রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আসামির হুমকিতে বাদি পরিবার ঘরছাড়া

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের ছোট ছত্রগাছা গ্রামে মৃত নশিবুল্লা শেখের ছেলে নবির হোসেন। তার নিজস্ব জমিতে গাছ বাগান করেন তিনি। এ বাগানের ৬ লাখ টাকা মূল্যের ৫২টি গাছ কেটে নিয়ে গেছে একই গ্রামের মৃত সমুজ উদ্দিনের ছেলে সৈয়দ আলী গংরা।

এ নিয়ে থানায় মামলা করে নবির হোসেন। এ মামলার আসামিরা সম্প্রতি জামিনে এসে মামলা তুলে নেয়াসহ প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আসামিদের হুমকিতে ঘরছাড়া হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে নবির হোসেনের পরিবারটি।

আসামিদের অব্যাহত হুমকির ফলে নিরাপত্তা চেয়ে গতকাল সাদুল্লাপুর থানায় আবারও সাধারণ ডায়েরী করেছে নবির হোসেনের ছেলে মিঠু শেখ। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বাদি পরিবারের লোকজন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, নবির হোসেন তার ক্রয় ও পৈত্রিক ১১ শতক জমিতে নানা প্রজাতির গাছ রোপন করে। ছোট ছত্রগাছা মৌজার এ জমির গাছগুলো ইতোমধ্যে বড় হয়েছে। এরই মধ্যে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সৈয়দ আলী ও তার লোকজন নিয়ে ওই বাগানের প্রায় ৬ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ৫২ টি কাঠ গাছ কেটে নিয়ে যায়। এসময় নবির হোসেন ও তার স্ত্রী-পুত্রবধু-ছেলে বাঁধা দিতে গেলে তাদের পিটিয়ে রক্তাক্ত যখন করাসহ শ্লীলতাহানী ঘটনায়। একই সঙ্গে অস্ত্র ঠেকিয়ে পুত্রবধূ সবিতা বেগমের গলার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় সৈয়দ আলী গংরা।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে ভুক্তভোগি নবির হোসেন জানান, সৈয়দ আলী গংদের গাছ কাটা ও হামলার বিষয়ে গত ২০ মার্চ সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এ মালার এজাহারভূক্ত আসামিরা সম্প্রতি জামিনে এসে মামলাটি তুলে নেয়াসহ আমাদের জীবন নাশের হুমকি প্রর্দশন করেছে। এ নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতা ভুগছি। পুলিশ এখনো গাছগুলো উদ্ধার করতে পারেনি বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে সৈয়দ আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মামলার তদন্তকারী র্কমর্কতা ও ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সেরাজুল হক বলেন, মামলাটি তদান্তাধীন রয়েছে। কর্তনকৃত গাছগুলি উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

আসামির হুমকিতে বাদি পরিবার ঘরছাড়া

প্রকাশের সময়: ০২:২১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ এপ্রিল ২০২২

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের ছোট ছত্রগাছা গ্রামে মৃত নশিবুল্লা শেখের ছেলে নবির হোসেন। তার নিজস্ব জমিতে গাছ বাগান করেন তিনি। এ বাগানের ৬ লাখ টাকা মূল্যের ৫২টি গাছ কেটে নিয়ে গেছে একই গ্রামের মৃত সমুজ উদ্দিনের ছেলে সৈয়দ আলী গংরা।

এ নিয়ে থানায় মামলা করে নবির হোসেন। এ মামলার আসামিরা সম্প্রতি জামিনে এসে মামলা তুলে নেয়াসহ প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আসামিদের হুমকিতে ঘরছাড়া হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে নবির হোসেনের পরিবারটি।

আসামিদের অব্যাহত হুমকির ফলে নিরাপত্তা চেয়ে গতকাল সাদুল্লাপুর থানায় আবারও সাধারণ ডায়েরী করেছে নবির হোসেনের ছেলে মিঠু শেখ। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বাদি পরিবারের লোকজন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, নবির হোসেন তার ক্রয় ও পৈত্রিক ১১ শতক জমিতে নানা প্রজাতির গাছ রোপন করে। ছোট ছত্রগাছা মৌজার এ জমির গাছগুলো ইতোমধ্যে বড় হয়েছে। এরই মধ্যে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সৈয়দ আলী ও তার লোকজন নিয়ে ওই বাগানের প্রায় ৬ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ৫২ টি কাঠ গাছ কেটে নিয়ে যায়। এসময় নবির হোসেন ও তার স্ত্রী-পুত্রবধু-ছেলে বাঁধা দিতে গেলে তাদের পিটিয়ে রক্তাক্ত যখন করাসহ শ্লীলতাহানী ঘটনায়। একই সঙ্গে অস্ত্র ঠেকিয়ে পুত্রবধূ সবিতা বেগমের গলার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় সৈয়দ আলী গংরা।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে ভুক্তভোগি নবির হোসেন জানান, সৈয়দ আলী গংদের গাছ কাটা ও হামলার বিষয়ে গত ২০ মার্চ সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এ মালার এজাহারভূক্ত আসামিরা সম্প্রতি জামিনে এসে মামলাটি তুলে নেয়াসহ আমাদের জীবন নাশের হুমকি প্রর্দশন করেছে। এ নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতা ভুগছি। পুলিশ এখনো গাছগুলো উদ্ধার করতে পারেনি বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে সৈয়দ আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মামলার তদন্তকারী র্কমর্কতা ও ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সেরাজুল হক বলেন, মামলাটি তদান্তাধীন রয়েছে। কর্তনকৃত গাছগুলি উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।