিশু কিশোরদের শরীর চর্চা প্রদর্শন করা হয়। এছাড়াও দিনব্যাপী আয়োজন করা হয় বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক এবং ক্রীড়া প্রতিযোগীতার অনুষ্ঠান।
কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই সরকার, আব্দস সবুর ফারুকী ও বেলাল সরকার তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি তুলে ধরে আবেগময় বক্তব্য রাখেন।পরে উপজেলার সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে উপহার বিতরণ করা হয় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে।