রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে আগুনে ৫ পরিবারের বসতবাড়ি পুড়ে ছাই

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ৫ পরিবারের বসতবাড়ির সর্বস্ব। এতে অন্তত ১২-১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি গত ২৯ মার্চ মঙ্গলবার আনুমানিক বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের ঘিনাশাহ্পাড়ায় ঘটেছে।

এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় আব্দুস সালামের বাড়ি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মূর্হুতের মধ্যে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে নিমিষেই ৫ পরিবারের ঘরগুলো পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনে অগ্নিকান্ডে আব্দুস সালামের ৩টি ঘর, আবু হানিফার ২টি, আলতাব হোসেনের ২টি, নজরুল ইসলামের ৫টি এবং তাইমদ্দিনের ২টি ঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রন আনেন। এতে অন্তত ১২-১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য অনুকুল চক্রবর্তী বলেন, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের লোকজন সকালে বাড়ি থেকে অন্তত এক কিলোমিটার দূরে ক্ষেতে কাজ করতে যান। অগ্নিকান্ডের সময় বাড়িতে কেউ ছিল না। আগুনে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিমু ও ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদীর নতুন বইগুলোও আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তাদের পড়ার বইগুলোও আগুনে পুড়ে যাওয়ায় তারা হাহাকার করছেন। স্কুল থেকে ফিরে এসে তারা দেখতে পান তাদের আগুনে পুড়ে গেছে।

এদিকে, অগ্নিকান্ডের সংঘটিত হওয়ার পরপরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আয়েশা সিদ্দীকা জাগো২৪.নেট-কে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্থদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানে আশ্বাস প্রদান করেন।

চিরিরবন্দরে আগুনে ৫ পরিবারের বসতবাড়ি পুড়ে ছাই

প্রকাশের সময়: ০৬:১৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ৫ পরিবারের বসতবাড়ির সর্বস্ব। এতে অন্তত ১২-১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি গত ২৯ মার্চ মঙ্গলবার আনুমানিক বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের ঘিনাশাহ্পাড়ায় ঘটেছে।

এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় আব্দুস সালামের বাড়ি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মূর্হুতের মধ্যে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে নিমিষেই ৫ পরিবারের ঘরগুলো পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনে অগ্নিকান্ডে আব্দুস সালামের ৩টি ঘর, আবু হানিফার ২টি, আলতাব হোসেনের ২টি, নজরুল ইসলামের ৫টি এবং তাইমদ্দিনের ২টি ঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রন আনেন। এতে অন্তত ১২-১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য অনুকুল চক্রবর্তী বলেন, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের লোকজন সকালে বাড়ি থেকে অন্তত এক কিলোমিটার দূরে ক্ষেতে কাজ করতে যান। অগ্নিকান্ডের সময় বাড়িতে কেউ ছিল না। আগুনে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিমু ও ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদীর নতুন বইগুলোও আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তাদের পড়ার বইগুলোও আগুনে পুড়ে যাওয়ায় তারা হাহাকার করছেন। স্কুল থেকে ফিরে এসে তারা দেখতে পান তাদের আগুনে পুড়ে গেছে।

এদিকে, অগ্নিকান্ডের সংঘটিত হওয়ার পরপরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আয়েশা সিদ্দীকা জাগো২৪.নেট-কে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্থদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানে আশ্বাস প্রদান করেন।